
বৃহস্পতিবার ভোরে কেঁপে উঠল মহারাষ্ট্রের নাসিক, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৩.৮। রাত ২টো ৩৭ মিনিটে এই ভূমিকম্পন অনুভূত হয়। প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, এখনও পর্যন্ত ভূমিকম্পে কোনও প্রাণহানি বা সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।
ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির মতে, নাসিকে এই কম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠির ৫ কিমি গভীরে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল ২০.৮৮৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৭৩.৭০৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। কম্পনের ফলে রাতে ঘুম ভেঙে যায় বহু মানুষের। আতঙ্কিত হয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন অনেকে। তবে, স্বস্তির বিষয় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। তবে, বিশেষজ্ঞদের মতে অগভীর ভূমিকম্প সাধারণ গভীর ভূমিকম্পের তুলনায় বেশি বিপজ্জনক।
প্রসঙ্গত, দুদিন আগে জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছিল। মঙ্গলবার জাপানে ৭.১ মাত্রায় ভূমিকম্প হয়। এই ভূমিকম্পে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাশিমা শহরের এয়ন মন শপিং সেন্টার। সেখানে হাজার মানুষ উপস্থিত ছিল। ভূমিকম্পের কারণে প্রায় ৩০ হাজার ক্রেতাকে নিরাপদে সরিয়ে পার্কিং এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে আবার ভারতের ইসরো (ISRO) এবং আমেরিকার নাসার (NASA) যৌথ মিশন 'নিসার' (NISAR) উপগ্রহটি গত মাসে ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে। উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, এই বিশাল ভূমিকম্পগুলোর ফলে অনেক এলাকায় প্রায় ৬০ সেন্টিমিটার (২ ফুট) পর্যন্ত ভূমির স্থানচ্যুতি বা নড়াচড়া ঘটেছে, যার ফলে রাজধানী কারাকাস এবং লা গুয়াইরা শহরে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। বিজ্ঞানীরা ২৪ জুনের ভূমিকম্পের আগে ও পরে নিসার উপগ্রহের তোলা পৃথিবীর ছবিগুলো পর্যালোচনা করেছেন। ভূমিকম্প-পরবর্তী ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন নির্ণয় করতে ১৩ ও ১৮ জুনের ছবিগুলোর সঙ্গে ২৫ ও ৩০ জুনের তথ্য তুলনা করা হয়।
এবার গত রাতে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মহারাষ্ট্রের নাসিক। তবে, কোনও ক্ষয় ক্ষতি হয়নি কম্পনের জেরে। এখানে রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৩.৮।