নেতাজির বলে যাওয়া এই ১৫টি উক্তি, যা প্রতিটি দেশবাসীকে আজও অনুপ্রেরণা জোগায়

First Published 22, Jan 2020, 11:45 AM IST

নেতাজি মানে শুধু একটা মানুষ নয়, একটা দর্শন। এমন এক মানুষের দর্শন যার অন্তর্ধানকে আজও মেনে নিতে পারেনি কোটি কোটি মানুষ। আজও তাঁকে নিয়ে ঘনীভূত হয় রহস্যের বেড়াজাল। তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনা বিতর্কের পরও বর্তমান সময়ের মানুষ তাঁকে খুঁজে-ফেরে। জানতে চায় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর কথা। পড়ার টেবিলে উপুড় করে চলে বিশ্লেষণ- কোথায় গেলেন তিনি, কী হল তাঁর পরিণতি। স্বাধীনতার অর্ধশতক পার করেও ভারতবাসীর চোখে আজও সেরা বীরের নাম নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। তাঁর ফেলে যাওয়া এমনকিছু কথা এবং দর্শন যা আজও উদ্বুদ্ধ করে দেশবাসীকে।

এক মধ্যরাতে রেডিও বার্তায় চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল এই বার্তা। সুভাষ তখন ব্রিটিশের চোখে ধূলো দিয়ে ঘাঁটি গেড়েছেন সিঙ্গাপুরে। আর সেখানেই রেডিও-তে পাঠিয়েছিলেন এই বার্তা, তাঁর প্রিয় ভারতবাসীর উদ্দেশে।

এক মধ্যরাতে রেডিও বার্তায় চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল এই বার্তা। সুভাষ তখন ব্রিটিশের চোখে ধূলো দিয়ে ঘাঁটি গেড়েছেন সিঙ্গাপুরে। আর সেখানেই রেডিও-তে পাঠিয়েছিলেন এই বার্তা, তাঁর প্রিয় ভারতবাসীর উদ্দেশে।

তাঁর এক উক্তি কতটা খাঁটি তা নিজের জীবন দিয়েই সকলকে উপলদ্ধিটা দিয়ে গিয়েছেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।

তাঁর এক উক্তি কতটা খাঁটি তা নিজের জীবন দিয়েই সকলকে উপলদ্ধিটা দিয়ে গিয়েছেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।

মহাত্মা গান্ধী থেকে জওহরলাল নেহরু প্রত্যেকের সঙ্গেই এই নিয়ে একটা বিরোধিতা ছিল তাঁর। কারণ ইংরেজদের সঙ্গে বারবার আলাপ-আলোচনা ও হিংসাহীন প্রতিবাদে যে স্বাধীনতা আসার নয় তা যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দিতেন সুভাষ।

মহাত্মা গান্ধী থেকে জওহরলাল নেহরু প্রত্যেকের সঙ্গেই এই নিয়ে একটা বিরোধিতা ছিল তাঁর। কারণ ইংরেজদের সঙ্গে বারবার আলাপ-আলোচনা ও হিংসাহীন প্রতিবাদে যে স্বাধীনতা আসার নয় তা যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দিতেন সুভাষ।

আজাদহিন্দ ফৌজের যখন প্রতিষ্ঠা হচ্ছিল সে সময় ভারতের ভাইসরয় হয়েছিলেন ওয়াভেল। পরবর্তী সময়ে তিনি এক গোপন রিপোর্টে ব্রিটিশ সরকারকে জানিয়েছিলেন, নেতাজি যেভাবে ব্রিটিশ ফৌজের বিরুদ্ধে লড়াই করে উদাহরণ খাড়া করেছেন, তাতে আর শারীরিক বল প্রয়োগে ভারতবাসীকে পরাধীনতার শৃঙ্খলে বেঁধে রাখা সম্ভব নয়।

আজাদহিন্দ ফৌজের যখন প্রতিষ্ঠা হচ্ছিল সে সময় ভারতের ভাইসরয় হয়েছিলেন ওয়াভেল। পরবর্তী সময়ে তিনি এক গোপন রিপোর্টে ব্রিটিশ সরকারকে জানিয়েছিলেন, নেতাজি যেভাবে ব্রিটিশ ফৌজের বিরুদ্ধে লড়াই করে উদাহরণ খাড়া করেছেন, তাতে আর শারীরিক বল প্রয়োগে ভারতবাসীকে পরাধীনতার শৃঙ্খলে বেঁধে রাখা সম্ভব নয়।

ব্রিটিশদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে করে যে স্বাধীনতা আসার নয় তা বুঝে গিয়িছেলন সুভাষ। তাঁর যুক্তি ছিল স্বাধীনতা হল এক শক্তির উন্মেষ। এই উন্মেষকে জাগাতে গেলে যুবা ভারত-কে জাগিয়ে তুলতে হবে। বিশ্বাস দেখানোর মতো প্রেরণা দিতে হবে তামাম ভারতবাসীকে।

ব্রিটিশদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে করে যে স্বাধীনতা আসার নয় তা বুঝে গিয়িছেলন সুভাষ। তাঁর যুক্তি ছিল স্বাধীনতা হল এক শক্তির উন্মেষ। এই উন্মেষকে জাগাতে গেলে যুবা ভারত-কে জাগিয়ে তুলতে হবে। বিশ্বাস দেখানোর মতো প্রেরণা দিতে হবে তামাম ভারতবাসীকে।

নিজেকে অক্ষত রেখে যে স্বাধীনতা আসবে না তাও বলেছিলেন সুভাষ। স্বাধীনতা আনতে হলে আত্মবলিদানের মতো মানসিকতা বহন করতে হবে বলেও তিনি মনে করতেন।

নিজেকে অক্ষত রেখে যে স্বাধীনতা আসবে না তাও বলেছিলেন সুভাষ। স্বাধীনতা আনতে হলে আত্মবলিদানের মতো মানসিকতা বহন করতে হবে বলেও তিনি মনে করতেন।

ভারতের বুকে স্বাধীনতা কীভাবে আসা উচিত তা নিয়ে জোর বিতর্কে নামতেন সুভাষ। যুক্তি দিয়ে বোঝাতেন কোনও স্বাধীনতার ইতিহাসে কোথাও উল্লেখ নেই যে তা অহিংস ছিল।

ভারতের বুকে স্বাধীনতা কীভাবে আসা উচিত তা নিয়ে জোর বিতর্কে নামতেন সুভাষ। যুক্তি দিয়ে বোঝাতেন কোনও স্বাধীনতার ইতিহাসে কোথাও উল্লেখ নেই যে তা অহিংস ছিল।

হিংসা মানে যে অপরাধমূলক আচরণ করতে হবে তা মানতেন না সুভাষ। কিন্তু, সেই অপরাধ যদি বৃহত্তর স্বার্থের পরিপূরক হয় এবং অন্তরাত্মা এই অপরাধ করার জন্য ডাক দেয় তাহলে তা থেকে পিছু হঠার প্রশ্ন নেই বলেও মনে করতেন তিনি।

হিংসা মানে যে অপরাধমূলক আচরণ করতে হবে তা মানতেন না সুভাষ। কিন্তু, সেই অপরাধ যদি বৃহত্তর স্বার্থের পরিপূরক হয় এবং অন্তরাত্মা এই অপরাধ করার জন্য ডাক দেয় তাহলে তা থেকে পিছু হঠার প্রশ্ন নেই বলেও মনে করতেন তিনি।

ব্রিটিশ শাসিত ভারতের এমন অবস্থা ছিল যে জনগণের সঠিক পরিস্থিতি কোনওভাবেই সামনে আসত না বলে মনে করতেন সুভাষ। এমনকী ব্রিটিশদের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে লড়াইটাও কোনওভাবে এক দেশবাসীর ভালো সাধন করতে পারে তাও মনে করতেন না তিনি। সেই কারণে মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরুর মতো কিছু কংগ্রেস নেতারা যেভাবে ব্রিটিশদের সঙ্গে দর কষাকষি করতেন তাতে সায় ছিল না সুভাষের।

ব্রিটিশ শাসিত ভারতের এমন অবস্থা ছিল যে জনগণের সঠিক পরিস্থিতি কোনওভাবেই সামনে আসত না বলে মনে করতেন সুভাষ। এমনকী ব্রিটিশদের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে লড়াইটাও কোনওভাবে এক দেশবাসীর ভালো সাধন করতে পারে তাও মনে করতেন না তিনি। সেই কারণে মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরুর মতো কিছু কংগ্রেস নেতারা যেভাবে ব্রিটিশদের সঙ্গে দর কষাকষি করতেন তাতে সায় ছিল না সুভাষের।

সঙ্কীর্ণ জাতীয়তাবাদকে কখনই পছন্দ করতেন না রবীন্দ্রনাথ। তাঁর একাধিক প্রবন্ধে এই নিয়ে উল্লেখ করেছেন। তবে, সুভাষ যে জাতীয়তাবোধের কথা বলতেন তাকে কমিউনিস্টরা সঙ্কীর্ণতা-র তকমা লাগাতে চাইলেও রবীন্দ্রনাথ তা করেননি। উল্টে সুভাষের জাতীয়তাবাদে তাঁর প্রচ্ছন্ন সমর্থন ছিল। কারণ, রবীন্দ্রনাথের মতে যে জাতীয়তাবাদ জাতির স্বাধীনতার কথা বলে, যে জাতীয়তাবাদ বিশ্বের সকলের মাঝে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার কথা বলে, যে জাতীয়তাবাদ অন্য জাতিকেও সমান মর্যাদা দিতে চায় তা কখনই সঙ্কীর্ণ হতে পারে না। বলা হয় আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠনের সময় রবীন্দ্রনাথের বলে দেওয়া জাতীয়বাদ-কেই আধার করেছিলেন সুভাষ।

