এক পশুচিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে মাংকি বি ভাইরাসের জেরে। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর থেকে তাঁর ঘনিষ্ঠদের মধ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েনি বলেই দাবি করছে স্থানীয় প্রশাসন

করোনা ভাইরাসের পর এবার কি পালা মাংকি বি ভাইরাসের (BV)? করোনার মতোই চিন থেকে ছড়াতে চলেছে মাংকি বি ভাইরাস ? প্রশ্নটা উঠছে, কারণ সেই চিনেই মৃত্যু হয়েছে মাংকি বি ভাইরাস আক্রান্তের। তাহলে কি এবার মৃত্যু মিছিল শুরু হতে চলেছে, আশঙ্কা থাকছে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এক পশুচিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে এই মাংকি বি ভাইরাসের জেরে। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর থেকে তাঁর ঘনিষ্ঠদের মধ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েনি বলেই দাবি করছে স্থানীয় প্রশাসন। গ্লোবাল টাইমস জানাচ্ছে ৫৩ বছর বয়েসী বেজিংয়ের ওই চিকিৎসক বিভিন্ন পশুদের নিয়ে গবেষণা করতেন। প্রাথমিক ভাবে তার বমি বমি ভাব শুরু হয়েছিল। এক মাসের মধ্যে তাঁর অসুস্থতা বাড়ে। উল্লেখ্য মার্চ মাসের শুরুতে দুটি বাঁদর মারা যায়, যাদের ওপর কাজ করছিলেন তিনি।

বিভিন্ন হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলে, কিন্তু সুস্থ হননি তিনি। তার আগে চিনে কোনও ক্লিনিক্যালি মাংকি বি ভাইরাস সংক্রমণ ছিল না। চিনের সিডিসি থেকে এই তথ্য মিলেছে। ফলে এই মৃত্যুই মাংকি বি ভাইরাসে প্রথম মৃত্যু বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। গবেষকরা এপ্রিল মাসে পশুচিকিত্সকের সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড সংগ্রহ করেন। চলে গবেষণা। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও সংক্রমণের খবর মেলেনি। 

এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে মাংকি পক্স ক্রমশ ছড়াচ্ছে বলে খবর মিলেছে। সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বা সিডিসি (CDC) জানিয়েছে টেক্সাসের এক নাগরিকের শরীরে মিলেছে এই ভাইরাস। 

শেষবার মাংকি পক্স ছড়িয়েছিল ২০০৩ সালে। ৪৭ জন তাতে গুরুতর ভাবে অসুস্থ হয়েছিলেন। সিডিসি জানিয়েছে মাংকি পক্স বিরল ও গুরুতর ভাইরাসজনিত অসুস্থতা। যা সাধারণত ফ্লু জাতীয় অসুস্থতা। এই ক্ষেত্রে লিম্ফ নোডগুলি ফুলতে শুরু করে। গায়ে মুখে ছড়িয়ে পড়ে ব়্যাশ। 

মাংকি পক্স কী ? 

সিডিসি জানাচ্ছে, মাংকি পক্স প্রথম আবিষ্কার করা হয় ১৯৫৮ সালে। গবেষণা করার কাজে ব্যবহৃত বাঁদরদের মধ্যে স্মলপক্স জাতীয় রোগ ছড়িয়ে পড়ে। সেখান থেকেই নামকরণ হয় মাংকি পক্স। কঙ্গোতে ১৯৭০ সালে এই রোগ ছড়ায়। মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলিতে এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল।