শুরু হচ্ছে লা লিগা,তার আগে জেনে নিন লিগের ইতিহাসে সেরা ১০ লেজেন্ড কারা

First Published 1, Jun 2020, 1:04 PM

করোনা আবহেই এবার ফিরতে চলেছে লা লিগা। ১১ তারিখ শুরু হচ্ছে লিগ। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে সেভিলা ও রিয়েল বেটিস। নতুন করে শুরুর আগে চিনে নিন ৯০ বছরের লা লিগার ইতিহাতে সেরা ১০ লেজেন্ডদের।
 

<p><strong>১০.ফ্রান্সিসকো জেন্টো</strong></p>

<p>লা লিগার ইতিহাসে সর্বকালের সেরা স্পেনীয় প্লেয়ারদের মধ্যে অন্যতম ফ্রান্সিসকো জেন্টো। জেন্টো তার সময়কালের বাম উইঙ্গারদের মধ্যে সবথেকে দ্রুততম ছিলেন। তাঁর ফুটবল বুদ্ধি ও স্কিলের মাধ্যমে সকলের মন জয় করেছিলেন। তার নিয়ন্ত্রণ এবং সৃজনশীল ক্ষমতা ছাড়াও, দূর থেকে স্ট্রাইক করার ক্ষমতা বিপক্ষকে সবসময় চাপে রাখত। তার কেরিয়ারে ১৯৫৩ থেকে ১৯৭১ মোট ১৮ বছর রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলেছেন। ১২ টি লা লিগা খেতাবের পাশাপাশি জিতেছেন ৬টি উইরোপীয় কাপ। </p>

১০.ফ্রান্সিসকো জেন্টো

লা লিগার ইতিহাসে সর্বকালের সেরা স্পেনীয় প্লেয়ারদের মধ্যে অন্যতম ফ্রান্সিসকো জেন্টো। জেন্টো তার সময়কালের বাম উইঙ্গারদের মধ্যে সবথেকে দ্রুততম ছিলেন। তাঁর ফুটবল বুদ্ধি ও স্কিলের মাধ্যমে সকলের মন জয় করেছিলেন। তার নিয়ন্ত্রণ এবং সৃজনশীল ক্ষমতা ছাড়াও, দূর থেকে স্ট্রাইক করার ক্ষমতা বিপক্ষকে সবসময় চাপে রাখত। তার কেরিয়ারে ১৯৫৩ থেকে ১৯৭১ মোট ১৮ বছর রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলেছেন। ১২ টি লা লিগা খেতাবের পাশাপাশি জিতেছেন ৬টি উইরোপীয় কাপ। 

<p><strong>৯. রাউল গঞ্জালেজ</strong></p>

<p>একজন বিরাট গোলদাতা এবং অত্যন্ত সৃজনশীল ফরোয়ার্ড, রাউলকে তার প্রজন্মের অন্যতম সেরা এবং সবচেয়ে ধারাবাহিক স্ট্রাইকার হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তিনি মাদ্রিদের সান ক্রিস্টাবল দে লস অ্যাঞ্জেলস পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন যেখানে তিনি অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের যুব দলে যাওয়ার আগে স্থানীয় যুব দলের হয়ে খেলেছিলেন। পরে তিনি রিয়েল মাদ্রিদের যুব একাডেমিতে চলে আসেন এবং এর বিভিন্ন স্তরে খেলেছেন। ১৯৯৪ সালে, তিনি রিয়াল মাদ্রিদ সি এর সাথে তার প্রথম পেশাদার চুক্তি স্বাক্ষর করেন এবং তারপরে দ্রুত বিভাগ বি-তে উন্নীত হন। তিনি কেরিয়ারের ১৬ বছর রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলেছেন এবং ৩২৩ গোল করে ক্লাবের দ্বিতীয় সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতা। তিনি ছয় লা লিগা শিরোপা, তিনটি ইউইএফএ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিতেছিলেন, চারটি সুপারকোপা ডি এস্পাসা শিরোপা, একটি সুপার কাপ এবং দুটি আন্তঃমহাদেশীয় কাপ জিতেছিলেন। ২০০৩ সালে তিনি দলের অধিনায়ক নিযুক্ত হন এবং ২০১০ সালে ক্লাব থেকে বিদায় নেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এই পদটি বজায় রেখেছিলেন।<br />
 </p>

৯. রাউল গঞ্জালেজ

একজন বিরাট গোলদাতা এবং অত্যন্ত সৃজনশীল ফরোয়ার্ড, রাউলকে তার প্রজন্মের অন্যতম সেরা এবং সবচেয়ে ধারাবাহিক স্ট্রাইকার হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তিনি মাদ্রিদের সান ক্রিস্টাবল দে লস অ্যাঞ্জেলস পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন যেখানে তিনি অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের যুব দলে যাওয়ার আগে স্থানীয় যুব দলের হয়ে খেলেছিলেন। পরে তিনি রিয়েল মাদ্রিদের যুব একাডেমিতে চলে আসেন এবং এর বিভিন্ন স্তরে খেলেছেন। ১৯৯৪ সালে, তিনি রিয়াল মাদ্রিদ সি এর সাথে তার প্রথম পেশাদার চুক্তি স্বাক্ষর করেন এবং তারপরে দ্রুত বিভাগ বি-তে উন্নীত হন। তিনি কেরিয়ারের ১৬ বছর রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলেছেন এবং ৩২৩ গোল করে ক্লাবের দ্বিতীয় সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতা। তিনি ছয় লা লিগা শিরোপা, তিনটি ইউইএফএ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিতেছিলেন, চারটি সুপারকোপা ডি এস্পাসা শিরোপা, একটি সুপার কাপ এবং দুটি আন্তঃমহাদেশীয় কাপ জিতেছিলেন। ২০০৩ সালে তিনি দলের অধিনায়ক নিযুক্ত হন এবং ২০১০ সালে ক্লাব থেকে বিদায় নেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এই পদটি বজায় রেখেছিলেন।
 

<p><strong>৮. সিসাার রড্রিগেজ</strong></p>

<p>সিসার রড্রিগেজ লা লিগা ও বার্সোলনার ইতিহাসে অন্যতম কিংবদন্তী প্লেয়ার। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ফুটবল খেলেছেন। বার্সার হয়ে মোট ৩৫১ টি ম্যাচ খেলেছেন আর গোল করেছেন মোট ২৩২টি। দীর্ঘদিন তিনি ক্লাবের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন। বার্সেলোনার হয়ে তিনি মোট ৫টিু লা লিগা ট্রফি সহ মোট ১৩টি বড় ট্রফি জিতেছিলেন।</p>

৮. সিসাার রড্রিগেজ

সিসার রড্রিগেজ লা লিগা ও বার্সোলনার ইতিহাসে অন্যতম কিংবদন্তী প্লেয়ার। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ফুটবল খেলেছেন। বার্সার হয়ে মোট ৩৫১ টি ম্যাচ খেলেছেন আর গোল করেছেন মোট ২৩২টি। দীর্ঘদিন তিনি ক্লাবের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন। বার্সেলোনার হয়ে তিনি মোট ৫টিু লা লিগা ট্রফি সহ মোট ১৩টি বড় ট্রফি জিতেছিলেন।

<p><strong>৭. অ্যানডনি জুবিজারিটা</strong></p>

<p>অ্যানডনি জুবিজারিটা তার কেরিয়ারে বার্সেলোনা,ভ্যালেন্সিয়া ও অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের হয়ে খেলেছেন। তিনি অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের সাথে দু'বার লা লিগা এবং বার্সেলোনার সাথে আরও অনেক ট্রফির মধ্যে চারবার লা লিগা জিতেছিলেন। জুবিজারিটা সাতটি আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট, চারটি বিশ্বকাপ এবং তিনটি ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে স্পেনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। কোনও সন্দেহ নেই, তিনি এখন পর্যন্ত সেরা লা লিগার খেলোয়াড়দের মধ্যে জায়গা পাওয়ার যোগ্য।</p>

৭. অ্যানডনি জুবিজারিটা

অ্যানডনি জুবিজারিটা তার কেরিয়ারে বার্সেলোনা,ভ্যালেন্সিয়া ও অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের হয়ে খেলেছেন। তিনি অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের সাথে দু'বার লা লিগা এবং বার্সেলোনার সাথে আরও অনেক ট্রফির মধ্যে চারবার লা লিগা জিতেছিলেন। জুবিজারিটা সাতটি আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট, চারটি বিশ্বকাপ এবং তিনটি ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে স্পেনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। কোনও সন্দেহ নেই, তিনি এখন পর্যন্ত সেরা লা লিগার খেলোয়াড়দের মধ্যে জায়গা পাওয়ার যোগ্য।

<p><br />
<strong>৬.আন্দ্রেজ ইনিয়েস্তা</strong></p>

<p>লা লিগা তথা স্পেনের ফুটবল ইতিহাসে ইনিয়েস্তা অন্যতন সেরা সৃজনশীল ফুটবলার। ইনিয়েস্তা বার্সেলোনা যুব একাডেমি লা মাসিয়া হয়ে এসেছিলেন। তিনি ২০০২ সালে ১৮ বছর বয়সে প্রথম দলের হয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। ২০০৪-০৫ মরসুমে তিনি নিয়মিত খেলতে শুরু করেছিলেন। তার কেরিয়াা বার্সার হয়ে মোট ৩২ টি ট্রফি জিতেছেন। যা তাকে ট্রফি জেতার নিরীখে সর্বকালের সজ্জিত স্প্যানিশ ফুটবলারের তকমা দিয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে তিনি ছয়বার উয়েফার দলে নির্বাচিত হয়ে আটবার ফিফার বিশ্ব একাদশে নির্বাচিত হয়েছেন। ইনিয়েস্তা ২০১২ সালে ইউরোপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরষ্কার জিতেছিলেন এবং ২০১২ এবং ২০১৩ সালে আইএফএফএইচএস ওয়ার্ল্ডের সেরা প্লেমেকার হিসাবে মনোনীত হন। তিনি ২০১০ ফিফা ব্যালন ডি’অর জন্য লিওনেল মেসির রানার-আপ ছিলেন এবং ২০১২ সালে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিলেন। দেশের হয়ে বিশ্বকাপও জিতেছেন ইনিয়েস্তা।<br />
 </p>


৬.আন্দ্রেজ ইনিয়েস্তা

লা লিগা তথা স্পেনের ফুটবল ইতিহাসে ইনিয়েস্তা অন্যতন সেরা সৃজনশীল ফুটবলার। ইনিয়েস্তা বার্সেলোনা যুব একাডেমি লা মাসিয়া হয়ে এসেছিলেন। তিনি ২০০২ সালে ১৮ বছর বয়সে প্রথম দলের হয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। ২০০৪-০৫ মরসুমে তিনি নিয়মিত খেলতে শুরু করেছিলেন। তার কেরিয়াা বার্সার হয়ে মোট ৩২ টি ট্রফি জিতেছেন। যা তাকে ট্রফি জেতার নিরীখে সর্বকালের সজ্জিত স্প্যানিশ ফুটবলারের তকমা দিয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে তিনি ছয়বার উয়েফার দলে নির্বাচিত হয়ে আটবার ফিফার বিশ্ব একাদশে নির্বাচিত হয়েছেন। ইনিয়েস্তা ২০১২ সালে ইউরোপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরষ্কার জিতেছিলেন এবং ২০১২ এবং ২০১৩ সালে আইএফএফএইচএস ওয়ার্ল্ডের সেরা প্লেমেকার হিসাবে মনোনীত হন। তিনি ২০১০ ফিফা ব্যালন ডি’অর জন্য লিওনেল মেসির রানার-আপ ছিলেন এবং ২০১২ সালে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিলেন। দেশের হয়ে বিশ্বকাপও জিতেছেন ইনিয়েস্তা।
 

<p><strong>৫. ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো</strong></p>

