হাজারো উন্নয়নেও সমাজের দাগ মোছা যাচ্ছে না। প্রতিদিন নারী নির্যাতনের বলি হচ্ছেন কোনও মহিলা। ডুমুরতলা দুর্গাপুজোয় তাই দেবী দুর্গাকে দুর্গতিনাশিনী হিসেবেই পেতে চায় পুজো কমিটি।

৫০ পেরিয়ে ইতিমধ্যেই ৫২তে পা দিয়েছে পশ্চিম বর্ধমানের ডুমুরতলার পুজো। পঞ্চাশ পেরোনোয় পুজোর ওজন বেড়েছে। তাই বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে বাজেটও বেড়েছে পুজোর। দুর্গা  দুর্গতিনাশিনীর ভাবনাতেই তৈরি হয়েছে পুজোর মডেল। সোমনাথ অধিকারীর তত্ত্বাবধানে রূপ পাবে পুরো ভাবনা। মায়ের প্রতিমার দায়িত্ব নিজের কাধেই সামলেছেন সোমনাথবাবু। তবে মণ্ডপ সজ্জায় হাত লাগিয়েছেন কালিয়া সিং।

পুজোর উদ্য়োক্তারা জানিয়েছেন, এবার তাঁদের পুজোর বাজেট ২০ লক্ষ। ইতিমধ্য়েই প্রায় অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে মণ্ডপের কাজ। প্রশ্ন জাগে,কেন এই থিম বাছলেন পুজোর উদ্য়োক্তারা। পুজো কমিটির মতে, সুজলা সুফলা দেশে নিত্য  নারী নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বহু মহিলা। হামলাকারীদের হামলা থেকে বাদ পড়ছে না কন্যাশিশুরাও। যে দেশকে ভারতমাতা বলেন সম্বোধন করা হয় , সেই দেশেই ধর্ষণ, নারী পাচার ,কন্য়া ভ্রূণ হত্য়ার মতো ঘটনা ঘটে চলেছে।  সেকারণে দেবীকে এবার মণ্ডপে দুর্গতিনাশিনী রূপেই পেতে চান তাঁরা।