পেঁপেতে প্যাপেইন নামক একটি বিশেষ উৎসেচক থাকে। এটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে এবং ব্রণের সমস্যা কমাতে দারুণ কাজ করে।
Image credits: Getty
Bangla
সাইট্রাস ফল
কমলালেবু ও অন্যান্য সাইট্রাস জাতীয় ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। এটি নিস্তেজ ত্বকে উজ্জ্বলতা আনে এবং কালো দাগ ছোপ কমায়।
Image credits: Getty
Bangla
পেয়ারা
কমলালেবুর চেয়েও বেশি ভিটামিন সি থাকে পেয়ারায়। এটি ত্বকের ইলাস্টিসিটি বা স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায় এবং অকাল বার্ধক্য রোধ করতে সাহায্য করে।
Image credits: Getty
Bangla
বেদানা
বেদানায় প্রচুর পরিমাণে পিউনিক্যালাজিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এগুলো ত্বককে টানটান রাখে এবং ভেতর থেকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
Image credits: Getty
Bangla
বেরি জাতীয় ফল
ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি এবং ব্ল্যাকবেরির মতো ফলে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্থোসায়ানিন থাকে। এগুলো অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে ত্বককে রক্ষা করে।
Image credits: Getty
Bangla
কিউই
কিউই ফল ভিটামিন সি, ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এটি পরিবেশ দূষণের কারণে ত্বকের যে ক্ষতি হয়, তা নিরাময় করতে সাহায্য করে।
Image credits: Getty
Bangla
অ্যাভোকাডো
অ্যাভোকাডোতে স্বাস্থ্যকর মোনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ভিটামিন ই থাকে। এটি শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বককে গভীরভাবে পুষ্টি জোগায়।
Image credits: Getty
Bangla
তরমুজ
তরমুজে ৯২ শতাংশ জল এবং লাইকোপেন থাকে। এটি ত্বককে গভীরভাবে হাইড্রেটেড রাখে এবং ত্বকের জ্বালা বা অস্বস্তি দূর করতে সাহায্য করে।
Image credits: Getty
Bangla
আম
নিয়মিত আম খেলে ত্বকে একটি স্বাস্থ্যকর উজ্জ্বলতা আসে। আমে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি থাকে।
Image credits: Getty
Bangla
কলা
কলায় থাকা পটাশিয়াম এবং ভিটামিন বি৬ ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে। এটি শুষ্ক ও সংবেদনশীল ত্বককে নরম ও কোমল করতে সাহায্য করে।