এই মরশুমে ডায়াবেটিসকে রাখুন বশে, জেনে নিন এই ঘরোয়া টোটকা

First Published 19, Nov 2020, 3:03 PM

সারা বিশ্বে ডায়াবেটিস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ক্যাম্পেইন করা হয়।  এই কারণেই প্রতি বছর ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। ডায়াবেটিস রোগ ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায়,বিশ্ব ডায়াবেটিস ফেডারেশন IDF ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৯১ সাল-এ ১৪ নভেম্বরকে ডায়াবেটিস দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। সমীক্ষা অনুযায়ী পৃথিবীতে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ব্যক্তি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।

<p>ডায়াবেটিসের সমস্যা এখন খুবই সাধারণ একটি বিষয়। এই সমস্যা যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের অসুস্থতা বাড়িয়ে তোলে। বিশ্ব জুড়ে ক্যান্সারের মতোই ডায়াবেটিস একটি মারণ রোগে পরিনত হয়েছে।&nbsp;</p>

ডায়াবেটিসের সমস্যা এখন খুবই সাধারণ একটি বিষয়। এই সমস্যা যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের অসুস্থতা বাড়িয়ে তোলে। বিশ্ব জুড়ে ক্যান্সারের মতোই ডায়াবেটিস একটি মারণ রোগে পরিনত হয়েছে। 

<p>সমীক্ষা অনুযায়ী, ১৯৮০ সালে সারা বিশ্বে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১০ কোটি ৮০ লক্ষ। তবে বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে &nbsp;৪২.৫ কোটি। আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ১১ লক্ষ ৬ হাজার ৫০০। বছরে প্রায় ৪ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয় ডায়বেটিসের কারণ।&nbsp;</p>

সমীক্ষা অনুযায়ী, ১৯৮০ সালে সারা বিশ্বে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১০ কোটি ৮০ লক্ষ। তবে বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে  ৪২.৫ কোটি। আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ১১ লক্ষ ৬ হাজার ৫০০। বছরে প্রায় ৪ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয় ডায়বেটিসের কারণ। 

<p>প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে ডায়বেটিসে আক্রান্তের হার। এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ফলে মানব দেহে ইনসুলিন উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়। এই কারনেই রক্তে সুগারের মাত্রা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পায়।&nbsp;</p>

প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে ডায়বেটিসে আক্রান্তের হার। এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ফলে মানব দেহে ইনসুলিন উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়। এই কারনেই রক্তে সুগারের মাত্রা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পায়। 

<p>এই রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসকেরা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ করে দেন। সেই সঙ্গে চলতে থাকে ইনসুলিন ইনজেক্সন। তবে বেশ কিছু খাবার রয়েছে যা প্রতিদিনের ডায়েটে রাখলে নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারবেন ডায়াবেটিসকে। এই খাবারগুলি রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে, জেনে নেওয়া যাক সেই খাবারগুলি কি কি-</p>

এই রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসকেরা মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ করে দেন। সেই সঙ্গে চলতে থাকে ইনসুলিন ইনজেক্সন। তবে বেশ কিছু খাবার রয়েছে যা প্রতিদিনের ডায়েটে রাখলে নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারবেন ডায়াবেটিসকে। এই খাবারগুলি রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে, জেনে নেওয়া যাক সেই খাবারগুলি কি কি-

<p>গম- ডায়াবেটিসে যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের জন্য গম খুবই উপকারী। ভাতের পরিমান কমিয়ে আটার রুটি খেতে পারলে ডায়াবেটিসের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে।</p>

গম- ডায়াবেটিসে যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের জন্য গম খুবই উপকারী। ভাতের পরিমান কমিয়ে আটার রুটি খেতে পারলে ডায়াবেটিসের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

<p><strong>শাক-সবজি-</strong> রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে সবুজ শাক বিশেষ করে সর্ষে, পালং, মুলো শাক বিশেষ সাহায্য করে। &nbsp;সেই সঙ্গে সবুজ সবজিও এই ক্ষেত্রে বিশেষ উৎকৃষ্ট উপাদান। এই কারনেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সবুজ শাক-সবজি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।</p>

শাক-সবজি- রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে সবুজ শাক বিশেষ করে সর্ষে, পালং, মুলো শাক বিশেষ সাহায্য করে।  সেই সঙ্গে সবুজ সবজিও এই ক্ষেত্রে বিশেষ উৎকৃষ্ট উপাদান। এই কারনেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সবুজ শাক-সবজি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

<p><strong>কুমরোর বীজ- </strong>ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের মধ্যে মিস্টি খাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এ ক্ষেত্রে কুমরোর বীজ রোদে শুকিয়ে সঙ্গে রেখে দিন। মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছে হলেই দু-একটা কুমরোর বীজ মুখে রাখলে মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতাও কমবে এবং রক্তে সুগারের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।</p>

কুমরোর বীজ- ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের মধ্যে মিস্টি খাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এ ক্ষেত্রে কুমরোর বীজ রোদে শুকিয়ে সঙ্গে রেখে দিন। মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছে হলেই দু-একটা কুমরোর বীজ মুখে রাখলে মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতাও কমবে এবং রক্তে সুগারের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

<p><strong>করলা- </strong>গবেষণায় দেখা গিয়েছে কাঁচা করলার রস নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা করলাতে থাকা উপাদান অ্যান্টি ডায়াবেটিক এবং ইনসুলিন ইনজেক্সনের থেকেও বেশি কাজ দেয়। তাই &nbsp;ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পাতে করলার রস রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।<br />
&nbsp;</p>

করলা- গবেষণায় দেখা গিয়েছে কাঁচা করলার রস নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা করলাতে থাকা উপাদান অ্যান্টি ডায়াবেটিক এবং ইনসুলিন ইনজেক্সনের থেকেও বেশি কাজ দেয়। তাই  ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পাতে করলার রস রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।