জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার দ্রুত না কমালে গ্লোবাল সাউথের ১০ কোটিরও বেশি বাড়িঘর সমুদ্রের জলে ভেসে যেতে পারে। এর ফলে বহু উপকূলবর্তী জনপদ বড়সড় বিপদের মুখে পড়বে।
এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা স্যাটেলাইট ম্যাপ ও উচ্চতার ডেটা ব্যবহার করেছেন। এর মাধ্যমে আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার ঝুঁকিপূর্ণ বাড়িগুলো গণনা করা হয়েছে।
বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি ধীরগতির হলেও একে থামানো প্রায় অসম্ভব। জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ না করলে জলস্তর বেশ কয়েক মিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।
কার্বন নিঃসরণ কমানো গেলেও সমুদ্রের জলস্তর ০.৫ মিটার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলেই নিচু উপকূলবর্তী এলাকার প্রায় ৩০ লক্ষ বাড়ি প্লাবিত হতে পারে।
আগামী কয়েকশো বছরে সমুদ্রের জলস্তর যদি পাঁচ মিটার বা তার বেশি বাড়ে, তবে ১০ কোটিরও বেশি বাড়ি নিয়মিত প্লাবিত হবে। এর ফলে বিশাল ক্ষয়ক্ষতি হবে।
ঝুঁকিপূর্ণ বাড়িগুলোর বেশিরভাগই ঘনবসতিপূর্ণ এবং নিচু এলাকায় অবস্থিত। এর মধ্যে বন্দর, কারখানা এবং ঐতিহাসিক স্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোও রয়েছে।
কিছু উপকূলবর্তী দেশ অন্যদের চেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এর কারণ হলো স্থানীয় ভূমির গঠন এবং মানুষ কোথায় বাড়ি ও ব্যবসা তৈরি করেছে, তার ওপর বিপদ নির্ভর করে।
এই গবেষণা নগর পরিকল্পনাবিদ এবং সরকারগুলোকে প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে। কোন এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে, তা এই গবেষণায় স্পষ্ট দেখানো হয়েছে।
সমুদ্রের জলস্তর বাড়লে তার প্রভাব সকলের উপর পড়বে, যারা উপকূল থেকে দূরে থাকেন তাদের উপরও। কারণ এর ফলে বন্দরগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যা বিশ্বজুড়ে খাদ্য, জ্বালানি এবং পণ্য সরবরাহ করে।
গবেষণাটিতে একটি পাবলিক ম্যাপ টুলের কথা বলা হয়েছে। এটি বিভিন্ন সম্প্রদায়কে রক্ষামূলক ব্যবস্থা নিতে, জমির ব্যবহার বদলাতে বা প্লাবিত এলাকা থেকে আগেভাগে সরে যাওয়া
বিস্তারিত পড়ুন Phys.org-এ। গবেষণাটি npj Urban Sustainability জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।