সিএএ নিয়ে অশান্ত দিল্লি, নিজের দলের বিধায়কের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরালেন গম্ভীর

Published : Feb 25, 2020, 04:49 PM ISTUpdated : Feb 25, 2020, 04:53 PM IST
সিএএ নিয়ে অশান্ত দিল্লি, নিজের দলের বিধায়কের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরালেন গম্ভীর

সংক্ষিপ্ত

সোমবারের পর মঙ্গলবারও উত্তপ্ত রাজধানী পরিস্থিতি সামলাতে কেজরির সঙ্গে শাহের বৈঠক নিজের দলের বিধায়কের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল অভিযোগের আঙ্গুল তুললেন গৌতম গম্ভীর


মার্কিন প্রেসিডন্টে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফরের মাঝেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ইস্যুতে উত্তাল রাজধানী। উত্তর-পূর্ব দিল্লিক নানা প্রান্তে সোমবার থেকে সিএএ বিরোধীদের সঙ্গে সমর্থকদের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবারও হিংসা ছড়িয়েছে  মৌজপুর ও ব্রহ্মপুরী এলাকা। এদিনও দুটি দল একে অপরকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় টহল দিচ্ছে ব়্যাফ। বন্ধ রাখা হয়েছে মেট্রো স্টেশন। উত্তেজনা প্রবণ এলাকাগুলিতে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় সোমবার রাতেই বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিশ শাহ। মঙ্গলবার দুপুরে ফের দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করেন। রাজনীতির উর্দ্ধে উঠে দিল্লির পরিস্থিতি শান্ত করা হবে বলে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল। আর এর মধ্যেই রাজধানীতে অশান্তির জন্য পরোক্ষে নিজের দলের বিধয়াকের দিকেই আঙুল তুললেন পূর্ব দিল্লির বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর।

আরও পড়ুন: উত্তপ্ত দিল্লি শান্ত করতে শাহ-কেজরির বৈঠক, প্রয়োজনে রাজধানীতে নামবে সেনা

বিজেপি বিধায়ক কপিল মিশ্রের বিরুদ্ধে উস্কানি মূলক বক্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। গত রবিবার একটি ট্যুইট করেন কপিল। তিনি লেখেন, "তিন দিন সময় দিচ্ছি দিল্লি পুলিশকে। তার মধ্যে জাফরাবাদ, চাঁদবাগের বিক্ষোভকারীদের রাস্তা থেকে তুলে দিতে হবে। এরপর আমাদের সঙ্গে আর কোনও কথা বসতে, যুক্তি দেখাতে আসবেন না। আমরা তাতে কর্ণপাত করব না।" ট্যুইটে একটি ভিডিও পোস্ট করে কপিল মিশ্র লেখেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতে থাকা পর্যন্ত আমারা শান্তি বজায় রাখব। তারপর পরিষ্কার না হলে পুলিশের কথাও শুনব না। রাস্তায় নামতে বাধ্য হব। 

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের সফরের দ্বিতীয় দিনেও থমথমে দিল্লি, নতুন করে উত্তেজনা মৌজপুর ও ব্রহ্মপুরীতে

মঙ্গলবার দলীয় বিধায়কের এহেন ট্যুইটের সমালোচনা করেছেন বিজেপি সাংসদ গৌতম গম্ভীর। তিনি বলেন, "কপিল মিশ্রই হোক বা অন্য কেউ, যে পার্টিরই সদস্য হোক, যদি কেউ উস্কানিমূলক বক্তব্য রেখে থাকেন, তাহলে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে।"

 

দিল্লি বিজেপির প্রধান মনোজ তিওয়ারিও এর আগে দিল্লি বিধানসভা ভোটে বিজেপির হারের জন্য দলীয় নেতাদের প্ররোচনামূলক বক্তব্যকেই দায়ি করেছিলেন। 

এদিকে দলের অন্দরে সমালোচিত হওয়ার পর সুরবদল করেছেন কপিল মিশ্রও। দিল্লিবাসীকে শান্তি বজায় রাখা ও হিংসা বন্ধের আবেজন জানিয়েছেন তিনি। 

PREV
click me!

Recommended Stories

Today’s News in Bengali Live: নিম্নচাপের জেরে দক্ষিণবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, জানুন আবহাওয়ার বিরাট আপডেট
Drought Risk: ১২৫ বছরে জুনে সবচেয়ে কম বৃষ্টি, দেশে খরার আশঙ্কায় সতর্ক সরকার