আর কাল বিলম্ব না করে সরাসরি প্রস্তাব দিয়ে ফেললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্প। বুধবার ডোনাল্ট ট্রাম্প ট্যুইট করে জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যা সমাধানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়ে রাজি আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বেশ কয়েক দিন ধরেই লাদাখ ও সিকিম সীমান্ত ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ভারত ও চিনা সেনাদের মধ্যে। তবে এটাই প্রথম নয় এর আগে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত-পাকিস্তানের বিবাদ মেটাতে মধ্যস্থতা করার আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। তবে সেক্ষেত্রেও তাঁর আবেদন প্রত্যাক্ষাণ করা হয়েছিল। 

বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট সোস্যাল মিডিয়ায় মন্তব্য করেন, আমরা ভারত ও চিন উভয়দেশকেই জানিয়েছে যে আমেরিকা তাদের এখনকার ক্রম বর্ধিত সীমান্ত সমস্যা সমাধানের মধ্যস্থতা বা সালিশি করতে প্রস্তুত ও সক্ষম। পাশাপাশি তিনি ধন্যবাদও জানিয়েছেন। এর আগে অবস্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট  

এদিনই চিনের বিদেশ দফতরের মুখপাত্র জানিয়েছেন, চিনের বিদেশ দফতরের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান জানিছেন, সীমান্ত সম্পর্কিত চিনের অবস্থান সুস্পষ্ট ও ধারাবাহিক। দুই দেশের চুক্তির ওপর ভিত্তি করেই কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। তিনি চিনের রাষ্ট্রপতি সি জিংপিং ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আলোচনার কথা উল্লেখ করেছিলেন। পাশাপাশি সীমান্তে শান্তি ও প্রশান্তি বজায় রাখতে দুই দেশের সেনাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর ব্যবস্থা করার ওপরেও জোর দিয়েছেন। মঙ্গলবারই চিনের প্রেসিডেন্ট চিনের পিপিলস লিবারেশন আর্মির সঙ্গে বৈঠক করে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছিলেন। তবে হংকং, ভারত না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র- কার বিরোধিতা করা হবে তা অবশ্য স্পষ্ট করেননি। 

তবে বেশ কয়েক দিন ধরেই পূর্ব লাদাখ সীমান্ত যুদ্ধকালীন তৎপরতা শুরু করেছে চিনা সেনা। স্যাটেলাইটে ধরা পড়েছে সেই ছবিও। পাশাপাশি ভারতীয় সেনাদেরও উত্যক্ত করার ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় সেনাদের লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ার অভিযোগও উঠেছে। একই সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি লঙ্ঘন করে ভারতে প্রবেশের ঘটনাও ঘটেছে। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় করতে ভারতও তৎপরতা শুরু করেছে। সীমান্ত টহল বাড়িয়েছে। সব মিলিয়া ভারত চিন সীমান্ত উত্তেজনা ক্রমশই বাড়ছে।