
Dream Job: ভালো চাকরি পাওয়া এমনিতেই কঠিন। আর নিজের পছন্দের কাজ খুঁজে পাওয়া তো আরও শক্ত। অনেক সময় 'ড্রিম জব' বা স্বপ্নের চাকরি পাওয়াটা প্রায় অসম্ভব মনে হয়। প্রথম বেতন পাওয়ার অনেক আগে থেকেই অল্পবয়সিদের ওপর চাপ তৈরি হয়। তাদের বলা হয় সঠিক কেরিয়ার বাছতে, নিজের প্যাশনকে ফলো করতে আর এমন কাজ খুঁজতে যা জীবনে একটা মানে তৈরি করবে।
সোশ্যাল মিডিয়া দেখে মনে হয় কাজটা খুব সোজা। কেউ হয়তো নিজের শখকেই পেশা বানিয়ে ফেলেছেন আর প্রতিটা মুহূর্ত চুটিয়ে উপভোগ করছেন। কিন্তু বাস্তব জীবন এতটা সহজ নয়। স্বপ্ন পূরণের আগে অনেক সময় শুধু সংসার চালানোর জন্যই একটা চাকরি দরকার হয়। আবার যে কাজটা আপনি মন থেকে চেয়েছিলেন, সেটাই হয়তো একসময় একঘেয়ে লাগতে শুরু করে। আর অনেক সময় সব কিছু ঠিকঠাক করার পরও আপনি বুঝতে পারেন না জীবনে আসলে কী চান।
বছরের পর বছর ধরে আমাদের একটাই কথা বলা হয়েছে, 'পছন্দের কাজ খুঁজে নাও, তাহলে আর জীবনে একদিনও খাটতে হবে না'। কথাটা শুনতে দারুণ লাগলেও, সমস্যাটা ঠিক এখানেই।
'ড্রিম জব'-এর ধারণা মানুষকে বিশ্বাস করায় যে, কোথাও না কোথাও তাদের জন্য একটা পারফেক্ট কেরিয়ার অপেক্ষা করছে। সেটা পেয়ে গেলে টাকা, উদ্দেশ্য, পরিচয়, আনন্দ আর সাফল্য—সব কিছু এমনিতেই হাতের মুঠোয় চলে আসবে।
কিন্তু এমন কোনও চাকরি যদি সত্যিই না থাকে?
অথবা চাকরিটা পাওয়ার পর যদি বোঝেন যে কাজটা আর আপনার ভালো লাগছে না?
সত্যিটা হলো, মানুষ বদলায়। তাদের অগ্রাধিকার, শখ আর দায়িত্বও সময়ের সঙ্গে পাল্টায়। ২২ বছর বয়সে যে ছেলে বা মেয়েটি সাংবাদিক, ডিজাইনার, আইনজীবী বা উদ্যোগপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখছে, দশ বছর পর সে হয়তো সম্পূর্ণ অন্য কিছু চাইতে পারে। এর মানে এই নয় যে সে ব্যর্থ। এর মানে হলো সে জীবনে আরও পরিণত হয়েছে।
প্যাশন থাকলে কাজটা অনেক বেশি উপভোগ করা যায়। মানুষ যখন নিজের কাজকে ভালোবাসে, তখন সে আরও বেশি মোটিভেটেড, ক্রিয়েটিভ আর কাজের প্রতি নিবেদিত হয়।
কিন্তু এই প্যাশনের সুযোগ নিয়েই অনেক সময় কোম্পানিগুলো কর্মীদের ওপর বাড়তি চাপ চাপিয়ে দেয়।
মনোবিজ্ঞানী অ্যারন কে এবং তাঁর সহকর্মীরা একটি গবেষণায় দেখেছেন, যে কর্মীরা কাজের প্রতি বেশি প্যাশনেট, মানুষ তাদের কীভাবে দেখে। গবেষণার ফল বলছে, কোনও কর্মী নিজের কাজকে সত্যিই ভালোবাসেন জানলে, তাঁর ওপর বাড়তি কাজের চাপ দেওয়াটা অনেকেই স্বাভাবিক বলে ধরে নেন।
এর মানে হলো, ওভারটাইমের টাকা না দিয়েই বেশি রাত পর্যন্ত কাজ করানো, কাজের বাইরে অন্য দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া বা ছুটির দিনগুলোও কেড়ে নেওয়া। কারণ ধরে নেওয়া হয়, কাজটা করেই তো সে আনন্দ পাচ্ছে!
