শ্বশুর বাড়ি ছেড়ে এবার বাপের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন মা দুর্গা। পুজোর মেক আপ, প্যান্ডেল হপিং, ড্রেস, খাওয়া দাওয়া থেকে শুরু করে সমস্তই একেবারে ছকে ফেলা। তবে সারাদিন প্যান্ডেল হপিং-এর পরেও কিভাবে তরতাজা থাকবেন সে চিন্তা কি আদৌ করেছেন? না করলে এবার করা শুরু করুন। সারাদিন প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরলে তো ঘাম একটু ঝরবেই। তাই তারজন্য চাই দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী পারফিউম। কিভাবে আপনার পছন্দের পারফিউমকে দীর্ঘসময় টিকিয়ে রাখবেন চলুন দেখেনি তার কয়েকটি উপায়। 

কোথায় কোথায় পারফিউম লাগাবেন-

জামাকাপড়ে যতটা সম্ভব কম পারফিউম লাগান। আসলে এর দুটো কারণ রয়েছে। প্রথম হল জামাকাপড়ে পারফিউম লাগালে জামা কাপড়ে বিশ্রী দাগ হয়ে যায় এবং জামাকাপড় থেকে চট করে পারফিউম উবেও যায়। সেজন্য আন্ডার আর্মস ছাড়াও দুই হাতের কবজিতে পারফিউম লাগান। এছাড়াও কনুইয়ের পিছনের দিকে যেখানে আমরা হাত ভাঁজ করি এবং হাঁটুর পিছনে যেখানে আমরা পা ভাঁজ করি সেখানেও স্প্রে করে দিন পারফিউম। 

কোথায় পারফিউমের শিশি রাখলে তা দীর্ঘদিন থাকবে- 

পুজোর আগে ফ্রিজে রাখুন পারফিউমের শিশি। ঠাণ্ডা জায়গায় পারফিউমের শিশি থাকলে তার সুগন্ধ টিকে থাকবে অনেকদিন। 

পারফিউম কখন লাগানো উচিত - 

সবসময় মাথায় রাখতে হবে যে হালকা গরম জল ত্বকের ছিদ্র বড় করতে সাহায্য করে। তাই ওই পরিস্থিতিতে যে কোন প্রসাধনীই রোমকূপ দিয়ে ত্বকের ভিতরে চলে যায়। তাই সারাদিন তরতাজা থাকতে চাইলে হালকা গরম জলে স্নান করার পরেই পারফিউম লাগিয়ে নিন। যে কোনও স্নায়ুসন্ধিতে পারফিউম লাগালে তা অনেকক্ষণ থাকে। কারণ আমাদের শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় স্নায়ুসন্ধি অনেক বেশি গরম হয়। সে কারণেই কবজি, কনুই, হাঁটু এসব জায়গায় পারফিউম লাগানোর কথা আগেই বলা হয়েছে। 

চুলে গন্ধ হলে কি করবেন- 

চুলে কখনওই পারফিউম দেওয়া উচিত নয়। কারণ চুলে পারফিউম দিলে চুল শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই পারফিউমের বদলে চুলে সুগন্ধি তেল, শ্যাম্পু বা সিরাম ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও চিরুনিতে অল্প একটু পারফিউম স্প্রে করেও সেটা দিয়ে চুল আঁচরে নিতে পারেন।