মুখেই বলে যান জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণ করার কথা, প্রতিরোধ করার কথা। কিন্তু পাকিস্তানে লস্কর-ই-তৈবা বা জইশ-ই-মহম্মদ'এর মতো জঙ্গি সংগঠনগুলোকে দমন করতে প্রায় কিছুই করেনি ইমরান খান সরকার। বলা যেতে পারে গাছের গোড়ায় জল দেওয়ার মতো পরোক্ষে মদত দিয়ে গিয়েছে। আর তার ফলেই ভারত ও আফগানিস্তানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে পাকৃ-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলি হেলায় আক্রমণ চালানোর ক্ষমতা রাখে। জঙ্গিগুলির সক্ষমতা ও অভিপ্রায়ে কোনওরকম ছেদ ঘটাতে পারেনি ইমরান প্রশাসন। মার্কিন বিদেশ দপ্তরের সাম্প্রতিক রিপোর্টে এই কথাই বলা হয়েছে।

রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছে ২০১৮ সালের গবেষণার ভিত্তিতে। ২০০৮ সালে মুম্বই হামলার মতো বড় আক্রমণ ঘটিয়েছিল লস্কর-ই-তৈবা। তার আগে সংসদ ভবনে হামলা চালিয়েছিল জইশ জঙ্গিরা। ইমরান খান নির্বাচনের আগে পাকিস্তানে জঙ্গি দমনের প্রতশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ২০১৮-তেও এই দুই জঙ্গি গোষ্ঠীর পাকিস্তানে প্রভাব-প্রতিপত্তি বিন্দুমাত্র কমেনি বলে দাবি করা হয়েছে মার্কিন রিপোর্টে।

আগের মতোই টাকা তোলা, দলে নতুন লোক নিয়োগ করা, তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া চলছে। এমনকী জঙ্গিদের খোলাখুলি সমর্থক ব্যক্তিরা পাকিস্তানে নির্বাচনেও অংশ নিচ্ছেন। পাকিস্তানে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে মুখ খুললে সাধারণ নাগরিক, সাংবাদিক, সংখ্যালগু নেতাদের, নিরাপত্তাকর্মীদের, পুলিশ কর্মীদের নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। এমনকী স্কুল ছাত্রছাত্রীদেরও নিশানা করা হচ্ছে। ভারত যে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে পাক রেঞ্জারদের গোলা ছোড়ার অভিযোগ করে, তা একেবারে সত্যি বলে দাবি করা হয়েছে ওই রিপোর্টে।