Beggar Census: দেশের জনগণনা থেকে বাদ পড়ল ‘ভিক্ষুক’ বিভাগ! ২০১১ সালের হিসেবে ভিক্ষুকের সংখ্যায় শীর্ষে ছিল পশ্চিমবঙ্গ, তালিকায় ছিল উত্তরপ্রদেশ-বিহারও। কেন এই সিদ্ধান্ত, বিস্তারিত জানুন।
২০২৭ সালের জনগণনায় এই প্রথম ভিক্ষুকদের আর আলাদা ভাবে গণনা করা হবে না, জনগণনার ফর্ম থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে ‘ভিক্ষুক এবং ভবঘুরে’ বিভাগটি।
210
নন-ইকোনমিক অ্যাক্টিভিটি থেকে বাদ
এতদিন পড়ুয়া, পেনশনভোগী, গৃহবধূদের পাশাপাশি ‘নন-ইকোনমিক অ্যাক্টিভিটি’ তালিকায় থাকত ভিক্ষুকরাও। তবে এবার বিভাগটি না থাকায় তাঁরা ঢুকে যাবেন ‘অন্যান্য’ বিভাগে।
310
কারণ
সমাজে ‘কলঙ্কিত’ হওয়ার আশঙ্কায় বহু মানুষ নিজেদের ভিক্ষুক হিসেবে নথিভুক্ত করাতে চাইতেন না, ফলে বিকৃত হত সরকারি পরিসংখ্যান। আর সেই কারণেই আধিকারিকরা এই বিভাগটি বাদ দিয়ে দিয়েছেন।
পূর্ববর্তী জনগণনাগুলিতে এই বিভাগে প্রাপ্ত তথ্য নির্ভরযোগ্য বলে মনে করেননি আধিকারিকরা, যার জেরেই এবার বাদ পড়ল গোটা ক্যাটেগরিটাই। তাতেই এবার জনগণনায় দেশে কত জন ভিক্ষুক রয়েছে তার কোনও তথ্য় পাওয়া যাবে না।
510
২০১১-তে দেশে শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ
সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হল, ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী দেশের মধ্যে ভিক্ষুকের সংখ্যার নিরিখে শীর্ষে ছিল পশ্চিমবঙ্গই, ৮১ হাজার ২৪৪ জন নথিভুক্ত হয়েছিলেন এ রাজ্যে।
610
পরের সারিতে উত্তরপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ
পশ্চিমবঙ্গের পরেই ছিল উত্তরপ্রদেশ (৬৫,৮৩৫), অন্ধ্রপ্রদেশ (৩০,২১৮), বিহার (২৯,৭২৩) এবং মধ্যপ্রদেশ (২৮,৬৯৫)।
710
তিন দশকের পরিসংখ্যানে ওঠানামা
১৯৯১ সালে প্রায় সাড়ে ৫ লক্ষ, ২০০১ সালে ৬ লক্ষের বেশি এবং ২০১১ সালে চার লক্ষের কিছু বেশি মানুষ এই বিভাগে নথিভুক্ত হয়েছিলেন।
810
বয়স, রাজ্য, শিক্ষার তথ্য থাকবে না
নতুন নিয়মে ভিক্ষুকদের বয়স, রাজ্যভিত্তিক সংখ্যা বা শিক্ষাগত যোগ্যতার মতো খুঁটিনাটি তথ্য আর আলাদা করে জানা যাবে না জনগণনা থেকে।
910
প্রশ্নমালাতেও একাধিক বদল
পরিযানের কারণ হিসেবে যুক্ত হয়েছে ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ’, বাবা-মায়ের জন্ম তারিখ ও স্থান, এমনকি আধার-ভোটার আইডির মতো ডিজিটাল তথ্যও চাওয়া হবে এবার।
1010
প্রশাসনিক তথ্যই এখন বেশি ভরসাযোগ্য
বিশেষজ্ঞদের মতে, দারিদ্র্যের প্রকৃত চিত্র বুঝতে এখন থেকে জনগণনার বদলে সরকারি প্রকল্প ও সমীক্ষার তথ্যের উপরেই বেশি ভরসা রাখা হবে।