<p>নিজের কেরিয়ারে টানা ৯ বছর স্পেনে কাটিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ২০০৯ সালে রেকর্ড ট্রান্সফার ফি নিয়ে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড থেকে রিয়াল মাদ্রিদে আসেন সিআরসেভেন। কেরিয়ারে মোট ৫টি ব্যালন ডি'অরের মধ্যে ৪টি জিতেছেন রিয়াল মাদ্রিদে থাকাকালীন। মাত্র ৯ বছর খেললেও রোনাল্ডোকে লা লিগার ইতিহাসে অন্যতম সেরা প্লেয়ার ধরা হয়। কেরিয়ারের সেরা সময়টা তিনি স্পেনেই কাটিয়েছেন।  স্পেনে, তিনি দুটি লা লিগার শিরোপা, দুটি কোপা ডেল রে, চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা এবং দুটি ক্লাব বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। তিনি রিয়াল মাদ্রিদের শীর্ষতম স্কোরার। ২০১৮ সালে রোনাল্ডো মাদ্রিদ ছেড়ে জুভেন্তাসে পারি দেন।<br />
 </p>

৫. ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

নিজের কেরিয়ারে টানা ৯ বছর স্পেনে কাটিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ২০০৯ সালে রেকর্ড ট্রান্সফার ফি নিয়ে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড থেকে রিয়াল মাদ্রিদে আসেন সিআরসেভেন। কেরিয়ারে মোট ৫টি ব্যালন ডি'অরের মধ্যে ৪টি জিতেছেন রিয়াল মাদ্রিদে থাকাকালীন। মাত্র ৯ বছর খেললেও রোনাল্ডোকে লা লিগার ইতিহাসে অন্যতম সেরা প্লেয়ার ধরা হয়। কেরিয়ারের সেরা সময়টা তিনি স্পেনেই কাটিয়েছেন।  স্পেনে, তিনি দুটি লা লিগার শিরোপা, দুটি কোপা ডেল রে, চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা এবং দুটি ক্লাব বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। তিনি রিয়াল মাদ্রিদের শীর্ষতম স্কোরার। ২০১৮ সালে রোনাল্ডো মাদ্রিদ ছেড়ে জুভেন্তাসে পারি দেন।
 

<p><strong>৪.জাভি হার্নান্ডেজ</strong></p>

<p>জাভি হার্নান্ডেজও লা লিগার ইতিহাসে অন্যতম সেরা সৃজনশীল প্লেয়ার। মাত্র ১১ বছর বয়সে লা মাসিয়ার মধ্য দিয়ে বার্সেলোনায় এসেছিলেন। ১৯৯৯ সালে প্রথম বার্সার হয়ে অভিষেক হয় জাভির। তারপর থেকে দলের হয়ে মোট ৭০০টিরও বেশি ম্যাচ খেলেছেন জাভি। ৮২ টি গোল করেছেন এবং ১৮০ টিরও বেশি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন। জাভি হ'ল বার্সেলোনার ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় যিনি ১৫০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন। তাকে অনেকে এখন পর্যন্ত সর্বশ্রেষ্ঠ স্প্যানিশ খেলোয়াড় হিসাবে বিবেচনা করেছেন। ২০০৯ ফিফার বিশ্ব বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের তৃতীয় স্থান পেয়েছিলেন, এর পরের পুরষ্কার ফিফা ব্যালন ডি'অর-এর তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন ২০১০ এবং ২০১১ সালে। তিনি চার বছরের জন্য আইএফএফএইচএস ওয়ার্ল্ডের সেরা প্লেমেকার পুরষ্কার পেয়েছেন। </p>

