
দিল্লি: 'অপারেশন সিঁদুর'-এর সময় ভারতের রাফাল বিমান ধ্বংস হয়ে গেছে বলে পাকিস্তান যে দাবি করেছিল, তা পুরোপুরি নস্যাৎ হয়ে গেল। ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) সম্প্রতি একটি টেন্ডার ডেকেছে, যেখানে তাদের ৩৬টি রাফাল বিমানের জন্যই সাপোর্ট সার্ভিস চাওয়া হয়েছে। এই নথিই প্রমাণ করে যে ভারতের কেনা সবকটি রাফাল যুদ্ধবিমানই সম্পূর্ণ সুরক্ষিত এবং কার্যকর অবস্থায় রয়েছে।
পাকিস্তানের মাটিতে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের এক মোক্ষম জবাব ছিল 'অপারেশন সিঁদুর'। চোখের পলকে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটিগুলো গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ভারতীয় সেনা। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আধুনিকীকরণের এটাই ছিল সেরা উদাহরণ। পহেলগামে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর দেশজুড়ে বদলা নেওয়ার দাবি উঠেছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে তিন সেনাপ্রধানের বৈঠক হয় এবং উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলে। সীমান্তে যেকোনো পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
পাকিস্তান ভারতের প্রত্যাঘাতের আশঙ্কা করেছিল, কিন্তু কখন বা কোথায় হামলা হবে, তার কোনো ধারণাই তাদের ছিল না। দেশজুড়ে মক ড্রিল চালিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার প্রস্তুতি আরও জোরদার করে। ভারতের পশ্চিমের একটি বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে একটি সুখোই-৩০ বিমান আকাশে ওড়ে। ওড়ার দশ মিনিটের মধ্যেই সুখোই থেকে একটি মিসাইল ছোড়া হয়, যা প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে বাহাওয়ালপুরের জঙ্গি ঘাঁটিতে আঘাত হানে। এরপর যা হয়েছিল, তা এক ঐতিহাসিক লড়াই।
সুখোই-এর পিছনেই ছিল রাফাল ও মিরাজ। মাত্র আধ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়। মুজাফফরাবাদ, কোটলি, বাহাওয়ালপুর, মুদ্রিকের মতো জায়গায় জঙ্গিদের হেডকোয়ার্টার এবং পাক বায়ুসেনার র্যাডার কেন্দ্রগুলো ভারতের প্রতিশোধের আঁচ টের পায়।
রাত ১টা ৪৫ মিনিটে ভারত গোটা বিশ্বকে জানায়, 'অপারেশন সিঁদুর'-এর মাধ্যমে পহেলগামের ঘটনার জবাব দেওয়া হয়েছে। মোট ৮৮ ঘণ্টা ধরে এই সামরিক অভিযান চলে। এর প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের বাসস্থানে হামলা চালায়। কিন্তু ভারতও কড়া জবাব দেয়।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ অনেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে 'অপারেশন সিঁদুর' এখনও শেষ হয়নি। এর মাধ্যমে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, ভবিষ্যতে কোনো রকম বাড়াবাড়ি করলে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে চূড়ান্ত সর্বনাশ।