তামিলনাড়ুর বিধানসভা ভোটে রীতিমত ভরাডুবি হয়েছে কমল হাসানের প্রতিষ্ঠা করা মাক্কাল নিধি মাইয়ামের। বিধানসভা ভোটে একও আসনে জয়ী হতে পারেনি এই রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে তামিল রাজনীতিত এর আগে এত ফ্লপ হননি কোনও অভিনেতা রাজনীতিবিদ। জয়ললিতা থেকে করুণানিধি তামিল রাজনীতিতে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন রুপোলি পর্দার কলাকুশলীরা। সেখানে রীতিমত হোঁচট খেলেন কমল হাসান। কিন্তু এখানেই শেষ হয়, বিধানসভা ভোটে দলের শোচনীয় পরাজয়ের পরেই সামনে আসছে দলের অন্তর্কলহ। দীর্ঘক্ষোণ এগিয়ে থেকেও বিজেপির মহিলার মোর্চার নেত্রীর কাছে পরাজিত কোয়েম্বাটোর থেকে পরাজিত হন কমল হাসান। তবে আর কোনও প্রার্থী ভোট যুদ্ধে দাগ কাটতে পারেননি। 

কমল হাসানের দল এমএনএম কোনও গণতন্ত্র নেই। এই অভিযোগ তুলেই বিধানসভা ভোটের পরপরই দল ছাড়লেন সভাপতি আর মাহেন্দ্রন। থেমে থাকেননি দক্ষিনী সুপারস্টার কমল হাসান। তিনিও প্রাক্তন সভাপতিকে বিশ্বাসঘাতক বলে ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন মহেন্দ্র একটি পরগাছা। আর তাঁর দলে পরগাছার কোনও স্থান নেই। আগেই দল তাঁকে বহিষ্কারের কথা চিন্তাভাবনা করছিল। 

তবে শুধু সভাপতি মহেন্দ্রন একা নয়। দলের প্রথম সারির আরও বেশ কয়েকজন নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিত্ব ইতিমধ্যেই পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বেশ কয়েকজন চিঠি লিখে দাবি করেছেন নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে উপযুক্ত ব্যক্তি নন কমল হাসান। সূত্রের খবর দলের অন্দরে কমল হাসানের পদত্যাগেরও দাবি উঠেছে। যদিও এই বিষয়ে গুরুত্ব দিতে নারাদ কমল হাসান। ঘনিষ্ট মহলে তিনি দাবি করেছেন নতুন উদ্যমেই শুরু করবেন। আর কমল হাসানের এই মনোভাবই কাঁটা হয়ে ফুটছিল মাহেন্দ্রনের কাছে। তিনি বলেছেন দলে গণতন্ত্র নেই। বেশ কয়েক মাস ধরেই তিনি কমল হাসানেরর সঙ্গে রয়েছেন। কিন্তু দল চালানোর ক্ষেত্রে তিনি কারও মতামতকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন।