Gondwana Ecosystem: ঝাড়খণ্ডের কয়লা খনিতে মানুষ ও ডাইনোসরদের আসার আগের পৃথিবীর সন্ধান

Published : Feb 22, 2026, 12:05 PM IST
coal mines in Jharkhand evidence of lost ecosystem existed before humans dinosaurs

সংক্ষিপ্ত

Jharkhand Coal Mine: ঝাড়খণ্ডের খোলামুখ কয়লা খনিগুলি মানুষ এবং ডাইনোসরদের আসার অনেক আগে থেকেই হারিয়ে যাওয়া বাস্তুতন্ত্রের প্রমাণ প্রকাশ করেছে।

Jharkhand Coal Mine: ঝাড়খণ্ডের খোলামুখ কয়লা খনিগুলি মানুষ এবং ডাইনোসরদের আসার অনেক আগে থেকেই হারিয়ে যাওয়া বাস্তুতন্ত্রের প্রমাণ প্রকাশ করেছে। খনিগুলিতে থাকা প্রমাণগুলি ঘন জলাভূমি এবং প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছর আগে ভারতে বিস্তৃত নদীর বিশাল নেটওয়ার্ক তুলে ধরে। সেই সময়ে, ভারত দক্ষিণ মহাদেশ গন্ডোয়ানাল্যান্ডের অংশ ছিল। বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন যে সেই সময়ে এই অঞ্চলটি সমৃদ্ধ গাছপালা, জলাভূমি এবং প্রবাহিত নদী দ্বারা আচ্ছাদিত ছিল। বর্তমানে কয়লা খনিগুলি যে স্থানগুলিতে রয়েছে সেখানে একসময় প্রাণের দ্বারা পরিপূর্ণ বাস্তুতন্ত্র ছিল। এই প্রমাণ পৃথিবীর প্রাচীন ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রকৃতি বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিয়েছে।

সামুদ্রিক আক্রমণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের রহস্য

কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের জারি করা একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, গবেষণায় জানা গিয়েছে যে গন্ডোয়ানা যুগের এই পরিবেশ পর্যায়ক্রমে সমুদ্র দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। বিজ্ঞানীদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়িয়ে দেয়। মহাদেশীয় ভূমির পরিবর্তন ঘটায়। আগের গবেষণায় ভারতের বিভিন্ন শিলা এবং কয়লা ক্ষেত্র থেকে উদ্ধার হওয়া জীবাশ্ম এবং পলির উপর ভিত্তি করে সমুদ্রের জল ঢোকার পথ ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। রাসায়নিক বিশ্লেষণ ইঙ্গিত দেয় যে সমুদ্রের জল প্রায় ২৮০-২৯০ মিলিয়ন বছর আগে দামোদর অববাহিকায় প্রবেশ করেছিল, সম্ভবত উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে মধ্য অঞ্চলে অগ্রসর হয়েছিল। তবে, পার্মিয়ান যুগে সমুদ্র প্লাবনের ঘটনা সীমিত এবং বিক্ষিপ্ত, যা এই বিষয়টিকে এখনও বিতর্কিত করে তুলেছে।

নতুন আবিষ্কারটি এই বিতর্ককে একটি নতুন দিকে নিয়ে গিয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের পরিবর্তনগুলি কীভাবে স্থলজ বাস্তুতন্ত্রকে প্রভাবিত করতে পারে তা বুঝতে আমাদের সাহায্য করছে।

অশোক খনিত পাওয়া জীবাশ্ম থেকে প্রাগৈতিহাসিক পথের সন্ধান

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের (DST) একটি স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান বীরবল সাহনি ইনস্টিটিউট অফ প্যালিওন্টোলজি (BSIP) এর নেতৃত্বে একদল গবেষক ঝাড়খণ্ডের উত্তর করণপুরা অববাহিকায় অবস্থিত অশোক কয়লা খনি থেকে প্যালিওবোটানিক্যাল এবং ভূ-রাসায়নিক প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। গবেষণায় প্রাচীন উদ্ভিদের অসাধারণ জীবাশ্ম এবং মাইক্রোকেমিক্যালের অস্তিত্ব উন্মোচিত হয়েছে, যা সেই সময়ের প্রাণবন্ত বাস্তুতন্ত্রের একটি আভাস দেয়। গ্লোসোপ্টেরিসের কমপক্ষে ১৪টি প্রজাতি এবং এর নিকটাত্মীয়দের শনাক্ত করা হয়েছে, যা পাতার ছাপ, শিকড়, স্পোর এবং শেল স্তরে অবস্থিত পরাগরেণু থেকে পাওয়া গেছে। সেই সময়ে, ভারত, অ্যান্টার্কটিকা, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়া গন্ডোয়ানাল্যান্ডের অংশ ছিল।

এই গবেষণাটি কেবল আমাদের পৃথিবীর অতীত বুঝতে সাহায্য করে না, বরং বর্তমান জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মূল্যায়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তিও প্রদান করে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Terror Module Bust: ঘাঁটি গেড়ে জঙ্গি হামলার ছক কষছিল, বাংলা ও তামিলনাড়ু থেকে ধৃত ৮
Delhi Alert: দিল্লি জুড়ে চরম সতর্কতা! নিশানায় কি লালকেল্লা? লস্করের হামলার ছক