৪.জাভি হার্নান্ডেজ

জাভি হার্নান্ডেজও লা লিগার ইতিহাসে অন্যতম সেরা সৃজনশীল প্লেয়ার। মাত্র ১১ বছর বয়সে লা মাসিয়ার মধ্য দিয়ে বার্সেলোনায় এসেছিলেন। ১৯৯৯ সালে প্রথম বার্সার হয়ে অভিষেক হয় জাভির। তারপর থেকে দলের হয়ে মোট ৭০০টিরও বেশি ম্যাচ খেলেছেন জাভি। ৮২ টি গোল করেছেন এবং ১৮০ টিরও বেশি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন। জাভি হ'ল বার্সেলোনার ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় যিনি ১৫০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন। তাকে অনেকে এখন পর্যন্ত সর্বশ্রেষ্ঠ স্প্যানিশ খেলোয়াড় হিসাবে বিবেচনা করেছেন। ২০০৯ ফিফার বিশ্ব বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের তৃতীয় স্থান পেয়েছিলেন, এর পরের পুরষ্কার ফিফা ব্যালন ডি'অর-এর তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন ২০১০ এবং ২০১১ সালে। তিনি চার বছরের জন্য আইএফএফএইচএস ওয়ার্ল্ডের সেরা প্লেমেকার পুরষ্কার পেয়েছেন। 

<p><strong>৩.টেলমো জারা</strong></p>

<p>জারার ১৯৪০ সালে ইরানডিয়োর হয়ে একটি মরসুম খেলার পরে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ে সই করেছিলেন। ছয়বার লা লিগায় সর্বোচ্চ স্কোরারের জন্য পিচিচি ট্রফি জেতেন।  লা লিগা ও অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ে ইতিহাসে অন্যতম সেরা গোলদাতা টেলমো জারা। তার কেরিয়ারে  মোট২৫১টি লিগ গোল করেছিলেন, এটি একটি স্পেনীয় রেকর্ড যা প্রায় ছয় দশক ধরে অটুট ছিল। কোপা দেল রেতে তাঁর ৮১ গোল আজও রেকর্ড হিসাবে রয়ে গেছে। ক্লাবটির সাথে তাঁর ১৫ বছরে একটি লা লিগা এবং পাঁচটি কোপা দেল রে জিতেছিলেন।<br />
 </p>

৩.টেলমো জারা

জারার ১৯৪০ সালে ইরানডিয়োর হয়ে একটি মরসুম খেলার পরে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ে সই করেছিলেন। ছয়বার লা লিগায় সর্বোচ্চ স্কোরারের জন্য পিচিচি ট্রফি জেতেন।  লা লিগা ও অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ে ইতিহাসে অন্যতম সেরা গোলদাতা টেলমো জারা। তার কেরিয়ারে  মোট২৫১টি লিগ গোল করেছিলেন, এটি একটি স্পেনীয় রেকর্ড যা প্রায় ছয় দশক ধরে অটুট ছিল। কোপা দেল রেতে তাঁর ৮১ গোল আজও রেকর্ড হিসাবে রয়ে গেছে। ক্লাবটির সাথে তাঁর ১৫ বছরে একটি লা লিগা এবং পাঁচটি কোপা দেল রে জিতেছিলেন।
 

<p><strong>২. আলফ্রেডো ডি স্টেফানো</strong></p>

<p>আলফ্রেডো ডি স্টেফানো নিঃসন্দেহে সেই খেলোয়াড় যিনি রিয়েল মাদ্রিদের ইতিহাসকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাব দল হিসাবে নতুন সংজ্ঞা দিয়েছেন। রিয়াল মাদ্রিদ তথা স্পেনের ফুটবল ইতিহাসে তাকে সর্বকালের সেরা, সবচেয়ে সম্পূর্ণ এবং প্রভাবশালী ফুটবলার বলা হয়ে থাকে। ১৯৫০ এর দশকে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্স কাপের তাদের আধিপত্যের ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন, এই সময়কালে ক্লাবটি  টানা পাঁচ মরসুমে ট্রফি জিতেছিল।  ফ্রান্সিসকো জেন্টো এবং জোসে মারিয়া জেরাগার পাশাপাশি তিনি একমাত্র প্লেয়ার যে পাঁচটি ফাইনালেই অংশ নিয়েছিলেন। প্রতিটি পাইনালেই গোল করেছিলেন স্টেফানো। ডি স্টেফানো মাদ্রিদে পাড়ি জমানোর পরে বেশিরভাগ স্পেনের হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলতেন, তবে তিনি আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়ার হয়েও খেলতেন।</p>

