রূপনারায়ণে নৌকাডুবি নিয়ে এবার পাল্টা শুভেন্দু অধিকারীকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন এলাকার বাসিন্দারা। এলাকাবাসীদের অভিযোগ,দনিপুরের ফেরিঘাট বেআইনি হলে এতদিন বন্ধ করেননি কেন মন্ত্রী। গতকালই রূপনারায়ণ নদে নৌকাডুবিতে তলিয়ে যায় ৪০ জন যাত্রী। পরে পরিবহণ মন্ত্রী জানান, বেশিরভাগ যাত্রীদের উদ্ধার করা গেছে। 

সোমবার নৌকাডুবির ঘটনায়  পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, দনিপুরের ফেরি ঘাটটি বেআইনি ভাবে চলছে। তা নিয়ে ক্ষোভ জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের বক্তব্য, এই খেয়া ঘাটের ডাক হয় অমৃতবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে। দুর্ঘটনা ঘটতেই ঘাট বেআইনি বলছেন মন্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে এই ঘাটে চলছে পারাপার।  মাইকে প্রচার করে ডাক হয় এই ঘাটের। ঘাটে কিংবা নৌকায় নিরাপত্তার কোনও ব্যবস্থা নেই। খেয়া পারাপারের নজরদারির জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাখা হয়েছে জলসাথী সিভিক ভলান্টিয়ার। প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মায়াচর থেকে মহিষাদল পর্যন্ত রূপনারায়ণ নদে চলে পারাপার। যদি ঘাটটি বেআইনি হয়, তাহলে এতদিন শুভেন্দুবাবু তা বন্ধের ব্যবস্থা করেননি কেন ? কেনই বা গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ডাক দিয়ে চলে ফেরি সার্ভিস। দুর্ঘটনার পর টনক নড়েছে প্রশাসনের নাকি নিজেদের গাফিলতি চাপার চেষ্টা। সেটাই প্রশ্ন এখন স্থানীয় বাসিন্দাদের।

গতকালই রূপনারায়ণে ভয়াবহ নৌকাডুবির পর মুখ খোলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বেআইনি ঘাঁটে যাত্রী পারাবার হচ্ছিল বলেই এই অবস্থা বলেন পরিবহণ মন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন,  বৈধ ঘাঁটের সংখ্যা চিহ্ণিত করেছে রাজ্য সরকার। তা সত্ত্বেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন যাত্রীরা। যার ফলে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে।  পাশাপাশি তিনি বলেন, জলে পারাপার নিয়ে যাত্রীদেরও সচেতন হওয়া উচিত। প্রাশসনকে মাঝি লক্ষ্মণ পালের নামে এফআইআর করতে বলা হয়েছে। অনেকদিন আগেই ওই ঘাঁটটা বন্ধ করতে বলেছিলাম। ইতিমধ্যেই ৩৪ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা গেছে। ওনাদের আঘাত রয়েছে। অল্প কিছু সংখ্যক লোককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।