যেসব ইন্ডাস্ট্রিতে প্যাশন থাকাটা প্রায় বাধ্যতামূলক, সেখানে এই ব্যাপারটা বেশি দেখা যায়। মিডিয়া, ফ্যাশন, বিনোদন, বিজ্ঞাপন আর শিল্পকলা—এই ক্ষেত্রগুলোতে প্রায়ই বলা হয় যে, এখানে কাজ করার সুযোগ পাওয়াটাই একটা বড় ব্যাপার।
কিন্তু শুধু প্যাশন দিয়ে তো আর বাড়িভাড়া মেটানো যায় না।
একজন মানুষ সাংবাদিকতা ভালোবাসলেও তাঁর নির্দিষ্ট কাজের সময় দরকার। একজন শিল্পী নিজের শিল্পকে ভালোবাসলেও তাঁর আর্থিক নিরাপত্তা প্রয়োজন। একজন শিক্ষক পড়ুয়াদের সাহায্য করতে ভালোবাসলেও, তিনি নিশ্চয়ই চাইবেন না তাঁর গোটা জীবনটা শুধু স্কুল ঘিরেই কেটে যাক।
নিজের কাজকে ভালোবাসার মানে এই নয় যে, আপনি সব অন্যায় মেনে নেবেন।
আরেকটা বড় সমস্যা শুরু হয় যখন কারও চাকরিটাই তার একমাত্র পরিচয় হয়ে দাঁড়ায়।
কাউকে যদি জিজ্ঞেস করেন তিনি কে, বেশিরভাগ সময়ই উত্তর আসে পেশা দিয়ে—'আমি একজন ডাক্তার', 'আমি একজন সাংবাদিক', 'আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার' বা 'আমি একজন ডিজাইনার'!
নিজের পেশা নিয়ে গর্ব করায় কোনও ভুল নেই। কিন্তু পেশার বাইরে নিজের আর কোনও অস্তিত্ব না থাকলেই সমস্যা শুরু হয়। একবার ভেবে দেখুন তো: 'আপনি কে?'—এই প্রশ্নের আসল উত্তর কী হতে পারে (একবারের জন্য নিজের পেশার কথা মাথা থেকে সরিয়ে রাখুন)।
কেরিয়ার কখনও এক জায়গায় থেমে থাকে না। কেরিয়ার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে হওয়া গবেষণায় দেখা গেছে, পেশাগত পরিচয় সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তৈরি হয়। মানুষ নতুন নতুন শখ খুঁজে পায়, ব্যর্থতার মুখে পড়ে, পরিবারের দায়িত্ব নেয়, আর অনেক সময় একই কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে ওঠে।
২২ বছর বয়সে আপনি যেমন ছিলেন, ৪২ বছর বয়সেও আপনাকে ঠিক তেমনই থাকতে হবে, তার কোনও মানে নেই।
নিজের পরিচয়টা একটু ফ্লেক্সিবল রাখলে এই বদলগুলো মেনে নেওয়া সহজ হয়। আপনার গোটা অস্তিত্ব যদি শুধু একটা চাকরির পদের ওপর নির্ভর করে, তাহলে সেই চাকরি চলে গেলে বা ছাড়তে চাইলে মনে হবে যেন নিজের একটা অংশ হারিয়ে ফেললেন।
কিন্তু কাজ যদি আপনার জীবনের একটা অংশ মাত্র হয়, তাহলে কেরিয়ার বদলানোটা আর ততটা ভয়ের মনে হবে না।
আপনি একজন প্রফেশনাল হওয়ার পাশাপাশি একজন বাবা বা মা, একজন বন্ধু, একজন পাঠক, একজন পর্যটক, একজন গায়ক, একজন সমাজকর্মী বা এমন কেউ হতে পারেন যিনি বাড়িতে শান্তিতে সন্ধে কাটাতে ভালোবাসেন। আপনার চাকরিটা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সেটাই আপনার গোটা অস্তিত্বের একমাত্র কারণ হতে পারে না।
নিজের ভালোবাসার জিনিসকে কেরিয়ার বানানোর মধ্যে আরেকটা অদ্ভুত সমস্যা আছে। অনেক সময় যে কাজটা আপনি ভালোবাসতেন, সেটাই আর নিজের বলে মনে হয় না।
এমন একটা শখের কথা ভাবুন যা একসময় আপনাকে রিল্যাক্স করতে সাহায্য করত। আপনি নিজের ইচ্ছেমতো ছবি আঁকতেন, নতুন কিছু ট্রাই করতে ইচ্ছে হলে রান্না করতেন, অনুপ্রেরণা পেলে লিখতেন বা স্রেফ ভালো লাগত বলেই ছবি তুলতেন।
এবার ভাবুন তো, ক্লায়েন্টদের জন্য ঠিক এই কাজগুলোই আপনাকে করতে হচ্ছে।
এখন আপনার সামনে ডেডলাইন আছে। বারবার কাজ বদলানোর চাপ আছে। টার্গেট আছে। ফিডব্যাক আছে। আর সবচেয়ে বড় কথা, আপনাকে বিল মেটাতে হবে।
