প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এই খনিতে ১৩.১ টন সোনার প্রমাণিত মজুত রয়েছে। তবে অনুসন্ধানের ফলাফল ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এই মজুতের পরিমাণ বেড়ে ৪২.৫ টন পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালিত হলে আগামী ১৫ বছর ধরে এই খনি থেকে প্রতি বছর ১,০০০ কিলোগ্রাম পর্যন্ত পরিশোধিত সোনা উৎপাদিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।