হিন্দিকে বাধ্যতামুলকভাবে আবশ্যিক ভাষা হিসেবে গ্রহণ করার যে নির্দেশিকা জারি করেছিল কেন্দ্র, অবশেষে সেই চাপের মুখে পিছু হঠতে বাধ্য হল কেন্দ্র। বেশ কয়েকটি দক্ষিণী ভাষাভাষির রাজ্যে বাধ্যতামুলকভাবে হিন্দি সংযোজনের ফলে দক্ষিণ ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য থেকে এর চরম বিরোধিতা করেছিল। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত হিন্দিকে বাধ্যতামূলক করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছিল। আর তার জেরেই কেন্দ্র নিয়ে এল এক পরিবর্তীত নির্দেশিকা। 

জাতীয় শিক্ষানীতিতে বদল এনে ঐচ্ছিক ভাষা হিসেবে হিন্দিকে রাখার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে জানানো হল, এবার থেকে আর বাধ্যতামুলক হিসেবে নয়, ঐচ্ছিক ভাষা হিসাবে হিন্দিকে বেছে নিতে পারবে ছাত্রছাত্রীরা। সোমবার কেন্দ্রের নতুন জাতীয় শিক্ষার নীতি পরিবর্তন করে, হিন্দিকে ঐচ্ছিক ভাষা হিসেবে নেওয়ার কথা বলা হয়। পুরনো খসড়া নীতিতে বলা হয়েছিল, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা যে তিনটি ভাষা পড়ে তার মধ্যে ইংরেজি ও হিন্দি ভাষাকে, হিন্দি ও অ-হিন্দিভাষী সব রাজ্যে বাধ্যতামুলক হিসাবে পড়তে হবে। 

বই'য়ের বোঝা বাড়ার পাশাপাশি এক লাফে ৩০০ শতাংশ হারে দাম বাড়ল পাঠ্যবইয়ের

বন্দুকের লাইসেন্স পেতে গাছের সঙ্গে তুলতে হবে সেলফি

তবে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১৯-এর নয়া খসড়ায় বলা হয়েছে যে, ছাত্রছাত্রীরা যে কোনও ভাষাই বিষয় হিসাবে বেছে নিতে পারবে। তারা যে ভাষায় পড়ছে, তার মধ্যে একটি বা তার বেশি ভাষা তারা মনে করলে বদলে নিতে পারবেন। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর, এদিন জানান, দেশের সব ভাষার প্রতিই সমান শ্রদ্ধা রয়েছে কেন্দ্রের। আর এই কারণে কোনও ভাষাকেই কারওর ওপর জোড় করে চাপিয়ে দেওয়ার নীতি অবলম্বন করবে না বলে জানান তিনি।