সঙ্কীর্ণ জাতীয়তাবাদকে কখনই পছন্দ করতেন না রবীন্দ্রনাথ। তাঁর একাধিক প্রবন্ধে এই নিয়ে উল্লেখ করেছেন। তবে, সুভাষ যে জাতীয়তাবোধের কথা বলতেন তাকে কমিউনিস্টরা সঙ্কীর্ণতা-র তকমা লাগাতে চাইলেও রবীন্দ্রনাথ তা করেননি। উল্টে সুভাষের জাতীয়তাবাদে তাঁর প্রচ্ছন্ন সমর্থন ছিল। কারণ, রবীন্দ্রনাথের মতে যে জাতীয়তাবাদ জাতির স্বাধীনতার কথা বলে, যে জাতীয়তাবাদ বিশ্বের সকলের মাঝে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার কথা বলে, যে জাতীয়তাবাদ অন্য জাতিকেও সমান মর্যাদা দিতে চায় তা কখনই সঙ্কীর্ণ হতে পারে না। বলা হয় আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠনের সময় রবীন্দ্রনাথের বলে দেওয়া জাতীয়বাদ-কেই আধার করেছিলেন সুভাষ।

নিজেকে ভারতমাতার সৈনিক বলে মনে করতেন সুভাষ। তাই তিনি বিশ্বাস করতেন যে জন্মের পর থেকেই তিনি জাতির জন্য আত্মবলিদানে দীপ্ত। সেই কারণে তাঁর মধ্যে ভয়-ডর বলে কিছুই ছিল না। যতক্ষণ বেঁচে থাকবেন দেশমাতৃকার সেবা এবং ভারতবাসীকে পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্ত করার কাজেই নিয়োজিত ছিলেন সুভাষ।

নিজেকে ভারতমাতার সৈনিক বলে মনে করতেন সুভাষ। তাই তিনি বিশ্বাস করতেন যে জন্মের পর থেকেই তিনি জাতির জন্য আত্মবলিদানে দীপ্ত। সেই কারণে তাঁর মধ্যে ভয়-ডর বলে কিছুই ছিল না। যতক্ষণ বেঁচে থাকবেন দেশমাতৃকার সেবা এবং ভারতবাসীকে পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্ত করার কাজেই নিয়োজিত ছিলেন সুভাষ।

চূড়ান্ত সত্য কখন আসবে তার জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকতে রাজি ছিলেন না সুভাষ। তাঁর মতে সত্যের সন্ধান এমনভাবে হওয়া উচিত যেখানে নিজেকে এমনকিছুর সঙ্গে জড়িয়ে নিতে হবে যাতে অনেকবেশি সত্য থাকে।

চূড়ান্ত সত্য কখন আসবে তার জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকতে রাজি ছিলেন না সুভাষ। তাঁর মতে সত্যের সন্ধান এমনভাবে হওয়া উচিত যেখানে নিজেকে এমনকিছুর সঙ্গে জড়িয়ে নিতে হবে যাতে অনেকবেশি সত্য থাকে।

নেতাজির দিল্লি চলো-র এই ডাক আজও অমর হয়ে রয়েছে।

নেতাজির দিল্লি চলো-র এই ডাক আজও অমর হয়ে রয়েছে।

নিজের উপর বিশ্বাসটাই যে সব সেটা বারবার বলতেন নেতাজি।

নিজের উপর বিশ্বাসটাই যে সব সেটা বারবার বলতেন নেতাজি।

শুধু পরিকাঠামোগত সাহায্য থাকলেই হবে না, সেই পরিকাঠামো থেকে পাওয়া সুবিধা দিয়ে নিজেকে চালনা করতে হবে। তবেই মিলবে স্বাধীনতা। নেতাজির কাছে এই চালনা শক্তি-র নাম ছিল অনুপ্রেরণা।

শুধু পরিকাঠামোগত সাহায্য থাকলেই হবে না, সেই পরিকাঠামো থেকে পাওয়া সুবিধা দিয়ে নিজেকে চালনা করতে হবে। তবেই মিলবে স্বাধীনতা। নেতাজির কাছে এই চালনা শক্তি-র নাম ছিল অনুপ্রেরণা।

loader