কাজটা একই থাকলেও, সেটা করার কারণটা কিন্তু পুরোপুরি বদলে গেছে।
বার্নআউট বা কাজের ক্লান্তি নিয়ে হওয়া গবেষণায় বারবার দেখা গেছে, একটানা চাপ আর মানসিক ক্লান্তি কতটা বিপজ্জনক হতে পারে। কাজটাই যখন আপনার প্যাশন হয়, তখন একটা খারাপ দিন আপনাকে মানসিকভাবে অনেক বেশি বিধ্বস্ত করে দেয়। আপনি হয়তো ভাবতে শুরু করেন যে, আপনার ট্যালেন্ট, উৎসাহ বা নিজের পরিচয়টাই বুঝি হারিয়ে গেছে।
আসলে আপনি কিছুই হারাননি। আপনি শুধু ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।
নতুন প্রজন্মের কর্মীরা এখন কেরিয়ারে সাফল্যের পুরনো সংজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
কয়েক দশক ধরে সাফল্য মানেই ছিল ধাপে ধাপে ওপরে ওঠা: একটা ভালো চাকরি পাওয়া, বেশি টাকা রোজগার করা, ম্যানেজার হওয়া, প্রমোশন পাওয়া আর ক্রমাগত উন্নতির দিকে এগিয়ে যাওয়া।
কিন্তু এখনকার কর্মীরা অন্য কিছু চাইছেন।
২০২৫ সালের ডেলয়েট-এর জেন-জি এবং মিলেনিয়ালদের নিয়ে করা একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, তাদের প্রধান অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে আর্থিক স্থিরতা এবং ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স। এর পাশাপাশি তারা নতুন কিছু শেখা, উন্নতি করা এবং অর্থপূর্ণ কাজ করার সুযোগও খুঁজছেন।
এর মানে এই নয় যে নতুন প্রজন্মের কর্মীদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা কম। বরং বলা যায়, উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে তাদের চিন্তাভাবনা এখন অনেক বেশি বিস্তৃত।
একটা ভালো কেরিয়ার মানে এমন রোজগার, যা দিয়ে আরামে জীবন কাটানো যায় আর পরিবারের জন্যও সময় বের করা যায়। এর মানে হলো সন্ধেগুলো নিজের মতো করে কাটানো। এর মানে হলো ঘুরতে যাওয়া, নিজের শখ পূরণ করা বা কাজ শেষে অফিস থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া।
মনে রাখবেন, এমন কোনও নিয়ম নেই যে ঘরের সবচেয়ে সফল মানুষটারই সবচেয়ে বড় পদবি থাকতে হবে।
কেরিয়ার কোচ এমিলি ডারহাম কাজের ক্ষেত্রে মানুষের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ চাহিদার কথা বলেছেন: ভ্যালিডেশন, উদ্দেশ্য এবং লাইফস্টাইল। আমরা চাই কাজের জায়গায় আমাদের গুরুত্ব দেওয়া হোক, আমাদের কাজটার একটা মানে থাকুক আর আমরা যেন নিজেদের পছন্দের জীবন কাটানোর মতো যথেষ্ট রোজগার করতে পারি।
আর এসবের পরেও যদি মনে হয় কিছু একটা কম পড়ছে, তাহলে অফিসের পলিটিক্স সামলাতে মাঝে মাঝে একটু 'পিআর ক্যাম্পেন'-ও দরকার হয়।
আসল কথা হলো, একটা চাকরি থেকেই যে এই তিনটে জিনিস পেতে হবে, তার কোনও মানে নেই।
কেরিয়ার নিয়ে ভাবার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো, পারফেক্ট চাকরির খোঁজ একটু কমিয়ে বরং এমন স্কিল তৈরির দিকে মন দেওয়া যা সব জায়গায় কাজে লাগবে।
ধরুন, কেউ ঠিক করেছেন তিনি মার্কেটিং ডিরেক্টর হবেন। তার মানে তাঁর কেরিয়ারের পরিচয়টা শুধু একটা নির্দিষ্ট পদের সঙ্গেই আটকে গেল।
এবার এমন একজনের কথা ভাবুন, যিনি লেখালেখি, ডেটা অ্যানালিসিস, যোগাযোগ, রিসার্চ আর প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টে দারুণ দক্ষ হতে চান।
দ্বিতীয় মানুষটির কাছে কিন্তু এগিয়ে যাওয়ার অনেক বেশি রাস্তা খোলা আছে।
