Assam Floods: হিমন্ত সরকারের বড় ঘোষণা, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৭৫,০০০ পরিবারকে সরাসরি অ্যাকাউন্টে ১৫,০০০ টাকা

Published : Aug 03, 2026, 03:04 PM IST
Assam Floods: হিমন্ত সরকারের বড় ঘোষণা, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৭৫,০০০ পরিবারকে সরাসরি অ্যাকাউন্টে ১৫,০০০ টাকা

সংক্ষিপ্ত

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ১১২ কোটির একটি বন্যা ত্রাণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। এর আওতায় ৭৫,০০০ পরিবারকে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫,০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। তবে ত্রাণ পেলেও, গোলাঘাটের বন্যাদুর্গত গ্রামবাসীরা নিকাশি ব্যবস্থার স্থায়ী সমাধান চাইছেন।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সোমবার প্রায় ১১২ কোটি টাকার একটি অন্তর্বর্তী বন্যা-ত্রাণ প্যাকেজ চালু করেছেন। এর মাধ্যমে চারটি জেলার প্রায় ৭৫,০০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি আর্থিক সাহায্য পাঠানো হয়েছে।

শিবসাগর, চড়াইদেও, জোরহাট এবং গোলাঘাট থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেওয়া সুবিধাভোগীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী শর্মা জানান, প্রতিটি যোগ্য পরিবারকে ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT)-এর মাধ্যমে সঙ্গে সঙ্গে ১৫,০০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। এই টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া রাজ্যজুড়ে ৫ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে। শুধু পরিবারকেই নয়, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির পরিকাঠামো মেরামতির জন্য ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ডিব্রুগড়ের সিএম সচিবালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে 'পিএম সূর্য ঘর: মুফত বিজলি যোজনা'-র অধীনে স্থানীয়দের ভর্তুকিও দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ক্যাবিনেট মন্ত্রী কেশব মহন্ত এবং সাংসদ রামেশ্বর তেলির মতো ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। এরপর মুখ্যমন্ত্রী শর্মা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে দেখা করতে শিবসাগরের উদ্দেশে রওনা দেন।

গোলাঘাটের পরিস্থিতি, স্থায়ী সমাধান চাইছেন স্থানীয়রা

সোমবার আসামের গোলাঘাট জেলায় বন্যার পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হলেও, নিচু এলাকার গ্রামগুলিতে এখনও জল জমে থাকায় বহু পরিবার ঘরছাড়া। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে নিকাশি ব্যবস্থার স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

কোমরবান্ধা গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে কুলিয়াপানি, কাপুহটিং, না-পামুয়া, রাজনখাট, খারজান, মহতগাঁও এবং কুমারগাঁও-এর মতো গ্রামগুলি এখনও জলমগ্ন। বহু পরিবার নিজেদের বাড়িতে ফিরতে পারছে না।

ত্রাণ বিলি করতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ বোরা। তিনি জানান, সঠিক জল নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় বন্যা এই অঞ্চলের মানুষের জন্য প্রতি বছরের দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। এএনআই-কে তিনি বলেন, "আজ ত্রাণ দিতে এসে আমরা গ্রামটা ঘুরে দেখেছি। আমরা লক্ষ্য করেছি যে এটা প্রতি বছরের সমস্যা। জল বেরিয়ে যাওয়ার পথের একটা স্থায়ী সমস্যা রয়েছে। যদি জল বেরোনোর জন্য একটি বিকল্প, আরও মজবুত এবং সুসংহত পথ তৈরি করা যায়, তাহলে পরিস্থিতি বদলাবে। প্রশাসনের কাছে আমাদের অনুরোধ, তারা যেন বিষয়টি খতিয়ে দেখে এবং এর একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করে।"

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এই অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান এবং নিকাশি পথের অভাবের কারণে, প্রতিবেশী নাগাল্যান্ডে ভারী বৃষ্টি হলেই এখানে দীর্ঘদিন ধরে জল জমে থাকে। কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, আসামের মন্ত্রী পীযূষ হাজারিকা শিবসাগর জেলার বন্যা-বিধ্বস্ত ডেমো এবং নাজিরা বিধানসভা কেন্দ্র (LAC) পরিদর্শন করেছেন। তিনি জেলা প্রশাসনের ত্রাণ ও পুনর্বাসন ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

SC On TMC Bank Account: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় ধাক্কা কালীঘাট তৃণমূলের, ইডির কাছে রিপোর্ট তলব সুপ্রিম কোর্টের
DA News: বকেয়া ডিএ মেটাতেই হবে ১৫ দিনে, দেরিতে ৬ শতাংশ সুদ, নির্দেশ হাইকোর্টের