Delimitation Bill: মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে ফের তৎপর সরকার, বাদল অধিবেশনে ঐকমত্যের চেষ্টা

Published : Jul 17, 2026, 11:36 PM IST
Delimitation Bill: মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে ফের তৎপর সরকার, বাদল অধিবেশনে ঐকমত্যের চেষ্টা

সংক্ষিপ্ত

বাদল অধিবেশনের আগে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে ঐকমত্য গড়তে চাইছে সরকার। অন্যদিকে, গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত ও ধৃত মন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীদের পদ থেকে সরানোর একটি বিতর্কিত বিল নিয়ে রিপোর্ট পেশ আপাতত স্থগিত রেখেছে সংসদীয় প্যানেল।

সূত্রের খবর, সংসদের বাদল অধিবেশনে মহিলা সংরক্ষণের সঙ্গে যুক্ত ডিলিমিটেশন বিলটি পাশ করাতে ফের ঝাঁপাতে চলেছে সরকার। এর জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। দলগুলোর apprehension বা আশঙ্কা দূর করতে সরকার আশ্বাস দিচ্ছে যে, সব রাজ্যে লোকসভার আসন অভিন্নভাবে ৫০% বাড়ানো হবে।

সূত্রের মতে, রাজ্যসভায় সরকার দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি থাকলেও, লোকসভায় বিলটি পাশ করানোর জন্য এখনও আরও সমর্থনের প্রয়োজন। প্রসঙ্গত, বাজেট অধিবেশনের সময় প্রয়োজনীয় সমর্থন না পাওয়ায় লোকসভায় এই বিলটি পাশ করানো যায়নি। তবে তৃণমূল কংগ্রেস এবং শিবসেনা (ইউবিটি)-র মধ্যে ভাঙনের পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে। সম্প্রতি বিধানসভা ভোটে ডিএমকে-র পরাজয় এবং কংগ্রেসের সঙ্গে তাদের মতপার্থক্যের বিষয়টিও সরকার নজরে রাখছে।

যদিও কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশের দাবি, সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করানোর মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা সরকারের এখনও নেই। তাঁর মতে, তৃণমূল ও শিবসেনা (ইউবিটি)-তে ভাঙন বিরোধীদের জন্য ধাক্কা হলেও, লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশের সংখ্যা থেকে সরকার এখনও অনেক দূরে।

ধৃত মন্ত্রীদের অপসারণের বিল নিয়ে রিপোর্ট স্থগিত

এদিকে, সংসদের বাদল অধিবেশনের ঠিক আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে একটি সংসদীয় প্যানেল। গুরুতর অপরাধের অভিযোগে কোনও মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী ৩০ দিন বা তার বেশি সময় ধরে গ্রেপ্তার বা আটক থাকলে, তাঁকে পদ থেকে সরানোর আইনি কাঠামো তৈরির জন্য আনা সংবিধান (একশো ত্রিশতম সংশোধনী) বিল, ২০২৫ এবং আরও দুটি সম্পর্কিত বিল নিয়ে রিপোর্ট পেশ আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।

শুক্রবার প্যানেলের চেয়ারপার্সন অপর্ণা সারেঙ্গি জানান, তাঁরা রিপোর্টটি "আপাতত স্থগিত" রাখছেন। বিরোধী দলগুলি এই সংবিধান সংশোধনী বিলের তীব্র বিরোধিতা করছে। যদিও বিজেপির বিরোধী কিছু দলের সদস্যরা প্যানেলের আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।

অপর্ণা সারেঙ্গি সাংবাদিকদের বলেন, "আজকের বৈঠকে খসড়া রিপোর্টটি গৃহীত হয়নি। আমরা আরও আলোচনা করব। আমাদের সামনে পাঁচটি সুপারিশ রাখা হয়েছিল। কিন্তু আলোচনা শুরু হতেই পুরো জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুভব করে যে আমাদের আরও বেশি আলোচনা এবং আরও বেশি পক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করা দরকার।"

তিনি আরও যোগ করেন, "আমরা আপাতত এটি স্থগিত রাখছি। আমরা ২৭টি রাজনৈতিক দলকে দুটি চিঠি লিখেছিলাম—একটি ২৬ মে, ২০২৬-এ এবং অন্যটি ৩০ জুন, ২০২৬-এ। পাঁচটি দল তাদের পরামর্শ পাঠিয়েছে, কিন্তু যোগ দিতে অস্বীকার করেছে। সরকার সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে চেয়েছিল। আমরা অন্য দলের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেছি, এবং মোটামুটি একটা বিষয়ে সবাই একমত যে এই বিলটির সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। সরকারের উদ্দেশ্য যে সঠিক, তা সবাই স্বীকার করলেও, প্রস্তাবটি নিয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন আছে বলে মনে করা হয়েছে।"

এই কমিটি সংবিধান (একশো ত্রিশতম সংশোধনী) বিল, ২০২৫, জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন (সংশোধনী) বিল, ২০২৫ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সরকার (সংশোধনী) বিল, ২০২৫—এই তিনটি বিল পরীক্ষা করছে। শুক্রবার তারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আধিকারিকদের মতামতও শোনে।

পরে একজন বিরোধী সদস্য জানান, সুপারিশগুলির উপর ভোটাভুটি চলার সময়ই রিপোর্ট পেশ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হবে ২০ জুলাই।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Amrit Bharat Scheme: ৭৫টি নতুন স্টেশন জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করলেন মোদী, প্রশংসায় মুখ্যমন্ত্রী
মুম্বাই-আমেদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্পে দেরির জন্য দায়ী ভারতের এক মন্ত্রী ও কর্তারা: জাপানের প্রাক্তন মন্ত্রী