
EDEN Group: যেখানে শৈশব পায় নিজের মতো করে বড় হওয়ার স্বাধীনতা। শেষ কবে আপনার সন্তান খেলাধুলা করে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছিল, স্ক্রিন দেখে নয়? আজকের অনেক বাবা-মায়ের কাছেই এই প্রশ্নটা গভীরভাবে অনুভূতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। আজকের শিশুদের হাতে আছে গ্যাজেট, স্ট্রিমিং অ্যাপ, আর ঘরের ভেতরের অসংখ্য বিনোদনের সুযোগ। কিন্তু নিরাপদে দৌড়ে খেলার খোলা জায়গা কমে যাচ্ছে, পাড়ার বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা কমছে। আর বাইরের মাঠে কাটানো সন্ধ্যাগুলো যেন হারিয়ে যাচ্ছে। সেই শূন্যস্থান এখন ভরাট করছে অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম।
আর এই পরিবর্তন শুধু অভ্যাস বদলায় না — বদলে দেয় শৈশবকেই। নতুন প্রজন্মের বাবা- মায়েরা প্রতিদিন এই টানাপোড়েন অনুভব করেন। যারা পরিবার গড়ার পরিকল্পনা করছেন, তারাও সন্তান আসার আগেই ভাবতে শুরু করেন। প্রশ্নটা এখন আর শুধু “কোথায় থাকব?” নয়। বরং —“এই জায়গাটা আমার সন্তানকে কেমন শৈশব দেবে?”
রাজপুরে অবস্থিত 'Eden Group' ইডেন রূপকথা একটি রূপকথার অনুপ্রেরণায় তৈরি আবাসন, যেখানে পরিকল্পনার কেন্দ্রে রাখা হয়েছে খোলা সবুজ পরিবেশ, সক্রিয় জীবনযাপন এবং শিশুদের স্বাভাবিক স্বাধীনতা।
এখানে রয়েছে বিস্তীর্ণ সবুজ খোলা জায়গা, যেখানে শিশুরা মুক্তভাবে দৌড়াতে পারে — যা আজকের শহুরে জীবনে ক্রমশ বিরল হয়ে উঠছে। রুফটপ স্কেটিং রিঙ্ক শিশুদের শেখায় ভারসাম্য, সাহস এবং আত্মবিশ্বাস। হপস্কচ জোন ফিরিয়ে আনে হাসি আর প্রাণবন্ত সন্ধ্যা। রুফটপ সুইমিং পুল স্বাস্থ্যকর অভ্যাসকে শিশুদের কাছে আনন্দের অংশ করে তোলে।
ট্রি হাউস কখনও হয়ে ওঠে দুর্গ, কখনও মহাকাশযান — কল্পনার সীমা যেখানে নেই। আর শিশুদের খেলার জায়গা হয়ে ওঠে প্রথম বন্ধুত্ব, প্রথম দলগত শেখা আর প্রথম নিজের মতো করে মিশে যাওয়ার গল্প। এগুলো সবই ২০টিরও বেশি যত্নসহকারে পরিকল্পিত সুযোগ- সুবিধার অংশ, যার মূল ভাবনা একটাই — শিশুদের শুধু থাকার ঘর নয়, বড় হওয়ার জন্য প্রয়োজন খোলা জায়গা। আপনার সন্তানের স্বপ্নের শৈশব শুরু হয় সঠিক বাড়ি বেছে নেওয়ার মধ্য দিয়ে আজকের অনেক শিশু অন্য শিশুদের চেয়ে বড়দের সঙ্গেই বেশি সময় কাটায়। ইডেন রূপকথার কমিউনিটি লিভিং সেই চিত্র বদলে দেয়। এখানে একসঙ্গে থাকার পরিবেশ শিশুদের স্বাভাবিকভাবেই কাছাকাছি আনে, তৈরি করে আত্মবিশ্বাস, সহমর্মিতা, যোগাযোগের দক্ষতা এবং দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব।
কলকাতার রিয়েল এস্টেট জগতে বিশ্বস্ত নাম ইডেন গ্রুপের এই প্রকল্প শুধু ফ্ল্যাট হস্তান্তরের কথা ভাবে না — ভাবে আগামী দিনের অভিভাবকত্বের পথচলার কথা।ৃকারণ শৈশব অপেক্ষা করে না। আপনার পরবর্তী বাড়ি বেছে নেওয়ার আগে নিজেকে শুধু একটি প্রশ্ন করুন এই জায়গাটি কি সত্যিই আমার সন্তানের বেড়ে ওঠায় সাহায্য করবে?
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।