সুরের সাগরে আজও বিরাজমান সোনু নিগম। বর্তমানে নতুন গায়কদের ভিড়ে কিছুটা কদর কমলেও, এখনও তাঁর গান শুনে গলা মেলাতে ভোলেন না কেউই। তবে শুধু কী সংগীত, এর পাশাপাশি মডেলিং, অভিনয়, সঞ্চালনা সহ একাধিক প্রতিভার অধিকারী তিনি। তাঁর লুক, স্টাইল, এবং পারসোনালিটিতে কুপোকাত সকলেই। অনেক মহিলার রাতের ঘুম উড়েছিল এই সুদর্শন চেহারার গায়কের জন্য।
ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড সহ ‘কাল হো না হো’ গানের জন্য পেয়েছেন জাতীয় পুরষ্কার। এছাড়াও ২০২০ সালে মহারাষ্ট্র সরকারের তরফ থেকে পান ‘ভারত রাত্ন ডক্টর বিআর আমবেতকর’ পুরষ্কার। মাত্র ৩ বছর বয়েসে গানের হাতেখড়ি। নিজের গানের কেরিয়ারে প্রায় ১০০ টির উপর গান গেয়েছেন। সোনু নিগম-এর জীবনের এমনই কিছু অজানা কাহিনী যা রীতিমতো আপনাকে অবাক করবে।
210
মাত্র ৩ বছর বয়েসে সোনু নিগম প্রথম স্টেজে পারফর্মেন্স করেন। সেই সময় ‘ক্যা হুয়া তেরা বাদা’ গানে ছোট্ট সোনুর পারফর্মেন্স দর্শকদের মন জয় করে নেয়। আর তখন থেকেই শুরু সুরের জগতের পথ চলা।
310
সোনু নিগম হিন্দি ভাষার পাশাপাশি একাধিক ভাষায় গান করেছেন। সোনু পাঞ্জাবি, ওড়িয়া, কানাডা, তামিল, তেলেগু, ইংরেজি, ভুজপুরি, নেপানি সহ একাধিক ভাষায় নিজের গায়েকির প্রমাণ দিয়েছেন। প্রতিটি ভাষায় গান গাওয়ার সময় তাঁর উচ্চারণ এতো স্পষ্ট থাকতো, মনে হতো যেন সোনু বরাবরই সেই ভাষাতেই গান করেন।
410
কুমার সানুর ‘এক ল্যারকি কো দেখা তো এসা লাগা’ গানের রেকর্ডিং-এর সময় কুমার সানু ঠিক সময় স্টুডিয়োতে আসতে পারেননি। তখন আরডি বর্মণ বলেছিলেন আর ৫ মিনিটের মধ্যে যদি সানু না আসে, তাহলে সোনু নিগমকে দিয়ে তিনি গান রেকর্ড করাবেন। তবে কুমার সানু ৫ মিনিটের আগেই চলে এসেছিলেন।
510
গানের পাশাপাশি সোনু নিগম সিনেমায় হিরো হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। তিনি প্রথম একজন জুনিওর আর্টিস্ট হিসেবে ১৯৮৩ সালে ‘বেতাব’ সিনেমায়র হাত ধরে অভিনয়ের জগতে পা রাখেন। এরপর ২০০২ সালে সোনু বড় হয়ে ‘জানি দুশমন এক অনহনি কাহানী’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে নিজের দেবিউ করেন।
610
জানে দুশমন ছারাও সোনু বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেন। যেমন কাশ আপ হামারে হতে, লাভ ইন নেপাল, ওয়ার্নিং ইত্যাদি। তবে প্রতিটি সিনেমা বক্স-অফিসে মুখ থুবড়ে পরে।
710
সোনু নিগম বহু অ্যানিমেশন সিনেমায় একজন ভয়েজওভার আর্টিস্টের হিসেবে কাজ করেন। এছাড়াও ‘আলাদিন’ সিনেমার হিন্দি ভার্সনে সোনু একটি গানও গেয়েছিলেন, যেটি ডিসনি চ্যানেল ইন্ডিয়াতে সম্পচারিত হয়েছিলো।
810
১২ ক্লাসের পরীক্ষা দেওয়ার পরই সোনুর বাবা মা তাঁকে নিয়ে মুম্বই চলে আসেন। তখন থেকেই শুরু হয় সোনুর সংগ্রামের কাহিনী। বহুবার এমন হয়েছে সোনুর গাওয়া গান অন্য কেউ ডাব করেছে , এবং সোনু কাঁদতে কাঁদতে স্টুডিও থেকে বাড়ি ফিরতেন। তবে তাঁর গাওয়া একটি গান ‘আসমান বালে’ গানটি গুলসন কুমারের খুব পছন্দ হয়। এরপর থেকেই শুরু হয় সোনুর নতুন জীবন।
910
রেডিও সিটি ৯১.১ এফএমে সোনু একজন RJ-এর ভূমিকাও পালন করেন। সেই সময় তিনি ৯১.১ এফএমে একটি শো করতেন। যার নাম ছিল ‘লাইফ কি ধুন উইত সোনু নিগম’। সেই সময় সোনু নিগম-এর এই রেডিও শো বেশ জনপ্রিয় হয়েছিলো।
1010
একটা সময় সোনু নিগম ঠাকুরের পুজোর অনুষ্ঠানে রাত জেগে ভোজন গাইতেন। সেই সময় তাঁর পারিশ্রমিক ছিল খুবই কম। তবে বর্তমানে চিত্রটা সম্পূর্ণ আলাদা। সোনু নিগমের মোট আর্থিক সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৩৬৫ কোটি টাকা। যা যেকোনও বলিউড অভিনেতাদের মোট সম্পত্তির থেকে কিছু কম নয়।
বিনোদন জগতের সব বড় খবর এক জায়গায় পেতে পড়ুন Entertainment News in Bangla। চলচ্চিত্র, টিভি শো, ওয়েব সিরিজ ও তারকাদের লেটেস্ট আপডেট জানতে আমাদের সাথেই থাকুন। বলিউড, টলিউড ও দক্ষিণী সিনেমার নির্ভরযোগ্য খবর ও বিশ্লেষণ এখানেই পড়ুন।