আর কাল বিলম্ব না করে করোনাভাইরাসের জরুরি ভিত্তিতে করোনাভাইরাসের টিকা ব্যবহারের জন্য অনুমোদন চাইল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা মর্ডানা। সংস্থারটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে তাদের তৈরি করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক ছোঁয়াচে এই জীবাণুটির বিরুদ্ধে ৯৪.১ শতাংশ কার্যকারিতা দেখাতে পেরেছে। গুরুতর ক্ষেত্রে তাদের তৈরি প্রতিষেধকের সাফল্যের হার ১০০ শতাংশ বলেও দাবি করা হয়েছে। 

সংস্থারটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্বেচ্ছাসেবীদের দেওয়া ইনজেকশনের পর সমস্ত কিছু বিচার ও বিশ্লেষণ করেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানে হয়েছে যে তাদের তৈরি টিকা করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ইতিমধ্যেই গোটা বিশ্বে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে মহামারি রুখতে আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলিতে জরুরি ভিত্তিতে টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু করার প্রয়োজনীয় অনুমতিও চাওয়া হয়েছে। মডার্নার চিফ মেডিক্যাল অফিসার চিকিৎসক টাল জাকস জানিয়েছেন, তাঁদের তৈরি প্রতিষেধকটি অত্যান্ত কার্যকরী। আর সেটি প্রমাণ করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য তাদের হাতে রয়েছে। তিনি আরও বলেন তাঁরা মনে করেন এই প্রতিষেধকটি মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করে ঘুরে দাঁড়াতে গোটা বিশ্বকে সাহায্য করবে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে মার্কিন ব্রিটেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্টেরের নিয়মাক সংস্থার কাছ থেকে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইউরোপিয় মেডিসিন এজেন্সির সঙ্গে শর্তসাপেক্ষ বিপণনের অনুমোদনও চাওয়া হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পাওয়া যাবে বলেও জানান হয়েছে মডার্নার পক্ষ থেকে। ফাইজারের তুলনায় এটির বিতরণ সহজ হবে বলেও আশা করা হচ্ছে। কারণ এটি সাধারণ ফ্রিজে রেখে বিলি করা যাবে। আর ফাইজারের প্রতিষেধক সংরক্ষণের জন্য প্রবল ঠান্ডার প্রয়োজন। 

পরমাণু বিজ্ঞানীকে মারতে উপগ্রহের মাধ্যমে হামলা, ইজরায়েলকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাল ইরান ...

হত্যার হুমকি দিচ্ছে মেয়ে, জেনএনইউ-র ছাত্রনেত্রীর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযোগ আনলেন বাবা ...
সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল রানে ৩০ হাজার মানুষকে করোনা টিকা দেওয়া হয়েছিল। যারমধ্যে ১৯৬ জনই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন। তাদের মধ্যে ৩০জনই সুস্থ হয়ে হয়ে গেছে। পাশাপাশি তাদের টিকা ৯৪.১ শতাংশ কার্যকারিতা দেখাতে পেরেছে। এখনও পর্যন্ত ট্রায়াল রানে কোনও রকম বিরুপ প্রভাব দেখা যায়নি বলেও দাবি করা হয়েছে। ১৬ নভেম্বর দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল রানের সমীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করা শেষ হয়েছে বলেও জানান হয়েছে। চলতি বছরই মডার্না নতুন একটি সমীক্ষা চালাতে চায়। যারজন্য বেছে নেওয়া হয়েছে কিশোর কিশোরীদের। আগামী বছরের গোড়ার দিকে শিশুদের ওপরেও এই প্রতিষেধক প্রয়োগের চিন্তাভাবনা রয়েছে বলেও জানান হয়েছে সংস্থার তরফ থেকে।