Sim Cards Limit: ভারতে একজন ব্যক্তি কটা সিম কার্ড রাখতে পারবেন? ২৪ আগস্ট থেকে কড়া হচ্ছে নিয়ম

Published : Aug 21, 2026, 09:32 AM IST
government is tightening the enforcement of rules around the number of sim cards an individual can hold

সংক্ষিপ্ত

ভারতে একজন ব্যক্তি কতগুলো মোবাইল সংযোগ রাখতে পারবেন, সেই সংক্রান্ত নিয়মকানুন কঠোরভাবে কার্যকর করতে যাচ্ছে সরকার। পিটিআই (PTI)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২৪ আগস্ট থেকে যেসব গ্রাহক ইতিমধ্যেই অনুমোদিত সর্বোচ্চ সীমার (লিমিট) কোটায় পৌঁছে গেছেন, তাঁদের নতুন সিম কার্ড দেওয়া বন্ধ করতে হবে টেলিকম অপারেটরদের।

ভারতে একজন ব্যক্তি কতগুলো মোবাইল সংযোগ রাখতে পারবেন, সেই সংক্রান্ত নিয়মকানুন কঠোরভাবে কার্যকর করতে যাচ্ছে সরকার। পিটিআই (PTI)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২৪ আগস্ট থেকে যেসব গ্রাহক ইতিমধ্যেই অনুমোদিত সর্বোচ্চ সীমার (লিমিট) কোটায় পৌঁছে গেছেন, তাঁদের নতুন সিম কার্ড দেওয়া বন্ধ করতে হবে টেলিকম অপারেটরদের। টেলিকমিউনিকেশন বিভাগ (DoT) ১৭ আগস্ট জারি করা এক নির্দেশে টেলিকম অপারেটরদের বলেছে এমন প্রযুক্তিগত ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা চালু করতে, যার মাধ্যমে নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়ে মোবাইল সংযোগ নেওয়ার চেষ্টা করা গ্রাহকদের শনাক্ত করা যায়। এ ধরনের গ্রাহকদের জানাতে হবে যে, তাঁদের নামে অনুমোদিত সর্বোচ্চ সংখ্যক সংযোগ ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়ে গেছে।

আপনি কতগুলো সিম কার্ড রাখতে পারেন?

সিম কার্ডের সংখ্যার এই সীমা নতুন কোনও বিষয় নয়। এক দশকেরও বেশি সময় আগে DoT জনপ্রতি সর্বোচ্চ নয়টি সংযোগের সীমা নির্ধারণ করেছিল এবং এই নিয়মটি সব অপারেটর ও টেলিকম সার্কেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তবে জম্মু ও কাশ্মীর, আসাম এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয়টি সংযোগের আলাদা সীমা রয়েছে।

বর্তমানে যা পরিবর্তিত হয়েছে তা হল, এই সীমাগুলো যাতে যথাযথভাবে মানা হয়, তা নিশ্চিত করার সরকারি পরিকল্পনা। নতুন কোনও সিম ইস্যু করার আগে টেলিকম কোম্পানিগুলোকে গ্রাহকের চালু থাকা সংযোগের বিষয়টি যাচাই করতে হবে। ফলে যেসব গ্রাহক ইতিমধ্যেই নির্ধারিত সীমার কোটায় পৌঁছে গেছেন, তাঁদের পক্ষে অতিরিক্ত সিম কার্ড নেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। নতুন সংযোগ নেওয়ার সময় তথ্য প্রকাশের একটি বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। গ্রাহকদের 'কাস্টমার অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম' (CAF)-এ তাঁদের নামে ইতিমধ্যেই নেওয়া নম্বরগুলোর উল্লেখ করতে হবে—যার মধ্যে অন্য অপারেটর বা অন্য টেলিকম পরিষেবা এলাকা থেকে নেওয়া সংযোগগুলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

টেলিকম অপারেটররা কীভাবে গ্রাহকদের শনাক্ত করবে?

