দলের প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয়ে যে নজর থাকত বিন লাদেনের, তা সকলের জানা। কিন্তু, দলের জঙ্গি সদস্যদের টেস্টোস্টেরণের চাপের দিকেও যে তিনি নজর দিতেন, তা এই চিঠি পাওযার আগে কল্পনাও করা যেত না। তবে তার অ্যাবটাবাদের বাড়ি থেকে প্রচুর পর্নোগ্রাফিক পত্রিকা, ভিডিও পাওয়া গিয়েছিল বলে দাবি করেছিল মার্কিন সেনা। তারপরেও এযাবৎকালের সবথেকে দুর্ধর্ষ জঙ্গি নেতা, তার পরের প্রজন্মের আল-কায়েদা প্রধানরা হস্তমৈথুনের মতো বিষয নিয়ে এতটা মাথা ঘামিয়েছে, এটা সত্যিই বিস্ময়কর, একইসঙ্গে মজারও বটে। তবে জিহাদিদের যৌন খিদে মোটেই হাসির বিষয় নয়, এমনকী এটাই তাদের হিংসাত্মক আচরণকে ব্যাখ্যা করে, এমনও মত দিয়েছেন বহু মনোস্তাত্ত্বিক গবেষক।