দেশের ৭৫  স্বাধীনতা উপলক্ষ্যে এবার দ্য সিজন অফ কালচারের সাংস্কৃতিক দূত হতে চলেছেন সংগীত শিল্পী এ আর রেহমান। যা ভারত এর জন্য একটি অত্যন্ত গর্বের বিষয়।

ভারতের স্বাধীনতার ৭৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে 'দ্য সিজন অফ কালচারের' মতন গ্লোবাল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের দূত বা ব্র্যান্ড অ্যম্বাসডর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন মিউজিক- মায়েস্ট্রো এ আর রহমান। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ৭ জুন, মঙ্গলবার ভারতে ব্রিটেনের ডেপুটি হাইকমিশনার জ্যান থমসন এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের পরিচালক (ভারত) বারবারা উইকহ্যাম ঘোষণা করেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সিজন অফ কালচার এমন একটি অনুষ্ঠান যেখানে ভারত, ব্রিটেন, স্কটল্যান্ড, এবং উত্তর আয়ারল্যান্ড জুড়ে থিয়েটার, নৃত্য, ভিজুয়াল ও ইউকের খ্যাতনামা শিল্পী রা পারফর্ম করবেন। এতে ভারতের শিল্পী রাও বিশ্বের মঞ্চে নিজেদের ট্যালেন্ট কে তুলে ধরতে পারবেন এবং ভারতের দর্শক ও শ্রোতারাও বিশ্বের শিল্পী ও তাঁদের কালচারের সাথে আরো বেশি করে পরিচিত হবেন।

আরও পড়ুন,ঘুরতে গিয়ে দারুন ভাবে ছুটি উপভোগ করছেন বিরুষ্কা

আরও পড়ুন,ফ্লোরাল- প্রিন্টেড বোল্ড ড্রেসে তাক লাগালেন জাহ্নবী, ড্রেস টি চুরি করার মতলবে রয়েছেন শানায়া কপূর

'দ্য সিজন অফ কালচার' এর মূল লক্ষ্য হলো, শিল্প কলা, ইংরেজি এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে ভারত-ইউকে সহযোগিতা কে জোরদার করা। এর জন্য সংগীত শিল্পী এ আর রহমানকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে সঙ্গীতশিল্পী বলেন, 'একজন শিল্পী হিসেবে একটি উদ্ভাবনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে খুবই ভালো লাগছে যা সৃজনশীল উৎকর্ষ এবং শৈল্পিক প্রশংসা সমর্থন করে এবং বৈচিত্র্যময় শ্রোতাদের একত্রিত করে'।

 এই অনুষ্ঠানের জন্য পদ্মশ্রী ও পদ্মভূষণ প্রাপ্ত এ আর রেহমান কে নির্বাচিত করা হয়েছে। সারা বিশ্বে তাঁর গানের ভক্ত, তাঁর ফ্যান ফলোয়িং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড, তাই এ ধরনের একটু সাংস্কৃতিক গ্লোবাল মঞ্চে তাঁর চেয়ে ভালো সংস্কৃতিক দূত আর কেই বা হতে পারেন?

এ বিষয়ে মিউজিক মায়েস্ত্র কে জিগেস করা হলে তিনি বলেন, 'আজ সৃজনশীলতার এই আদান প্রদান নতুন প্রজন্মের ট্যালেন্টেড দের অনুপ্রাণিত করবে এবং শিল্পকলায় ন্যায্য ও ন্যায়সঙ্গত অ্যাক্সেসের জন্য একটি গ্লোবাল বা বৈশ্বিক মঞ্চ তৈরি করতে পারে'' তিনি যোগ করেছেন।

ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডিরেক্টর (ভারত) বারবারা উইকহ্যাম বলেন, 'এ আর রহমান সিজন অফ কালচারের একজন উল্লেখযোগ্য উপদেষ্টা ছিলেন এবং তার কাজ এবং পেশাগত যাত্রা সত্যিকার অর্থে সিজন অফ কালচার এর উদেশ্য এর সাথে মিলে যায় - যার অর্থ একসাথে কাজ করা এবং শৈল্পিক সত্বা কে প্রকাশ্যে আনা। এবং এ আর রেহমান এর প্রকৃত উদাহরণ।


উইকহ্যাম আরো বলেন যে, ভারত ও ইউকে উভয় দেশের মানুষ রাই দুই দেশের জনপ্রিয় শিল্পী দের বিশেষ বিশেষ শিল্প কাজের কে দেখার ও শোনার সুযোগ পাবেন এই ইন্টারনেটের মাধ্যমে।