18


রিয়াসি জেলার বাক্কাল ও কৌরির মধ্যে এই সেতুটি তৈরি হয়েছে। সেতুর মোট দৈর্ঘ্য ৪৭৩.২৫ মিটার। চেনাব নদীর ওপরের ৩৫৯ মিটার অংশ ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। এটি তৈরি হয়েছে ভূপৃষ্ট থেকে প্রায় ১১৭৮ মিটার উঁচুতে। প্যারিয়ের আইফেল টাওয়ারের তুলনায় এটি প্রায় ৩৫ মিটার লম্বা। 
 

Subscribe to get breaking news alerts

28


এই সেতুটি সব আবহাওয়াতেই টিকে থাকার ক্ষমতা রাখে। এটি হিমাঙ্কের ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচের তামপাত্রা সহ্য করতে পারে। ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রাতেও গলবে না এই ব্রিজ। ২০০ কিলোমিটার হাওয়ার গতিবেগও এই সেতুর কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের আট মাত্রা এটি সহ্য করতে পারবে। যার অর্থ প্রবল কম্পনেও এটি অক্ষত থাকবে। 
 

38


সেতুটি উধমপুর-শ্রীনগর - বারামুল্লা রেল সংযগ প্রকল্পের একটি অংশ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এটি  কাশ্মীরকে সঙ্গে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে যুক্ত করবে। 

48


ভারতীয় রেলের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী চেনাব ব্রিজ তৈরির জন্য ২৮৬৬০ মিলিয়ন টন ইস্পাত ব্যবহার করা হয়েছে। ৬৬,০০০ ঘনমিটার কংক্রিট, ১০ লক্ষ ঘনমিটার মাটির ব্যবহার করা হয়েছে। ২৬ কিলোমিটার মোটার যান চলাচলের রাস্তাও তৈরি করা হয়েছে। খিলানের ওজন ১০.৬১৯ মিলিয়ন টন। এতে ইস্পাতের বাক্স রয়েছে। স্থিতিশীলতা আরও উন্নত করতে প্রতিটি বাক্স কংক্রিট দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। 
 

58


ওভারহেড কেবল ক্রেন দিয়ে খিলানের  সঙ্গে বাকি ব্রিজ দাঁড়া করান হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী টেকলা সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে কাঠামোগুলি তৈরি করা হয়েছে।  চেনাব ব্রিজের কিছু ছবি ইন্ডিয়ান রেলওয়ে তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করেছে। ব্রিজের নির্মাণ কাজের ছবিও সেখানে রয়েছে। 
 

68


গত বছর রেলওয়ের চেনাব সেতুর ইস্পাত খিলান তৈরি করেছিল। এটি এটি জাতীয় পরিবহনের সবচেয়ে বড় সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং চ্যালেঞ্জ। ৫.৬ মিটার ধাতুর চূড়ান্ত টুকরো সর্বোচ্চ স্থানে লাগানো নদীর তীর থেকে একে অপরের দিকে প্রসারিত করে দুটি খিলান বাহুকে সংযুক্ত করে। 
 

78


জম্মু ও কাশ্মীরের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগ বাড়তে চেনাব ব্রিজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করবে। ২০২৩ সালের মধ্যেই এই ব্রিজ খুলে দেওয়া হবে। এটি পর্যটকদের আকর্ষণ করবে বলেও অনুমান করছে রেল প্রশাসন। 
 

88


জম্মু কাশ্মীরের সামাজিক ও দেশের আর্থিক উন্নয়নের কথা বিবেচনা করে চেনাব সেতুকে জাতীয় প্রকল্পের তকমা দেওয়া হয়েছে। আইআইটি-দিল্লি, আইআইটি-রুরকি, জিওগ্রাফিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া এবং ডিআরডিও প্রকল্প পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নে দক্ষতা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে রয়েছে।