
রেশন (Ration) ব্যবস্থায় দুর্নীতি রোধে বড় উদ্যোগ কেন্দ্রীয় সরকারের। এবার কুপনের মাধ্যমে রেশন তুলতে পারবেন গ্রাহকরা। রবিবার গুজরাত থেকেই শুরু হচ্ছে পাইলট প্রকল্প। যার উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে আসবে ডিজিটাল কুপন। যার পোশাকি নাম, সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক ডিজিটাল কারেন্সি (Central Bank Digital Currency)। রেশন দোকানে কিউআর কোডে স্ক্যান করলেই পাওয়া যাবে বিনামূল্যের খাদ্যশস্য।
স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী অমিত শাহ গুজরাতের চারটি জেলায় - আমেদাবাদ, আনন্দ, সবরমতী এবং ভালসাদে - পাইলট প্রকল্পটি চালু করবেন । যেখানে eKYC-এর পরে সীমিত সংখ্যক সুবিধাভোগী কেবল ন্যায্য মূল্যের দোকান (FPS) QR কোড স্ক্যান করে তাঁদের মোবাইলে আসা ফুড কুপনগুলি রিডিম করতে পারবেন খাদ্যশস্য, অন্যান্য জিনিসপত্র সংগ্রহ করতে। লক্ষ্য হল ভর্তুকি এবং সুবিধাগুলি যাতে সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছায় এবং বিচ্যুতি রোধ করা। এর ফলে রেশন কার্ডধারীরা FPS-এ বায়োমেট্রিক অথেন্টিকেশন করার ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন। অর্থাৎ আঙুলের ছাপ দিয়ে রেশন নেওয়ার দরকার হবে না। সরকার ট্র্যাক করতে পারবে যে সুবিধাভোগীরা খাদ্যের উদ্দেশ্যে এই কুপনগুলি ব্যবহার করছেন কিনা।
খাদ্য মন্ত্রক শীঘ্রই দাদরা ও নগর হাভেলি, চণ্ডীগড় এবং পুদুচেরির শহরাঞ্চলেও একই পাইলট প্রকল্প চালু করবে। মাসের প্রথম দিনে রেশন গ্রাহকরা তাঁদের মোবাইলের ডিজিটাল ওয়ালেটে মাসিক ডিজিটাল ফুড কুপন পাবেন। রেশন দোকানে গিয়ে সেই কুপন স্ক্যান করতে হবে। আধার নাম্বারের সঙ্গে সেটি মিললে গ্রাহকের মোবাইলে আসবে ওটিপি। ওটিপি দিয়ে যাচাই হওয়ার পরেই ওই কুপন কাজ করবে। অর্থাৎ রেশন তুলতে আর রেশন কার্ড সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে না। এই কুপনগুলি প্রোগ্রামেবল, যার অর্থ এগুলি শুধুমাত্র অনুমোদিত ন্যায্য মূল্যের দোকান থেকে নির্দিষ্ট খাদ্যশস্য কিনতে ব্যবহার করা যেতে পারে এবং নগদে রূপান্তর করা যাবে না বা অন্য কোথাও ব্যবহার করা যাবে না।
লক্ষ্য ভর্তুকি
ভাউচারগুলি ডিজিটাল মুদ্রার সমতুল্য হিসাবে কাজ করবে, কোনও নগদ অর্থ প্রদান ছাড়াই শুধুমাত্র নির্দিষ্ট খাদ্য পণ্যের জন্য পরিশোধযোগ্য। গণবণ্টন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনার পাশাপাশি সঠিক ব্যক্তিই বিনামূল্যের খাদ্যশস্য পাচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ। PMGKAY-এর অধীনে, বর্তমানে ৮১ কোটি মানুষকে প্রতি মাসে ৫ কেজি করে নির্দিষ্ট শস্য যেমন চাল এবং গম বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে।