রাত পোহালেই মহালয়া, এবার ১২ মাসে দেবীর রূপেই মাতবেন সকলে

First Published 27, Sep 2019, 10:08 PM IST

প্রথার শুরুটা হয়েছিল সেই দূরদর্শন থেকে। বীরেন্দ্র কিশোর ভদ্রের কণ্ঠে এক দিকে যখন শেষ হত চণ্ডিপাঠ তখনই ঠিক একই ছন্দে টেলিভিশনের পর্দায় শুরু হয়ে যেত মহালয়ার অনুষ্ঠান। তবে বেশ কয়েকবছর ধরে রেডিওতে মহালয়া বাজার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়ে যায় মহিষাসুরমর্দিনী অনুষ্ঠান। এবার জি বাংলার চমকে থাকছে দেবী দুর্গার ১২ মাসে বারো রূপ। ২৮ সেপ্টেম্বর ভোর পাঁচটায় শুরু হয়ে এই অনুষ্ঠান। দেবী দূর্গারূপে থাকছেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। 

বৈশাখ মাসে মায়ের গন্ধেশ্বরী রূপ। তাঁকে ঘিরেই দেবী দুর্গার আরাধনা শুরু হয় প্রতিবছর।

বৈশাখ মাসে মায়ের গন্ধেশ্বরী রূপ। তাঁকে ঘিরেই দেবী দুর্গার আরাধনা শুরু হয় প্রতিবছর।

জৈষ্ঠ্য মাসে ফলহারিণী কালী পুজোর কথা সকলেরই জানা, এই অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধ্যায় দেখা যাবে মায়ের সেই রূপ।

জৈষ্ঠ্য মাসে ফলহারিণী কালী পুজোর কথা সকলেরই জানা, এই অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধ্যায় দেখা যাবে মায়ের সেই রূপ।

আষাঢ় মাসে পুজিত হয় দেবী কামাক্ষ্যা। অম্বুবাচী-তে এই দেবীর পুজো করা হয়।

আষাঢ় মাসে পুজিত হয় দেবী কামাক্ষ্যা। অম্বুবাচী-তে এই দেবীর পুজো করা হয়।

শ্রাবণ মাসে দেবীর শাকম্ভরীরূপ। এই রূপে দেবী পুজিত হন সাধারণত গ্রামের দিকে।

শ্রাবণ মাসে দেবীর শাকম্ভরীরূপ। এই রূপে দেবী পুজিত হন সাধারণত গ্রামের দিকে।

ভাদ্র মাসে পার্বতীর সঙ্গে মিলন হয় মহাদেবের। তাই এই মাসে পার্বতীর রূপেই পুজিত হন দেবী দুর্গা।

ভাদ্র মাসে পার্বতীর সঙ্গে মিলন হয় মহাদেবের। তাই এই মাসে পার্বতীর রূপেই পুজিত হন দেবী দুর্গা।

আশ্বিন মাসে দেবীর মহিষাসুরমর্দিনীরূপ। এটিই হল মায়ের অকাল বোধন। শ্রী রামচন্দ্র মাকে পুজো করেছিলেন এই তিথিতে।

আশ্বিন মাসে দেবীর মহিষাসুরমর্দিনীরূপ। এটিই হল মায়ের অকাল বোধন। শ্রী রামচন্দ্র মাকে পুজো করেছিলেন এই তিথিতে।

চৈত্র বাসন্তীরূপে মা পুজিত হয়। মূলত এই রূপ সকলের কাছে অন্নপূর্ণা নামেই পরিচিত। অন্নভাণ্ডারে যাতে কখনও না ভাটা পড়ে তাই এই দেবীকে পুজো করে থাকেন সকলে।

চৈত্র বাসন্তীরূপে মা পুজিত হয়। মূলত এই রূপ সকলের কাছে অন্নপূর্ণা নামেই পরিচিত। অন্নভাণ্ডারে যাতে কখনও না ভাটা পড়ে তাই এই দেবীকে পুজো করে থাকেন সকলে।

কার্তিক মাসে মায়ের জগদ্ধাত্রী রূপে পুজো করা হয়। কৃষ্ণনগরে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র প্রথম পুজো করেছিলেন জগদ্ধাত্রীর।

কার্তিক মাসে মায়ের জগদ্ধাত্রী রূপে পুজো করা হয়। কৃষ্ণনগরে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র প্রথম পুজো করেছিলেন জগদ্ধাত্রীর।

কাত্যায়নী বেশে দুর্গা পুজিত হন অগ্রহায়ণ মাসে। এই দেবী মানুষের সন্তানবাসনা পূরণ করে থাকেন।

কাত্যায়নী বেশে দুর্গা পুজিত হন অগ্রহায়ণ মাসে। এই দেবী মানুষের সন্তানবাসনা পূরণ করে থাকেন।

পৌষমাসে পৌষকালী রূপে পুজিত হন দেবী দুর্গা। মূল দিয়ে পুজো দেওয়া হয় মাকে। এই সময় প্রতিটি কালী মন্দিরেই মায়ের দর্শনে ভক্তদের ঢল নামে।

পৌষমাসে পৌষকালী রূপে পুজিত হন দেবী দুর্গা। মূল দিয়ে পুজো দেওয়া হয় মাকে। এই সময় প্রতিটি কালী মন্দিরেই মায়ের দর্শনে ভক্তদের ঢল নামে।

মাঘ মাসে পুজো হয় রটন্তীকালী নামে। এই দেবী অশুভ শক্তির দমন করে সকলকে রক্ষা করেন। অধিকাংশ বাড়িতেই এই পুজো হয়ে থাকে।

মাঘ মাসে পুজো হয় রটন্তীকালী নামে। এই দেবী অশুভ শক্তির দমন করে সকলকে রক্ষা করেন। অধিকাংশ বাড়িতেই এই পুজো হয়ে থাকে।

ফাল্গুন মাসে মাকে পুজো করা হয়ে থাকে সঙ্কট নাশিনীরূপে। কোনও বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেতে এই দেবীকে পুজো করে থাকেন সকলে।

ফাল্গুন মাসে মাকে পুজো করা হয়ে থাকে সঙ্কট নাশিনীরূপে। কোনও বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেতে এই দেবীকে পুজো করে থাকেন সকলে।

loader