সাধারণ মানুষের সঙ্গে একে একে করোনা ভাইরাস গ্রাস করছে চিকিৎসকদেরও। রাজ্য়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে কোয়ারান্টাইনে গিয়েছেন একাধিক চিকিৎসক। সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কায় এবার ডিউটির সাতদিন চিকিৎসকদের বাড়ি যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল রাজ্য় সরকার। 

লকডাউনে ছবি দেখে শিউরে উঠবেন আপনি, নিউটাউনের মাছ বাজারে 'শুধুই মাথা'.

তবে শুধু চিকিৎসকরাই নন, নার্স- স্বাস্থ্য়কর্মীদের জন্যও একই নিয়ম প্রযোজ্য। ডিউটির সাতদিন তারাও বাড়ি যেতে পারবেন না। করোনা সংক্রমণ রুখতেই এই ধরনের সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। এতে চিকিৎসক , স্বাস্থ্য়কর্মীদের মানসিক , শারীরিক চাপও লঘু হবে বলে ধারাণা রাজ্য়ের। ইতিমধ্য়েই নয়া নির্দেশিকা জারি হয়ে গিয়েছে। তবে বাড়িতে যেতে না পারলেও রাজ্য় সরকারি এই চিকিৎসক, নার্স , স্বাস্থ্য়কর্মীদের জন্য় থাকার ব্য়বস্থা করছে প্রশাসন।  

'নন্দীগ্রামে সিপিএমের মতো অবস্থা, করোনায় লাশ গায়েব করছে তৃণমূল'.

ইতিমধ্য়েই হাসপাতালের কাছে চিকিৎসক, নার্স স্বাস্থ্য়কর্মীদের থাকার ব্যবস্থা করেছে রাজ্য় সরকার। আগেই এই বিষয়ে জানিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। হাসপাতালের থাকার জায়গা বাদেও প্রয়োজনে গেস্ট হাউসের ব্য়বস্থা করা হচ্ছে। অতীতে করোনা যুদ্ধের কাণ্ডারিদের বিরুদ্ধেই নির্যাতনের অভিয়োগ উঠেছে। চিকিৎসর, নার্সরা করোনা চিকিৎসায় য়ুক্ত শুনেই বাড়িতে ঢোকা বন্ধ করেছেন বাড়িওয়ালা। এমনকী আবাসনেও এই বিশেষ সময়ে চিকিৎসককে আসতে বারণ করেছেন অন্যান্য় ফ্ল্যাটের মালিকরা। 

রাজ্য়ে সোমবার থেকে খুলছে সরকারি অফিস, কারা যাবেন কর্মস্থলে..

কলকাতার এই অমানবিক মুখ দেখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে চিকিৎসকদের একটি সংগঠন। জানা গিয়েছে, এরপরই চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়ায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। খোদ মুখ্য়মন্ত্রী জানিয়ে দেন, এই ধরনের কোনও ঘটনা সামনে এলে দ্রুত আইন মেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে জানা গিয়েছে, এই সময় বাড়িতে গিয়ে অনেকেই পরিবারের বিপদ বাড়াতে চাইছেন না। সেক্ষেত্রে হাসপাতালেই সংশ্লিষ্ট জায়গায় থাকতে চাইছেন স্বাস্থ্য়কর্মীরা।