এই সীমা কার্যকর করার লক্ষ্যে, টেলিকম অপারেটরদের সরকারের 'ডিজিটাল ইন্টেলিজেন্স প্ল্যাটফর্ম' (DIP)-এর মাধ্যমে গ্রাহকের তথ্য যাচাই (cross-check) করতে হবে। এই ব্যবস্থায় বিভিন্ন টেলিকম কোম্পানির দেওয়া গ্রাহক-সংক্রান্ত তথ্য একত্রিত করা হয়, যার ফলে অপারেটররা বুঝতে পারেন যে কোনও ব্যক্তি তাঁর নামে অনুমোদিত সংযোগের কোটা ইতিমধ্যেই পূর্ণ করে ফেলেছেন কি না। DoT এই প্ল্যাটফর্মে ছবি-ভিত্তিক শনাক্তকরণ সুবিধাও চালু করছে। ২৩ আগস্ট থেকে, যেসব গ্রাহক সিম কার্ডের নির্ধারিত সীমার কোটায় পৌঁছে গেছেন, DIP-তে তাঁদের একটি প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি (representative image) দেখা যাবে। নতুন সংযোগের অনুরোধের সময় অপারেটররা এই তথ্য ব্যবহার করতে পারবেন। যদি দেখা যায় যে গ্রাহক অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করেছেন, তবে নতুন সিম ইস্যু করা হবে না। টেলিকম কোম্পানিগুলোকে 'ডিজিটাল ইন্টেলিজেন্স প্ল্যাটফর্ম'-এর সঙ্গে তাদের প্রক্রিয়াগুলো সমন্বিত ও সুবিন্যস্ত করার জন্য ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

ভুলবশত কোনও সিম ইস্যু করা হলে কী হবে?

মোবাইল অপারেটররা প্রয়োজনীয় কারিগরি পরিবর্তন সম্পন্ন না করা পর্যন্ত সরকার একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে দিয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত কোনও মোবাইল সংযোগ চালু করা হলে সমস্যাটির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তা তাৎক্ষণিকভাবে এক দিনের জন্য স্থগিত করা হতে পারে। গ্রাহক আবেদনপত্রের শর্তাবলি অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ (DoT) জানিয়েছে, এই নির্দেশনার লক্ষ্য হল গ্রাহকরা যাতে কেবল নির্ধারিত সীমার মধ্যেই মোবাইল সংযোগ ব্যবহার করেন তা নিশ্চিত করা।

Frequently Asked Questions (FAQ)

১. ভারতে একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ কতটি সিম কার্ড রাখতে পারেন?

সাধারণভাবে একজন ব্যক্তি তাঁর নামে সর্বোচ্চ ৯টি মোবাইল সংযোগ রাখতে পারেন।

২. সব রাজ্যে কি ৯টি সিমের নিয়ম প্রযোজ্য?

না। জম্মু ও কাশ্মীর, অসম এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৬টি মোবাইল সংযোগ রাখতে পারেন।

৩. ২৪ আগস্ট থেকে কী পরিবর্তন হচ্ছে?

নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমায় ইতিমধ্যেই পৌঁছে যাওয়া গ্রাহকদের নতুন সিম দেওয়া বন্ধ করতে হবে টেলিকম অপারেটরদের।

৪. নতুন সিম নেওয়ার আগে কী যাচাই করা হবে?

গ্রাহকের নামে বর্তমানে কতগুলি মোবাইল সংযোগ চালু রয়েছে, তা যাচাই করা হবে। অন্য অপারেটর বা অন্য টেলিকম সার্ভিস এরিয়ার সংযোগও হিসাবের মধ্যে থাকবে।

৫. গ্রাহকের তথ্য কীভাবে যাচাই করবে টেলিকম সংস্থাগুলি?

সরকারের Digital Intelligence Platform (DIP)-এর মাধ্যমে বিভিন্ন টেলিকম সংস্থার তথ্য cross-check করা হবে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Pakistani Gangster: 'ভারতে আমার ৩০০০ লোক ঘুরছে', মোদী সরকারকে চ্যালেঞ্জ পাক গ্যাংস্টারের!
বাবা-মা কি সন্তানকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে পারেন? বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের