আর মাত্র বাকি একটা দফা। আগামী ১৯ মে সপ্তম দফা হয়ে গেলেই ২০১৯-এর ভোট উৎসবে সমাপ্তি ঘটবে। এরই মাঝে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, টুইটার থেকে সরিয়ে দিতে হবে এক্সিট পোল সম্পর্কিত সমস্ত পোস্ট।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের কাছে এই সংক্রান্ত কিছু অভিযোগ আসে। তার জেরেই নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেই পোস্টটি ঘিরে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ আসে, সেটি ব্যবহারকারী টুইটার থেকে ডিলিট করে দেয় বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু অভিযোগটি ঠিক কী ছিল সে বিষয়ে কিছু খোলসা করেনি নির্বাতন কমিশন। 

এক সূত্রের কথা, একটি অভিযোগের ভিত্তিতেই এক্সিট পোল সম্পর্কিত যে কোনও পোস্ট টুইটার থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন। যদিও সেই পোস্টটি ব্যবহারকারী নিজেই ডিলিট করে দেন। মূলত, তিনটি সংবাদমাধ্য়ম টুইটারে একটি সমীক্ষার দ্বারা নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল টুইটারে পোস্ট করার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। এই বিষয়ে ওই তিন মিডিয়া হাউসকে শো-কজ নোটিশও পাঠায় নির্বাচন কমিশন। 

১২৬এ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচন চলাকালীন কেউ এক্সিট পোল সম্পর্কিত কিছু প্রকাশ করতে পারবেন না। এই বিধি ভঙ্গে সবোর্চ্চ ২ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে অপরাধীর। সঙ্গে জরিমানাও হতে পারে। 

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার অমিত শাহের রোড শো নিয়ে কলকাতার রাস্তায় ধুন্ধুমার চলেছে। বিজেপি ও  তৃণমূলের মধ্য়ে তাণ্ডবে ত্রস্ত হয়ে পড়ে কলকাতার মানুষ। এই ঘটনার জেরেই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, সপ্তম দফার ভোটের জন্য আর কোনও দলই প্রচার করতে পারবে না বাংলায়। 

১৯ মে সপ্তম দফার ভোটে বাংলার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে নির্বাচন। তার ঠিক আগেই নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্তে কোন দিকে কোন দলের পাশা ঘুরবে তা-ই দেখার।