জি২০ উপলক্ষ্যে এই দেশে আসা চিনা প্রতিনিধিরা দিল্লির চাণক্যপুরীর তাজ প্যালেস হোটেলে ছিলেন। চিনা প্রতিনিধি দলের এক সদস্য হোটেলে একটি ব্যাগ নিয়ে এসেছিলেন। 

কিছুতেই ব্যাগ দেখাবে না চিনারা। যা নিয়ে রীতিমত নাটক চলল দিল্লির পাঁচ তারা হোটেলে। এই চিনারা আবার যেসে চিনা নয়, জি২০ সামিল উপলক্ষ্যে চিন থেকে যে প্রতিনিধি দল এসেছিল তারই সদস্যরা এরা। সূত্রের খবর, হোটেলের নিরাপত্তাকর্মীরা এক চিনা প্রতিনিধির ব্যাাগ পরীক্ষা করতে চেয়েছিল। কিন্তু চিনা প্রতিনিধি তা করতে দিতে রাজি হয়নি। পাল্টা হোটেল কর্তৃপক্ষও ছাড়বার পাত্র নয়। নিরাপত্তার বিষয় বলে কথা!

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সূত্রের খবর জি২০ উপলক্ষ্যে এই দেশে আসা চিনা প্রতিনিধিরা দিল্লির চাণক্যপুরীর তাজ প্যালেস হোটেলে ছিলেন। চিনা প্রতিনিধি দলের এক সদস্য হোটেলে একটি ব্যাগ নিয়ে এসেছিলেন। নিরাপত্তারক্ষীরা সফরকারীদের ব্যগ চেক করার আর্জি জানিয়েছিল। কিন্তু তাতে কোনও সাড়া দেয়নি চিনা প্রতিনিধিরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশ। প্রোটোকল অনুযায়ী এই দেশের প্রশাসন প্রতিনিধি দলের সদস্যদের ব্যাগ চেক করতে পারে বলেও একাধিকবার জানিয়েছিল। কিন্তু তাতেও রাজি হয়নি চিনা প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। যা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়ে যায়।

শেষ পর্যন্ত চিনা প্রতিনিধি দলের সদস্যদের ব্যাগ পরীক্ষা করার ব্যাপারে রাজি করাতে পারেনি ভারতের প্রশাসন। শেষ পর্যন্ত চিনা প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ব্যাগ পরীক্ষা করানো থেকে বিতর থাকার জন্য চিনা দূতাবাসে ফিরে যায়। তাই ব্যাগে কী 'মহামূল্যবান জিনিস ' রয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছেন এই ব্যাগ কাণ্ডের জন্য পরবর্তীকালে হোটেলে আরও কয়েকজন চিনা প্রতিনিধি এসেছিল। কিন্তু তারাও ব্যাগ পরীক্ষা করাতে আপত্তি করে। তাই তাদেরও হোটেলে ঠাঁই হয়নি।

জি-২০ দেশ ছাড়াও আরও ৯টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা সম্মেলনে অংশ নেন। সম্মেলনের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল পূর্ব ও পশ্চিমের দেশগুলোকে এক প্লাটফর্মে নিয়ে আসা এবং ইউক্রেন ইস্যুতে ঐকমত্যে পৌঁছানো। শীর্ষ সম্মেলনে জড়ো হওয়া বিশ্ব নেতারাও ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডোরের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছেন। এই শীর্ষ সম্মেলনের আরেকটি বড় অর্জন ছিল আফ্রিকান ইউনিয়নও এতে স্থায়ী সদস্যপদ লাভ করে।জলবায়ু পরিবর্তন গোটা বিশ্বের কাছে একটি জ্বলন্ত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় দূষণ কমাতে বিশ্বের দেশগুলি একাধিকবার কথাবার্তা বলেছে। সবুজ উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। জীবাশ্ম শক্তি অর্থাৎ পেট্রোল বা ডিজেলের পরিবর্তে প্রাকৃতিক শক্তির ব্যবহার বাড়াতে জোর দেওয়া হয়েছে। দিল্লিতে জি২০ সম্মেলনে ভারত লাইফস্টাইল ফর এনভায়রনমেন্ট (LiFE) বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে।