বৃহস্পতিবার, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশব্যাপী অক্সিজেন সরবরাহের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে এবং এর সহজলভ্যতা বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা করার জন্য একটি উচ্চ-স্তরের বৈঠক করলেন। বিভিন্ন মন্ত্রকের কর্মকর্তারা অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থার  উন্নতির জন্য গত কয়েক সপ্তাহে মধ্যে যেসব প্রয়াস নেওয়া হয়েছে, সেই সম্পর্কে অবহিত করেন। অক্সিজেনের উত্পাদন বৃদ্ধি, বিতরণের গতি বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী উপায়গুলি ব্যবহার করে স্বাস্থ্য পরিষেবা কেন্দ্রগুলিতে অক্সিজেন সহায়তা প্রদানের মতো বিভিন্ন বিষয়ে দ্রুত কাজ করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।

গত কয়েক দিনে চাহিদা অনুযায়ী অক্সিজেন সরবরাহ বজায় রাখতে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে -

- অক্সিজেনের চাহিদা এবং জোগান নিশ্চিত করতে রাজ্যগুলির সঙ্গে কেন্দ্রের সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে

- ২০ টি রাজ্যে বর্তমানে প্রতিদিন ৬,৭৮৫ মেগাটন তরল অক্সিজেন প্রয়োজন। ভারত সরকার ২১ এপ্রিল থেকে রাজ্যগুলিতে দিন প্রতি ৬,৮২২ মেগাটন তরল অক্সিজেন সরবরাহ করছে।

- গত কয়েক দিনে মেডিকেল কার্ণে ব্যবহৃত তরল অক্সিজেনের প্রাপ্যতা দিন প্রতি প্রায় ৩,৩০০ মেগাটন বাড়ানো হয়েছে।

- এর পিছনে অক্সিজেন নির্মাতা সংস্থাগুলির পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি ইস্পাত কারখানা, ও অন্য়ান্য শিল্পক্ষেত্রগুলিরও অবদান রয়েছে।

- সেইসঙ্গে অনাবশ্যকীয় শিল্প ক্ষেত্রে অক্সিজেন সরবরাহ আপাতত নিষিদ্ধ করা হয়েছে

- রাজ্যগুলির সঙ্গে কথা বলে পিএসএ অক্সিজেন উৎপাদন কারখানাগুলিতে যত দ্রুত সম্ভব কাজ শুরু করা হচ্ছে।

- অক্সিজেন সরবরাহ মসৃণ করতে আর্গন বা অন্যান্য গ্যাসের ট্যাঙ্কারগুলিকে অক্সিজেন ট্যাঙ্কারে পরিণত করা হচ্ছে, নতুন ট্যাঙ্কার তৈরিও করা হচ্ছে।

- চিকিত্সক প্রতিনিধিরা জানান, কেকটি রাজ্যে অডিট করলেন কোভিড রোগীদের ক্ষতি না করেই অক্সিজেনের চাহিদা কমানো যেতে পারে।
 
এদিনের বৈঠকে মন্ত্রিসভার সচিবরা, প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রকের মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বাস্থ্য সচিব ও বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রক, সড়ক পরিবহন মন্ত্রকের কর্মকর্তারা, ফার্মাসিউটিক্যালস সংস্থআর প্রতিনিধিরা এবং নীতি আয়োগের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।