গবেষণার কাজে তাঁকে দীর্ঘ সময় ভারতে কাটাতে হয়েছিল। ঠিক সেই কারণেই তাঁর নাগরিকত্বের আবেদন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিল ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। ব্রিটেন প্রশাসেনর এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধীতা করেছে সেদেশের শিক্ষা মহল। ইতিমধ্যে তাঁরা পথে নেমেছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাটছে এই আবেদন পুনর্বিবেচনা করার জন্য ব্রিটেনের শিক্ষাবিদরা  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে একটা খোলা চিঠি পাঠিয়েছেন বলে জানাা গিয়েছে। 

 
 জানা গিয়েছে  প্রায় ১০ বছর আগে আসিয়া ইসলাম ইংল্যান্ডে পড়াশোনার জন্য যান। আদতে তিনি উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ের বাসিন্দা। প্রথমে তিনি লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিকস থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করেন। এরপর তিনি বিলগেটস ও তাঁর স্ত্রী মেলিন্ডার সংস্থার  স্কলারশিপে কেমব্রিজ থেকে ব
 অর্থেনতিক পরিস্থিতিতে ভারতের শহরাঞ্চলে লিঙ্গ বিষম্য নিয়ে গবেষণার সুযোগ পান। এই গবেষণার জন্য তাঁকে কয়েক মাস ভারতে কাটাতে হয়েছে। তিন বছর তিনি এই গবেষণা করেন।  চলতি বছরের শুরুতেই ইউনিভার্সিটি অফ কেমব্রিজের জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপের প্রস্তাব পান। সেখান থেকেই তিনি ব্রিটেনের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন। 

 

কিন্তু ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে সেই আবেদন নাকচ করে দেওয়া হয়। এই বিষয়ে আসিয়ার কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। সেই চিঠিতে জানানো হয়েছে, ২০১৬ ও ২০১৭ সালের মধ্যে তিনি দীর্ঘ সময় ভারতে ছিলেন। তাই তাঁর নাগরিকত্বের আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। সহকর্মীদের এই বিষয়ে জানান আসিয়া। তাঁরা জানান, গবেষণা কাছে ব্রিটেনের বাইরে দীর্ঘদিন থাকার কারণে অনেকেই ব্রিটেনের নাগরিকত্বের আবেদন করতে পারেননি। শুধু তাই নয়, তাঁদের দেশে ফিরে যেতে হয়েছেন। কিন্তু চুপ করে মেনে নেওয়ার মেয়ে নন আসিয়া। এই ঘটনার প্রতিবাদ করে তিনি টুইটারে রপোস্ট করেন। টুইটারের পোস্ট থেকেই শিক্ষাবিদদের নজরে আসে ঘটনাটি। ব্রিটেন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন তাঁরা। এই আন্দোলনে আসিয়া তাঁর সহকর্মীদের সঙ্গ পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।