রাজ্য সরকারকে কার্যত নখদন্তহীন করে ছেড়েছে নির্বাচন কমিশন। সপ্তম দফা ভোটের প্রাক্কালে জারি হয়েছিল রাজ্যজুড়ে ৩২৪ ধারা। ১৯ ঘণ্টা কমিয়ে দেওয়া হয় প্রচারের মেয়াদ। তড়িঘড়ি প্রচার সারতে হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নির্বাচন কমিশন নজিরবিহীনভাবে স্বাধীনতার পর এই প্রথম৩২৪ ধারা জারি করেছিল বিশৃঙ্খলা সামাল দিতে রাজ্যসরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করে। এই অবস্থা সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের অশান্ত সময়েও বাংলা দেখেনি। তবে হাল ছাড়েননি মমতা। একদিনের চারটি প্রচার পরিকল্পনা  সেরেছিলন তিনি।  এবার শেষ দফার ভোট গ্রহণের ঠিক আগে কমিশনকে চিঠি ধরালেন মমতা। অভিযোগ সেই পক্ষপাতদুষ্টতার, দাবি স্বচ্ছতার। রাজনৈতিক মহল মনে করছে কমিশনকে চাপে রাখতেই রবিবার ভোটের ঠিক আগে কমিশনকে এই চিঠি দিলেন মমতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরাকে এই চিঠি পাঠিয়েছেন মমতা।

মূলত চারটি অভিযোগ করছেন মমতা এই চিঠিতে।

১ কেন্দ্রীয় সরকার তথা বিজেপি কমিশনকে একাধিক অবৈধ কাজে বাধ্য করেছে।
২ ১৪৪ ধারার মধ্যে কী করে রোড শো করার অনুমতি পেল অমিত শাহ, জানতে চান মমতা।
৩ তাঁর প্রশ্ন অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিকদের কেন পর্যবেক্ষক হিসেবে ফিরিয়ে আনল কমিশন?
৪ মমতার স্পষ্ট বক্তব্য, বারবার অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি। কিন্তু শেষ দফায় চাই কোনওরকম প্রভাবমুক্ত স্বচ্ছ ভোট।

রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি  অবশ্য মমতার অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে রাজি নয়। বিজেপির রাজ্য সম্পাদক দিলীপ ঘোষ মমতার সমস্ত অভিযোগকেই 'আজগুবি' বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। যদিও সিপিএম-এর তরফেও