
চিন আর পাকিস্তানের ঘুম উড়ে যাবে । এবার ভারত আরও বেশি সংখ্যক রাফাল যুদ্ধ বিমান কিনতে চলেছে। তেমনই জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি সূত্র। আর সেই রাফাল যুদ্ধ বিমানের অস্ত্র চুক্তি দেশের সবথেকে বড় অস্ত্রচুক্তিগুলির মধ্যে একটি। সূত্রের খবর ভারতীয় বিমান বাহিনীর বহুমুখী যুদ্ধ বিমান কর্মসূচির জন্য ১১৪টি ফ্রান্সের তৈরি রাফাল যুদ্ধ বিমান কেনার জন্য ৩.২৫ কোটি টাকার চুক্তি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই অনুমোদন করতে পারে । সূত্রের খবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর দিল্লি সফরের আগেই প্রতিরক্ষামন্ত্রক অস্ত্র চুক্তিতে সায় দিতে পারে।
এই অস্ত্র চুক্তি অনুমোদিত হবে চুক্তিটি দেশের সবথেকে বড় অস্ত্র চুক্তি হবে। যার মধ্যে ভারত ১০০টি নির্দিষ্ট সংখ্যক অস্ত্র তৈরির বিধানও অন্তর্ভুক্ত করবে। যারমধ্যে উচ্চ গ্রেডের যুদ্ধ বিমান প্রযুক্তি হস্তান্তর ও মেক ইন ইন্ডিয়া প্রোগ্রামকে উন্নত করার জন্য একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
ফ্রান্সের সঙ্গে রাফাল যুদ্ধ বিমান নিয়ে যদি চুক্তি হয় তাহলে ভারতই হবে ফ্রান্সের পর দ্বিতীয় দেশ যার হাতে থাকবে সবথেকে বেশি সংখ্যক রাফাল যুদ্ধ বিমান। বিশ্বের অন্যতম যুদ্ধবিমানগুলির মধ্যে ইতিমধ্যেই নাম নথিভুক্ত করেছে রাফাল। অপারেশন সিঁদুরে রাফাল যুদ্ধ বিমানের সাহায্যেই ভারত কার্যত পাকিস্তানকে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছিল।
ইতিমধ্যেই ভারতের হাতে রয়েছে ৩৬টি রাফাল যুদ্ধ বিমান। বিমান বাহিনী ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শেষ 'সি' ভেরিয়েন্টের ডেলিভারি পেয়েছিল - এবং তারা তাদের নৌবাহিনীর জন্য ৬৩,০০০ কোটি টাকার চুক্তিতে ২৬টি নৌ ভেরিয়েন্ট, 'এম' ভার্সনের অর্ডার দিয়েছে। সেই চুক্তিতে চারটি টুইন-সিট ট্রেনার ক্রয় এবং একটি MRO, বা 'রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত, ওভারহল' চুক্তির অধীনে বহরের রক্ষণাবেক্ষণ, সরবরাহ সহায়তা এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণের সুবিধা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এগুলি ২০৩০ সালের মধ্যেই ভারতের হাতে পাওয়ার কথা রয়েছে।
সিন্দুর অভিযানের সময় মোতায়েন করা রাফালে বিমানগুলি SCALP উৎক্ষেপণ করেছে বলে মনে করা হয়, এটি একটি আকাশ থেকে উৎক্ষেপিত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র যা অত্যন্ত নির্ভুলতার সাথে 250 কিলোমিটার দূরের কঠিন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে এবং ইরাক যুদ্ধ এবং লিবিয়া সহ বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সংঘাতে ব্যবহৃত হয়েছে