২. আলফ্রেডো ডি স্টেফানো

আলফ্রেডো ডি স্টেফানো নিঃসন্দেহে সেই খেলোয়াড় যিনি রিয়েল মাদ্রিদের ইতিহাসকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাব দল হিসাবে নতুন সংজ্ঞা দিয়েছেন। রিয়াল মাদ্রিদ তথা স্পেনের ফুটবল ইতিহাসে তাকে সর্বকালের সেরা, সবচেয়ে সম্পূর্ণ এবং প্রভাবশালী ফুটবলার বলা হয়ে থাকে। ১৯৫০ এর দশকে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্স কাপের তাদের আধিপত্যের ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন, এই সময়কালে ক্লাবটি  টানা পাঁচ মরসুমে ট্রফি জিতেছিল।  ফ্রান্সিসকো জেন্টো এবং জোসে মারিয়া জেরাগার পাশাপাশি তিনি একমাত্র প্লেয়ার যে পাঁচটি ফাইনালেই অংশ নিয়েছিলেন। প্রতিটি পাইনালেই গোল করেছিলেন স্টেফানো। ডি স্টেফানো মাদ্রিদে পাড়ি জমানোর পরে বেশিরভাগ স্পেনের হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলতেন, তবে তিনি আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়ার হয়েও খেলতেন।

<p><strong>১. লিওনেল মেসি</strong></p>

<p>বিশ্বের সেরা খেলোয়ার হিসেবে বিবেচিত। মেসি ৬টি ফিফা ব্যালন ডি’অর পুরষ্কার জিতেছেন, এর মধ্যে চারটি তিনি পরপর জয়ী হয়েছেন। বার্সেলোনার সাথে মেসি দশটি লা লিগা শিরোপা এবং চারটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা সহ ৩৪ টি শিরোপা জিতেছেন। ট্রফি জেতার নিরীখেে ইনিয়েস্তাকেও পেছনে ফেলেছেন মেসি। মধ্য আর্জেন্টিনায় জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠা। মেসির শৈশবকালে গ্রোথ হরমোনের ঘাটতি ধরা পড়ে। ১৩ বছর বয়সে, তিনি বার্সেলোনায় যোগদানের জন্য স্পেনে স্থানান্তরিত হয়েছিলেন। বার্সেলোনার যুব একাডেমির মাধ্যমে দ্রুত অগ্রগতির পরে, মেসি ২০০৪ সালের অক্টোবরে ১৭ ছর বয়সে তাঁর প্রতিযোগিতামূলক আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। এখনও পর্যন্ত বার্সেলোনার হয়ে ৪৩৮ টি গোল করেছেন মেসি।</p>

১. লিওনেল মেসি

বিশ্বের সেরা খেলোয়ার হিসেবে বিবেচিত। মেসি ৬টি ফিফা ব্যালন ডি’অর পুরষ্কার জিতেছেন, এর মধ্যে চারটি তিনি পরপর জয়ী হয়েছেন। বার্সেলোনার সাথে মেসি দশটি লা লিগা শিরোপা এবং চারটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা সহ ৩৪ টি শিরোপা জিতেছেন। ট্রফি জেতার নিরীখেে ইনিয়েস্তাকেও পেছনে ফেলেছেন মেসি। মধ্য আর্জেন্টিনায় জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠা। মেসির শৈশবকালে গ্রোথ হরমোনের ঘাটতি ধরা পড়ে। ১৩ বছর বয়সে, তিনি বার্সেলোনায় যোগদানের জন্য স্পেনে স্থানান্তরিত হয়েছিলেন। বার্সেলোনার যুব একাডেমির মাধ্যমে দ্রুত অগ্রগতির পরে, মেসি ২০০৪ সালের অক্টোবরে ১৭ ছর বয়সে তাঁর প্রতিযোগিতামূলক আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। এখনও পর্যন্ত বার্সেলোনার হয়ে ৪৩৮ টি গোল করেছেন মেসি।

loader