অবশেষে সাঙ্গ হল চতুর্থ দফার ভোট। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৯ রাজ্যে চতুর্থ দফার ভোটে সর্বমোট ভোট পড়েছে ৫০.৬০ শতাংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত প্রদত্ত ভোটের পরিমাণ ৬৬.৪৬ শতাংশ। 

প্রসঙ্গত, মোট ৯টি রাজ্যে ভোট হচ্ছে এদিন। লড়াই ৭২ টি আসনের। এর মধ্যে রয়েছে বিহার (৫), জম্মু কাশ্মীর (১), ঝাড়খণ্ড (৩), মধ্যপ্রদেশ (৬), মহারাষ্ট্র( ১৭), ওড়িশা (৬), রাজস্থান (১৩), উত্তরপ্রদেশ (১৩) এবং পশ্চিমবঙ্গ (৮)। 

এদিন সব থেকে ভোট পড়েছে জম্মু ও কাশ্মীরের আসনটিত। মাত্র ৯.৩৭ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন এখানে। 

অন্য দিকে মহারাষ্ট্রের এদিন ভোট পড়েছে ৪২.৫২ শতাংশ।  সবচেয়ে বেশি ভোট এসেছে আদিবাসী অধ্যুষিচ অঞ্চল থেকে। ভোটের পরিমাণ ৫১.৯৬ শতাংশ। এই সতেরো আসনের ভোটের মধ্যে দিয়েই মহারাষ্ট্রের মোট ৪৮ আসনের ভোট মিটল।  ২০১৪ সালে এইখানে ২৩ টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। এবার কি সেই আসন রক্ষা হবে? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে আসন কমতেও পারে বিজেপির।  শেষ মুহূর্তে নজিরবিহীন ভাবে মুকেশ অম্বানী যে কংগ্রেস প্রার্থী মিলিন্দ দেওরার হয়ে প্রচারে নামবেন, তা বোধহয় নরেন্দ্র মোদীরও ভাবনার অতীত ছিল। 

অন্য দিকে সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের দিকে যে পরিমাণ হাওয়া ঘুরেছে মধ্যপ্রদেশে ও রাজস্থানে তাতে সেখানেও প্রমাদ গুণছে বিজেপি। এমত অবস্থায় পূবে তাকাও নীতির দারস্থ বিজেপি। বাংলা, ওড়িশা তাঁদের পাখির চোখ।

পশ্চিমবঙ্গের ৮ টি আসন আজ অনেকটাই ভাগ্য ঠিক করবে বিজেপির। উত্তর ছেড়ে ভোট দক্ষিণবঙ্গে ঢুকছে। এখানেও আসানসোল, বীরভূম, কৃষ্ণনগরের মতো আসনগুলি পেতে মরিয়া বিজেপি সুপ্রিমো। মাটি কামড়ে লড়ছে মমতা বাহিনীও। কার কপালে ভাঁজ বাড়বে, কে হাসবেন চওড়া হাসি, জানতে বাকি মাত্র তিন দফা