আজ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯তম জন্মদিন। ওড়িশার কটকে জন্মগ্রহণ। সেখানেই তাঁর শৈশব কেটেছিল। কিন্তু তাঁর বেড়ে ওঠা কলকাতায়। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও স্বাধীনতা আন্দোলনে জ়়ড়িয়ে পড়াও কলকাতায়।
আজ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯তম জন্মদিন। ওড়িশার কটকে জন্মগ্রহণ। সেখানেই তাঁর শৈশব কেটেছিল। কিন্তু তাঁর বেড়ে ওঠা কলকাতায়। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও স্বাধীনতা আন্দোলনে জ়়ড়িয়ে পড়াও কলকাতায়। নেতাজির জন্মদিনে ফিরে দেখা এই বীর বিপ্লবীকে।
27
মেধাবী ছাত্র
১৯১৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রবেশিকা পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছিলেন। ১৯১৯ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সারা বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছিলেন।
37
বিদেশের মাটিতে বিয়ে
১৯৩৭ সালে ইউরোপে থাকার সময়ই অস্ট্রিয় বংশোদ্ভূত এমিলি শেঙ্কলকে। তাঁদের একমাত্র কন্যা অনিতা বসু পাফ বর্তমানে জার্মানির বিশিষ্ট অর্থনীতিবীদ।
জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'জন গণ মন' গানটিকে তিনি প্রথম পছন্দ করেছিলেন। এখনও জনপ্রিয় স্লোগান 'জয়হিন্দ' তারই দেওয়া।
57
নেতাজি-গান্ধিজি সম্পর্ক
নেতাজি আর গান্ধিজির সম্পর্ক কিন্তু দীর্ঘ টানাপোড়েনের। দুই নেতার আদর্শগত ফারাক ছিল। কিন্তু নেতাজিও প্রথম মহাত্মা গান্ধীকে 'জাতির জনক' নামে সম্বোধন করেছিলেন। বিদেশের মাটি, সিঙ্গাপুর থেকে ভারতের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি গান্ধীজিকে জাতির জনক নামে সম্বোধন করেন।
67
১১বার কারাবাস
১৯২১ সাল থেকে ১৯৪১ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ সরকার তাঁকে মোট ৪১ বার জেলবন্দি করেছিল। কলকাতায় নিজের বাড়িতে নজরবন্দি থাকার সময়ই মহম্মদ জিয়াউদ্দিন ছদ্মনামে বাড়ি ছাড়েন। বিমা এজেন্টের পরিচয় নিয়ে প্রথমে কাবুল যান। তারপরে মস্কো যাওয়ার সময় কাউন্ট অরল্যান্ডো মাজোত্তা নামের ইতালিয় পাসপোর্ট ব্যবহার করেন।
77
নেতাজির ব্যক্তিগত অভ্যাস
নেতাজি সুপারি খেতে পছন্দ করতেন। তবে পরবর্তীকালে তিনি সুপারি খাওয়া ছেড়ে হরিতকি খাওয়া শুরু করেছিলেন। তিনি ভোজন রসিক ছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দর আদর্শে অনুপ্রাণিত ছিলেন নেতাজি। বই ছিল তাঁর সর্বক্ষণের সঙ্গী।