মার্চের শেষে বা এপ্রিল মাসের প্রথমে , গত ফেব্রুয়ারি মাসের বিদ্যুতের বিল জমা না দিলেও লাইন কাটবে না রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন নিগম। এখানেই শেষ নয় রয়েছে আরও বাড়তি সুবিধা। ৩০ এপ্রিলের মধ্যে যদি কেউ বিল জমা দেয়, সেক্ষেত্রেও কোনও সুদ বা জরিমানাও চাইবে না বিদ্যুৎ দপ্তর। এই খবর জানিয়েছেন রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন, ফের করোনা আক্রান্তের শেষকৃত্যে তুলকালাম, ধাপার শ্মাশানে বিক্ষোভ স্থানীয়দের

 
বুধবার  রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়  জানিয়েছেন, করোনা মোকাবিলায় লকডাউন থেকে শুরু করে জীবাণু সংক্রমণের ভয়ে বাড়ি বাড়ি মিটার রিডিং নিতে যেতে পারছেন না বিদ্যুৎকর্মীরা। আবার অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকরাই বাইরের লোক হিসাবে বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীদের বাড়িতে ঢুকতে দিচ্ছেন না। তাই বিদ্যুতের বিল মেটানোর ক্ষেত্রে এক নতুন পন্থা নিয়েছে বিদ্যুৎ দপ্তর। সিদ্ধান্ত হয়েছে, গত মাসের বিল হিসাবে ২০১৯ সালের মার্চ মাসের রিডিং দিয়েই গ্রাহকদের  বাড়ি পাঠানো হবে। তবে লকডাউন ওঠার পর যদি দেখা যায় মার্চ মাসের রিডিং গত বছরের তুলনায় কম হলে সুবিধা পাওয়া যাবে। তা হলে পুরোটা মিলিয়ে নিয়েই গ্রাহককে সামগ্রিক সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানান রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব। 

আরও লকডাউনে বন্দিদশায় কলকাতা, ভরসা জোগাতে আমরা করব জয় গাইছে পুলিশ


উল্লেখ্য়, দেশজুড়ে লকডাউনের পরিস্থিতি চলাকালীন জরুরি পরিষেবাগুলিকে তার আওতার বাইরে রাখতে বলেছে প্রশাসন। তার মধ্যে  পুলিশ, সংবাদ মাধ্যমের পাশাপাশি  পড়ছে বিদ্যুৎ দপ্তর। করোনা আতঙ্ককে দূরে সরিয়ে লকডাউনে যে হাজার হাজার বিদ্যুৎকর্মী পরিষেবা দিচ্ছেন এবং বিদ্যুতের যোগান নিরবিচ্ছিন্ন রেখেছেন তাঁদের  বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

ফের তথ্য গোপন করোনা আক্রান্ত প্রৌঢ়ের ভাইয়ের, আইসোলেশনে ভর্তি বরানগরের বাসিন্দা

জ্বর নিয়েই ট্রেন করে একটানা অফিস, ভয়ে কাঁটা রাজ্য়ের করোনা আক্রান্তর সহকর্মীরা
 

রাজ্যে আরও এক করোনা আক্রান্তের হদিশ,সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ২২