ফ্যাটি লিভারের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। জীবনযাত্রায় সামান্য কিছু বদল আনলেই এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। রইল তেমনই ৮টি অভ্যাসের হদিশ।
মিষ্টি, প্যাকেটজাত ফলের রস, এমনকী অনেক স্ন্যাকসেও প্রচুর লুকোনো চিনি থাকে। এই অতিরিক্ত চিনি লিভারে ফ্যাট জমতে সাহায্য করে।
প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা ব্যায়াম করুন। দ্রুত হাঁটা, যোগাসন বা পছন্দের যে কোনও ব্যায়াম ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখে লিভারকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
রান্নায় পরিমিত পরিমাণে সর্ষের তেল বা অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন। একবার ব্যবহার করা তেল বারবার গরম করে রান্নায় দেবেন না। এটি লিভারের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
ওটস, ডাল, সবুজ শাকসবজি ও ফল বেশি করে খান। ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে, যা লিভারের জন্য উপকারী।
সারাদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন। জল শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বা টক্সিন বের করে দেয় এবং পুষ্টি শোষণ করতে সাহায্য করে।
অতিরিক্ত মদ্যপান ফ্যাটি লিভারের অন্যতম প্রধান কারণ। তাই লিভারকে সুস্থ রাখতে মদ্যপান সীমিত করুন বা পুরোপুরি ছেড়ে দিন। এতে লিভার দ্রুত সেরে ওঠে।
ঘুমের অভাব মেটাবলিজম বা বিপাকক্রিয়ায় সমস্যা তৈরি করে, যার ফলে লিভারে ফ্যাট জমতে পারে। প্রতিদিন অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ বা স্ট্রেস হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং মেটাবলিজমের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। এর ফলে লিভারের স্বাস্থ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
Glowing Skin: ডায়েটে রাখুন এই খাবারগুলি, ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও সতেজ
Weight Loss: গ্রিন টি না ব্ল্যাক কফি, ওজন কমাতে কোনটা বেশি কার্যকর?
Early Periods: খেজুর খেলে কি সত্যিই পিরিয়ড আগে হয়? জেনে নিন কী বলছে গবেষণা
Fatty Liver: ফ্যাটি লিভার রোগের এই লক্ষণগুলি অবহেলা করছেন না তো?