Harish Rana: স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ হরিশ রানার

Published : Mar 24, 2026, 06:05 PM ISTUpdated : Mar 24, 2026, 06:30 PM IST
harish rana euthanasia case

সংক্ষিপ্ত

Passive Euthanasia: ভারতে এতদিন কাউকে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়া হয়নি। প্রথমবার এই অনুমতি পেয়েছিলেন হরিশ রানা (Harish Rana)। এবার তিনি মৃত্যুর বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াইয়ে হার মানলেন। এই ভারতের ইতিহাসে নতুন দিগন্ত খুলে দিল। ভবিষ্যতে আরও অনেকেই স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি পেতে পারেন। ফলে তাঁরা শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণার হাত থেকে রেহাই পাবেন।

DID YOU KNOW ?
দেশে প্রথম স্বেচ্ছামৃত্যু
ভারতের ইতিহাসে হরিশ রানাই প্রথমবার স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি পেয়েছিলেন। এই ঘটনা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।

Harish Rana Passive Euthanasia: মঙ্গলবার হরিশ রানার লড়াই শেষ হয়ে গেল। নয়াদিল্লির এইমসে (All India Institute of Medical Sciences, New Delhi) তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। ভারতের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি পান হরিশ। ৩১ বছর বয়সি এই যুবক ২০১৩ সালে চণ্ডীগড়ের (Chandigarh) পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে (Panjab University) বি টেক (BTech) পড়ার সময় চার তলার বারান্দা থেকে পড়ে গিয়ে মাথায় মারাত্মক চোট পান। এরপর থেকেই তিনি কোমায় ছিলেন। প্রায় ১৩ বছর ধরে তাঁকে কৃত্রিমভাবে খাবার দেওয়া হচ্ছিল। তাঁকে সারাক্ষণ কৃত্রিমভাবে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল। ১১ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court of India) তাঁকে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেয়। চিকিৎসকদের উপযুক্ত পরিকল্পনাক মাধ্যমে মর্যাদা বজায় রেখে লাইফ সাপোর্ট প্রত্যাহার করে নেওয়ার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। সেই নির্দেশ অনুযায়ী হরিশকে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রাখার প্রক্রিয়া থামিয়ে দেওয়া হল। ভারতের আইনি ও চিকিৎসা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এই ঘটনা যুগান্তকারী। এই ঘটনা দৃষ্টান্ত হয়ে থেকে যাবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী হরিশের স্বেচ্ছামৃত্যু

সুপ্রিম কোর্ট হরিশের স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়ার পর এই যুবককে ১৪ মার্চ উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) গাজিয়াবাদে (Ghaziabad) তাঁর বাড়ি থেকে এইমসে ড. বি আর আম্বেদকর ইনস্টিটিউট রোটারি ক্যান্সার হসপিটালে (Dr BR Ambedkar Institute Rotary Cancer Hospital) নিয়ে এসে প্যালিয়েটিভ কেয়ার ইউনিটে (Palliative Care Unit) রাখা হয়। অ্যানাস্থেশিয়া (Anesthesia) ও প্যালিয়েটিভ মেডিসিন (Palliative Medicine) বিভাগের প্রধান ড. সীমা মিশ্রর (Dr Seema Mishra) নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে এক দল গঠন করা হয়। এই দলে নিউরোসার্জারি (Neurosurgery), অঙ্কো-অ্যানাস্থেশিয়া (Onco-Anesthesia), প্যালিয়েটিভ মেডিসিন ও সাইকিয়াট্রি (Psychiatry) বিশেষজ্ঞরা ছিলেন। হরিশের স্বেচ্ছামৃত্যুর বিষয়টি অত্যন্ত জটিল ও সংবেদনশীল ছিল। বিশেষজ্ঞরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেন।

আইন মেনেই ব্যবস্থা

আইন ও চিকিৎসা সংক্রান্ত নিয়ম মেনেই হরিশকে কৃত্রিমভাবে খাবার দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর সরকারিভাবে জানিয়ে দেওয়া হল, এই যুবক প্রয়াত হয়েছেন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV
২০১৩
২০১৩ সাল থেকে কোমায় ছিলেন হরিশ রানা।
২০১৩ সালে মাথায় চোট পাওয়ার পর থেকে কোমায় ছিলেন হরিশ রানা। তিনি এবার স্বেচ্ছামৃত্যর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেন।
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

পশ্চিমবঙ্গ ছাড়়া বাকি কোনও রাজ্যেই SIR নিয়ে কোনও মামলা হয়নি: Supreme Court
Scheduled Castes: কারা তপশিলি জাতির স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য? স্পষ্ট করে দিল সুপ্রিম কোর্ট