
ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-এর প্রচার এবং এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি দেশব্যাপী বিস্তারিত প্রচার কৌশল তৈরি করেছে। এই প্রচারের অংশ হিসেবে, সমস্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, বিজেপি-শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং দলের সিনিয়র নেতারা সারা দেশে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলবেন। দলটি দেশজুড়ে প্রায় ১৫০টি জায়গায় সাংবাদিক সম্মেলন করার পরিকল্পনা করেছে।
বাজেট আউটরিচ ক্যাম্পেইন ২০২৬ এর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে, এই সময়ে বাজেটের লক্ষ্য, অগ্রাধিকার এবং সুবিধাগুলো তুলে ধরার জন্য একাধিক কর্মসূচি এবং আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। তৃণমূল স্তরে কার্যকলাপের পাশাপাশি, বিজেপি একটি বড় ডিজিটাল প্রচারও করবে বাজাটের ওপর। সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাজেটের মূল বিষয়গুলো বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রচার করা হবে। ছোট ভিডিও রিল এবং ডিজিটাল কন্টেন্টের মাধ্যমে তরুণ এবং বৃহত্তর দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর উপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে।
এই প্রচারের কার্যকর সমন্বয় এবং বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য, বিজেপি জাতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুঘের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল গঠন করেছে। এই দলে রয়েছেন সরোজ পান্ডে, শ্রীকান্ত শর্মা, নরেন্দ্র রায়না, জিভিএল নরসিমহা রাও, গোপাল কৃষ্ণ আগরওয়াল, অনিল অ্যান্টনি, সঞ্জয় ট্যান্ডন এবং গুরু প্রকাশ পাসওয়ান। দলটির লক্ষ্য হল বাজেটের বার্তা সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দেওয়া এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি ও জাতীয় উন্নয়নের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা।
সংসদের বাজেট অধিবেশনে, যৌথ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার জন্য লোকসভায় ১৮ ঘণ্টা সময় বরাদ্দ করেছে সরকার। এই আলোচনা হবে ২, ৩, এবং ৪ ফেব্রুয়ারি। বৃহস্পতিবার লোকসভার বিজনেস অ্যাডভাইজরি কমিটির (BAC) বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৪ ফেব্রুয়ারি সংসদের বাজেট অধিবেশনে লোকসভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের জবাব দেবেন। সূত্রের খবর, লোকসভায় ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে সাধারণ আলোচনা হবে ৫, ৯, ১০, এবং ১১ ফেব্রুয়ারি। এই আলোচনার জন্য মোট ১৮ ঘণ্টা সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ১১ ফেব্রুয়ারি জবাব দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।