
সোনম ওয়াংচুককে জোর করে দিল্লি পুলিশ তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই আমরণ অনশনের কথা ঘোষণা করে দিয়েছে ককরোজ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। তিনি নিজে জানিয়েছেন, তিনি অনশন শুরু করছেন। তিনি আরও বলেছেন, ২০ জুলাই অর্থাৎ আগামিকাল 'চলো সংসদ' কর্মসূচি ছিল তা অনুষ্ঠিত হবে। এই কর্মসূচি কোনও ভাবেই বন্ধ করা হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ককরোজ জনতা পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টেও বলা হয়েছে, অভিজিৎ দিপকে অনশন শুরু করছেন। আগামিকালের যে কর্মসূচি ছিল তা বাতিল করা হবে না। কর্মসূচি বাস্তবায়িত করতে সবরকম ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানিয়েছে সিজেপি। অভিজিৎ দিপতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টেও আমরণ অনশন শুরুর কথা জানিয়েছেন।
I am starting an indefinite hunger strike beginning right now.
— Abhijeet Dipke (@abhijeet_dipke) July 18, 2026
অন্যদিকে অভিদজিৎ দিপকে অভিযোগ করেছে, দিল্লি পুলিশ তাঁর অনুপস্থিতিতে বিজ্ঞানী তথা সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়েছে। সেই সময় যন্তর মন্তরে উপস্থিত থাকা প্রতিবাদীদেরও মারধর করা হয়েছে। পুলিশ লাঠি চার্জ করেছে বলেও অভিযোগ অভিজিতের। তিনি বলেছেন, তিনি যখন ঘটনাস্থলে আসছিলেন সেই সময় পুলিশ তাঁকেও লাঠিপেটা করেছে। যদিও দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। সোনম ওয়াংচুককে তুলে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও আন্দোলন থামবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে ককরোজ জনতা পার্টি।
I have been beaten up and put under detention by Delhi Police
— Abhijeet Dipke (@abhijeet_dipke) July 18, 2026
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি পোস্টে গীতাঞ্জলি বলেন, "আমি দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে আছি, যেখানে @Wangchuk66-কে ভর্তি করা হয়েছে। আমার, ওঁর পরিবারের এবং গত ২০ দিন ধরে ওঁর স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখা ডাক্তারদের অনুমতি ছাড়া যেন মুখে বা শিরায় কোনও ওষুধ না দেওয়া হয়।"
শনিবার সকালে দিল্লি পুলিশ জন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থল থেকে সোনাম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে যাওয়ার পরেই তাঁর স্ত্রী এই বিবৃতি দেন। ওয়াংচুককে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে, ওয়াংচুক এখন সচেতন আছেন এবং তাঁর শারীরিক প্যারামিটার স্থিতিশীল। তাঁকে হাসপাতালের এমার্জেন্সি ওয়ার্ডে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
NEET পেপার ফাঁস কাণ্ডে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তর শনিবার উত্তাল হয়ে ওঠে। ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) ডাকা বিক্ষোভে যোগ দেয় অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস ফেডারেশন (AISF), স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SFI) এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (AISA)-এর মতো বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির সদস্যরা। বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে থাকেন এবং বিভিন্ন দাবিদাওয়া লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদ জানান।