এই স্কিলগুলো মার্কেটিং, মিডিয়া, টেকনোলজি, শিক্ষা, কনসাল্টিং বা অন্য যে কোনও ইন্ডাস্ট্রিতে কাজে লাগতে পারে। যদি কখনও তাঁর আগ্রহ বদলে যায়, তাহলেও তিনি শূন্য থেকে শুরু করার ভয় ছাড়াই নিজের কাজের ক্ষেত্র বদলাতে পারবেন।
প্রযুক্তি আর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যেভাবে কাজের জায়গা বদলে দিচ্ছে, তাতে এই স্কিলগুলো আরও বেশি জরুরি হয়ে পড়েছে। চাকরির পদ হয়তো হারিয়ে যেতে পারে বা বদলে যেতে পারে, কিন্তু কাজের স্কিলগুলো সব জায়গাতেই দামি হয়ে থাকবে।
তাই শুধু একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে না ছুটে, নতুন কিছু শেখার ওপর ভিত্তি করে কেরিয়ার গড়লে সেটা অনেক বেশি টেকসই হয়।
আমরা হয়তো সবচেয়ে বড় ভুলটা করি একটা চাকরির কাছে অনেক বেশি কিছু আশা করে।
আমরা চাই চাকরিটা আমাদের টাকা, উদ্দেশ্য, পরিচয়, স্ট্যাটাস, উত্তেজনা, নিরাপত্তা, বন্ধুত্ব আর আনন্দ—সব কিছু একসঙ্গে দিক।
যে কোনও চাকরির ওপর এটা বড্ড বেশি চাপ।
আপনার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য না হয়েও একটা কেরিয়ার অর্থপূর্ণ হতে পারে। আপনার প্যাশন না হয়েও সেটা আপনাকে আর্থিক নিরাপত্তা দিতে পারে। জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস না হয়েও কাজটা বেশ ইন্টারেস্টিং হতে পারে।
আর হ্যাঁ, কেরিয়ার বদলাতেও পারে।
একটা পারফেক্ট চাকরি খুঁজে সেখানে সারাজীবন কাটিয়ে দেওয়াই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না। বরং এমন একটা কেরিয়ার তৈরি করা অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর, যা আপনাকে জীবনের বাকি সময়টা ভালোভাবে কাটানোর জন্য যথেষ্ট স্থিরতা, অর্থ আর স্বাধীনতা দেবে।
আপনার চাকরিটা জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে, কিন্তু সেটাই আপনার গোটা জীবন নয়।
অনেক সময় সবচেয়ে আনন্দের কেরিয়ার সেটা নয়, যা দেখে আপনি বলবেন, "ভাবতেই পারছি না এই কাজটা করার জন্য আমি টাকা পাচ্ছি!"
বরং সেটাই সেরা কেরিয়ার, যা আপনাকে রোজগার করতে দেয়, নতুন কিছু শিখতে সাহায্য করে, আপনার ব্যক্তিগত সময়কে সুরক্ষিত রাখে আর কাজ শেষে নিজের জন্য কিছুটা সময় বাঁচিয়ে রাখে।
সবাই যে আগে থেকেই জানে তারা জীবনে কী চায়, এমনটা নয়। আর এটা একেবারেই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার।
অনেক সময় কেরিয়ারের সেরা উপদেশটা কোনও পার্সোনালিটি টেস্ট বা মোটিভেশনাল কোট থেকে আসে না। বরং এমন কারও সঙ্গে কথা বলে আসে, যিনি আগে ভুল করেছেন, নিজের কাজের ক্ষেত্র বদলেছেন বা আপনি যে কাজটা করতে চাইছেন সেটা তিনি আগেই করে দেখেছেন।
মেন্টররা মানুষকে তাদের সামনের রাস্তাগুলো বুঝতে সাহায্য করেন। তাঁরা নতুন নতুন কেরিয়ারের রাস্তার সঙ্গে পরিচয় করান, কাজের পরামর্শ দেন আর পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ না হলে সাহস জোগান।
ভালো মেন্টরিং মানে শুধু কোন চাকরিটা বাছতে হবে সেটা বলে দেওয়া নয়। এটা মানুষকে নিজেকে আরও ভালোভাবে চিনতেও সাহায্য করে।
এটা খুব জরুরি, কারণ কেরিয়ারের সিদ্ধান্ত শুধু স্কিলের ওপর নির্ভর করে না। এর সঙ্গে আত্মবিশ্বাস, মূল্যবোধ, টাকা, পরিবার, লাইফস্টাইল আর কাজের বাইরে একজন মানুষ কেমন জীবন কাটাতে চান—সেই বিষয়গুলোও জড়িয়ে থাকে।