চিনকে জবাব দিতে সেপ্টেম্বর থেকেই চালু 'অটল ট্যানেল', মানালি-লে সুড়ঙ্গপথে চোখ রাখুন আপনিও

First Published 26, Aug 2020, 12:32 PM

দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর নামেই তৈরি হচ্ছে অটল ট্যানেল। আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই খুলে দেওয়া হবে এই ট্যালেনটি। এই ট্যানেল সংযোগের ফলে হিমাচল প্রদেশের মালালি থেকে লাদাখের লেহ-র দূরত্ব প্রায় ৪৬ কিলোমিটার কমে যায়। পূর্ব লাদাখ সীমান্তে চিনের সঙ্গে উত্তাপ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই এই লে-মানালি হাইওয়ের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৮.৮ কিলোমিটার লম্বার এই ট্যানেলটি সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ৩ হাজার মিটার উঁচুতে তৈরি করা হয়েছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর গতি ত্বরান্বিত করতে এই সুরঙ্গপথের গুরুত্ব অপরিসীম বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।  চলতি মাসে এই প্রকল্পটি পরিদর্শন করতে পারেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। 
 

<p><strong>সেপ্টেম্বর থেকেই খুলে দেওয়া হবে অটল ট্যানেল। আর ট্যানেল চালু হয়ে গেছে ৮ ঘণ্টার যাত্রাপথে আড়াই ঘণ্টা সময় বেঁচে যাবে। লে শহরের সঙ্গে যোগাযোগের এটি হবে সবথেকে দ্রুতগামী রাস্তা।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

সেপ্টেম্বর থেকেই খুলে দেওয়া হবে অটল ট্যানেল। আর ট্যানেল চালু হয়ে গেছে ৮ ঘণ্টার যাত্রাপথে আড়াই ঘণ্টা সময় বেঁচে যাবে। লে শহরের সঙ্গে যোগাযোগের এটি হবে সবথেকে দ্রুতগামী রাস্তা। 
 

<p><strong>সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ৩ হাজার মিটার উঁচুতে ৮.৮ কিলোমিটার লম্বা এই ট্যানেল তৈরি করতে খবর হয়েছে ৩,২০০&nbsp;কোটি টাকা। ২০০০ সালের ৩ জুল এই প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ৩ হাজার মিটার উঁচুতে ৮.৮ কিলোমিটার লম্বা এই ট্যানেল তৈরি করতে খবর হয়েছে ৩,২০০ কোটি টাকা। ২০০০ সালের ৩ জুল এই প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। 
 

<p><strong>স্থানীয়দের কাছে এটি রোহতাং ট্যানেল নামে পরিচিত। মানালি থেকে লের দূরত্ব ৪৭৪ কিলোমিটার। কিন্তু এই ট্যানেলের ফলে এই দূরত্ব প্রায় ৪৬ কিলোমিটার কম যাবে। ট্যানেলটি তৈরির দায়িত্ব ছিল বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের ওপর। &nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

স্থানীয়দের কাছে এটি রোহতাং ট্যানেল নামে পরিচিত। মানালি থেকে লের দূরত্ব ৪৭৪ কিলোমিটার। কিন্তু এই ট্যানেলের ফলে এই দূরত্ব প্রায় ৪৬ কিলোমিটার কম যাবে। ট্যানেলটি তৈরির দায়িত্ব ছিল বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের ওপর।  
 

<p><strong>অটল ট্যানেল প্রকল্পটি একাধিকবার ধাক্কা খেয়েছে। ২০১১ সালে কাজ শুরু হওয়ার পর ২০১৫ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সুরি নুলহার জল প্রবেশ ও পাথর খননের ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে বেশ কয়েক মাস প্রকল্পটির কাজ প্রায় বন্ধ ছিল।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

অটল ট্যানেল প্রকল্পটি একাধিকবার ধাক্কা খেয়েছে। ২০১১ সালে কাজ শুরু হওয়ার পর ২০১৫ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সুরি নুলহার জল প্রবেশ ও পাথর খননের ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে বেশ কয়েক মাস প্রকল্পটির কাজ প্রায় বন্ধ ছিল। 
 

<p><strong>আটল ট্যানেল তৈরিতে কাজ করেছেন ৭০০ জন শ্রমিক লকডাউনের সময়ই কাজ বন্ধ করা হয়নি।&nbsp;</strong></p>

আটল ট্যানেল তৈরিতে কাজ করেছেন ৭০০ জন শ্রমিক লকডাউনের সময়ই কাজ বন্ধ করা হয়নি। 

<p><strong>প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং জুলাই মাসে এই প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন। চলতি মাসে আবারও তিনি এই ট্যানেলটি পরিদর্শন করতে পারেন বলেই সূত্রের খবর।&nbsp;</strong></p>

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং জুলাই মাসে এই প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন। চলতি মাসে আবারও তিনি এই ট্যানেলটি পরিদর্শন করতে পারেন বলেই সূত্রের খবর। 

<p><strong>এই ট্যানেলে গাড়ি গতি থাকবে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার। সুড়ঙ্গপথটি কৌশলগত কারণে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তে সেনাবাহিনীর গতি ত্বরান্বিত করতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি শীতকালেও যানচলাচল বজায় রাখার ক্ষেত্রে উপযোগী।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

এই ট্যানেলে গাড়ি গতি থাকবে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার। সুড়ঙ্গপথটি কৌশলগত কারণে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তে সেনাবাহিনীর গতি ত্বরান্বিত করতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি শীতকালেও যানচলাচল বজায় রাখার ক্ষেত্রে উপযোগী। 
 

<p><strong>ট্যানেলটি যেকোনও আবহাওয়ায় সচল থাকবে। প্রতিদিন ৩ হাজার গাড়ি চলাচাল করতে পারবে।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

ট্যানেলটি যেকোনও আবহাওয়ায় সচল থাকবে। প্রতিদিন ৩ হাজার গাড়ি চলাচাল করতে পারবে। 
 

<p><strong>হিমাচল প্রদেশ সরকার অটল ট্যানেল দিয়ে ভিস্তাডোম বাস চালাবে। পাহাড়ি রাজ্যের মনোরম দৃশ্য যাতে উপভোগ করতে পারেন দর্শনার্থীরা তার জন্যই এই ব্যবস্থা।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

হিমাচল প্রদেশ সরকার অটল ট্যানেল দিয়ে ভিস্তাডোম বাস চালাবে। পাহাড়ি রাজ্যের মনোরম দৃশ্য যাতে উপভোগ করতে পারেন দর্শনার্থীরা তার জন্যই এই ব্যবস্থা। 
 

loader