শৈলপুত্রীর আরাধনার এই দিনে কমলা রঙের শাড়ি পরুন। অনুপমা গৌড়ার এই কমলা ও গোলাপি পাড়ের শাড়িটি উৎসবের জন্য একদম পারফেক্ট।
দ্বিতীয় দিনে দেবী ব্রহ্মচারিণীর পুজো হয়। এদিন সাদা শাড়ি পরতে পারেন। অনুপমার মতো পাড় ও আঁচলে ফ্লোরাল ওয়ার্ক করা শাড়ি দারুণ মানাবে।
তৃতীয় দিনে দেবী চন্দ্রঘণ্টার পুজো করা হয়। এদিন লাল রঙের শাড়ি পরুন। পুরো গায়ে জরি দেওয়া এই হালকা ওজনের লাল শাড়ি উৎসবের আমেজ আরও বাড়িয়ে দেবে।
চতুর্থ দিনে দেবী কুষ্মাণ্ডার আরাধনা করা হয়। এই দিনের রং নীল। চওড়া পাড়ের ভারী শাড়ি ও ফুল স্লিভ ব্লাউজ আপনাকে একটি রয়্যাল লুক দিতে সাহায্য করবে।
পঞ্চম দিনে দেবী স্কন্দমাতার পুজো হয়। এই দিনের রং হলুদ। অনুপমার পরা গোলাপি পাড়ের এই হলুদ শাড়িটি দারুণ একটি ভিন্টেজ লুক দিচ্ছে।
ষষ্ঠ দিনে দেবী কাত্যায়নীর পুজো করা হয়। এই দিনের রং সবুজ। হালকা সবুজ রঙের সঙ্গে গাঢ় সবুজ আঁচলের এই মাইসোর ক্রেপ শাড়িটি দেখতে ভীষণ সুন্দর।
নবরাত্রির সপ্তম দিনে দেবী কালরাত্রির পুজো হয়। এই দিনের রং ধূসর। এদিন শাড়ির বদলে অনুপমার মতো ধূসর ও কালো রঙের সুন্দর লেহেঙ্গা বা হাফ-শাড়ি পরতে পারেন।
নবরাত্রির অষ্টম দিনটি দেবী মহাগৌরীর। এই দিনের রং বেগুনি। রুপোলি পাড়ের এই বেগুনি কটন সিল্ক শাড়িটি উৎসবের দিনে বেশ আরামদায়ক হবে।
নবরাত্রির শেষ দিনে দেবী সিদ্ধিদাত্রীর পুজো করা হয়। এই দিনের রং ময়ূরকণ্ঠী সবুজ। অনুপমার পরা এই শাড়িটি উৎসবের আনন্দ দ্বিগুণ করে তুলবে।