স্বাধীনতার পর, যে থানায় স্বাধীনতা সংগ্রামীরা প্রাণ হারিয়েছিলেন, সেটিকে শহিদদের—কপিল মুনি, গোপাল কাহার, রামদাস সোনার এবং রামদাস লোহার—স্মৃতির উদ্দেশ্যে একটি স্মৃতিসৌধে রূপান্তরিত করা হয়। ১৯৪৩ সাল থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতি বছর ১৬ আগস্ট তাঁদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করতে শুরু করেন এবং আট দশকেরও বেশি সময় ধরে এই ঐতিহ্য অব্যাহত রয়েছে।