
Saharanpur Rape: উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। শিশুর চিকিৎসার নামে তাবিজে জল খাইয়ে এক হিন্দু মহিলাকে ধর্ষণ করল মৌলবি। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে এলে সেই মৌলবি গ্রাম ছেড়ে পলাতক। সাহারনপুর জেলার নাগল এলাকায় এক হিন্দু মহিলা চিকিৎসার জন্য এক তার শিশুকে এক মসজিদে নিয়ে যায়। সেখানেই এক মৌলবি সেই মহিলাকে তাবিজ থেকে জল পান করায়। এরপর ঝাড়ফুঁকের নামে সেই মহিলাকে ধর্ষণ করে সেই মৌলবি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে ফতেপুর থানা এলাকার এক গ্রামের মহিলার সঙ্গে। তাঁর শিশু সন্তান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে, স্থানীয় এক যুবক তাঁকে নাগলের সিডকি গ্রামের এক মসজিদে নিয়ে যান।
অভিযোগকারিণীর দাবি, অসুস্থ শিশু সন্তানের চিকিৎসার জন্য তাঁকে এক মসজিদে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাবিজের জল খাইয়ে অচেতন করা হয় এবং পরে তাঁর উপর গণধর্ষণ চালানো হয়। সেখানকার মৌলবি ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে শিশুর চিকিৎসার প্রতিশ্রুতি দেন। মহিলার অভিযোগ, মৌলবি প্রথমে তাঁকে ও তাঁর শিশুকে 'তাবিজের জল' পান করান। সেই জলে নেশাজাতীয় কিছু পদার্থ মেশানো ছিল। জল পান করার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। এরপর মৌলবি ও ওই যুবক মিলে তাঁর উপর যৌন নির্যাতন চালান। অভিযোগকারিণী আরও জানিয়েছেন, ঘটনার ভিডিয়ো আপলোড কার ভয় দেখিয়ে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
অচেতন অবস্থা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার পর মহিলা সহারনপুরের জেলা পুলিশের সিনিয়র সুপারিনটেন্ডেন্ট অফ পুলিশ অভিনন্দন সিংয়ের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে নাগল থানায় এফআইআর রুজু করা হয়েছে। মূল অভিযুক্ত মৌলবি ও অন্য যুবক ঘটনার পর থেকেই পলাতক। পুলিশ তাঁদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগকারিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।