দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, শরীরে এই সমস্যাগুলি থাকলে আগে থেকেই সাবধান হোন

First Published 24, Mar 2020, 4:59 PM IST

করোনাভাইরাস সারা বিশ্বে মহামারীর আকার ধারণ করেছে। চিকিৎসকরা বলছেন মৌসুমী ফ্লুর থেকে করোনাভাইরাস ১০ গুণ বেশি প্রাণঘাতী। আর আগে থেকেই যাদের কিছু শারীরিক সমস্যা রয়েছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে সেইসব মানুষের ঝুঁকির পরিমাণ আরও বেশি। বর্তমানে বিশ্বের ৩ লক্ষ মানুষ করোনা আক্রান্ত। প্রাণ গিয়েছে ১৬ হাজারেও বেশি। পরিস্থিতি যা তাতে আগামী দিনে বিশ্বের ১৪ লক্ষ মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে খারাপ পরিণতির শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের বিশেষজ্ঞরা। বয়স্কদের পাশাপাশি শারীরিকভাব সমস্যাগ্রস্ত লোকজনও রয়েছেন এই তালিকায়। তাই ডায়াবেটিস,হাঁপানি, হৃদরোগের মত সমস্যা থাকলে করোনা নিয়ে বাড়তি সচেতন থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক কোন কোন শারীরিক সমস্যায় করোন সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি।

ডায়াবেটিস - যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, অন্যদের তুলনায় তাদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। যুক্তরাজ্যের ডায়াবেটিস চিকিৎসক ডন হওয়ার্থ বলেন, করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ ডায়াবেটিসে ভুগতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য বিপজ্জনক।

ডায়াবেটিস - যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, অন্যদের তুলনায় তাদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। যুক্তরাজ্যের ডায়াবেটিস চিকিৎসক ডন হওয়ার্থ বলেন, করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ ডায়াবেটিসে ভুগতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য বিপজ্জনক।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি কারো ডায়াবেটিস থাকে এবং কাশি হয়, শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, শ্বাসকষ্ট হয়, তাহলে ব্লাড সুগার নিয়মিত  পরীক্ষা করে দেখা দরকার।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি কারো ডায়াবেটিস থাকে এবং কাশি হয়, শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, শ্বাসকষ্ট হয়, তাহলে ব্লাড সুগার নিয়মিত পরীক্ষা করে দেখা দরকার।

হৃদরোগের সমস্যা- করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের তালিকায় দুই নম্বরে রয়েছে হার্টের রোগীরা। কারণ, হার্টের সমস্যায় ভুগতে থাকা রোগীদের ইমিউন সিস্টেম এমনিতেই দুর্বল হয়ে থাকে। ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাদের শরীর শক্তিশালীভাবে তা প্রতিরোধ করতে পারে না।

হৃদরোগের সমস্যা- করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের তালিকায় দুই নম্বরে রয়েছে হার্টের রোগীরা। কারণ, হার্টের সমস্যায় ভুগতে থাকা রোগীদের ইমিউন সিস্টেম এমনিতেই দুর্বল হয়ে থাকে। ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাদের শরীর শক্তিশালীভাবে তা প্রতিরোধ করতে পারে না।

হাঁপানি- ফুসফুসের বাইরে ও ভেতরে বাতাস যাতায়াতে সাহায্য করে শ্বাসনালী। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেহেতু হাঁপানি বা অ্যাজমা রোগীরা এমনিতেই এই সমস্যার মধ্য দিয়ে যান, তাই করোনাভাইরাস তাদের জটিলতা আরোও বাড়িয়ে দেয়।

হাঁপানি- ফুসফুসের বাইরে ও ভেতরে বাতাস যাতায়াতে সাহায্য করে শ্বাসনালী। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেহেতু হাঁপানি বা অ্যাজমা রোগীরা এমনিতেই এই সমস্যার মধ্য দিয়ে যান, তাই করোনাভাইরাস তাদের জটিলতা আরোও বাড়িয়ে দেয়।

তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে অ্যাজমা রোগীদের ইনহেলার ব্যবহার করা উচিত। সচেতন না হলে প্রাণহানি পর্যন্ত ঘটতে পারে।

তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে অ্যাজমা রোগীদের ইনহেলার ব্যবহার করা উচিত। সচেতন না হলে প্রাণহানি পর্যন্ত ঘটতে পারে।

ফুসফুসে সমস্যা- ফুসফুসে সমস্যা থাকলে কিংবা যক্ষ্মা হলে করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করা আরও অনেক বেশি কঠিন হয়ে যায়।

ফুসফুসে সমস্যা- ফুসফুসে সমস্যা থাকলে কিংবা যক্ষ্মা হলে করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করা আরও অনেক বেশি কঠিন হয়ে যায়।

ক্যানসার- ক্যানসার রোগীরা করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। তারা আক্রান্ত হলে সেরে ওঠা অনেক বেশি কঠিন। তাদের দুর্বল ইমিউন সিস্টেমকে সহজে কাবু করতে পারে করোনাভাইরাস।

ক্যানসার- ক্যানসার রোগীরা করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। তারা আক্রান্ত হলে সেরে ওঠা অনেক বেশি কঠিন। তাদের দুর্বল ইমিউন সিস্টেমকে সহজে কাবু করতে পারে করোনাভাইরাস।

পাকস্থলীর সমস্যা- যাদের হজমে সমস্যা আছে এবং পাকস্থলী নিয়ে চরম বিপাকে রয়েছেন, করোনাভাইরাস তাদের কাছে যমদূতের মতো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা এই ধরনের সমস্যায় ভুগছেন, এই সময় তাদের বাড়তি সচেতন থাকা দরকার। করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার মতো ইমিউন সিস্টেম এই ধরনের সমস্যায় ভুগতে থাকা ব্যক্তিদের নেই।

পাকস্থলীর সমস্যা- যাদের হজমে সমস্যা আছে এবং পাকস্থলী নিয়ে চরম বিপাকে রয়েছেন, করোনাভাইরাস তাদের কাছে যমদূতের মতো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা এই ধরনের সমস্যায় ভুগছেন, এই সময় তাদের বাড়তি সচেতন থাকা দরকার। করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার মতো ইমিউন সিস্টেম এই ধরনের সমস্যায় ভুগতে থাকা ব্যক্তিদের নেই।

দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতা- বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলার মতো কোনো ভ্যাকসিন এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি। একে প্রতিরোধ করার একমাত্র উপায় ইমিউন সিস্টেম। এজন্য প্যারাসিটামল না খাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তারা। তবে যাদের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল, তারা ঝুঁকিতে রয়েছেন।

দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতা- বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলার মতো কোনো ভ্যাকসিন এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি। একে প্রতিরোধ করার একমাত্র উপায় ইমিউন সিস্টেম। এজন্য প্যারাসিটামল না খাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তারা। তবে যাদের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল, তারা ঝুঁকিতে রয়েছেন।

ধূমপান- বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্যদের তুলনায় ধূমপায়ীদের করোনাভাইরাসে আক্রান্তের ঝুঁকি ১৪ গুণ বেশি। সে কারণে এই কঠিন সময়ে ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

ধূমপান- বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্যদের তুলনায় ধূমপায়ীদের করোনাভাইরাসে আক্রান্তের ঝুঁকি ১৪ গুণ বেশি। সে কারণে এই কঠিন সময়ে ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

loader